channel 24

সর্বশেষ

  • মধ্যরাত থেকে যেসব এলাকায় মোটরসাইকেল চলাচল বন্ধ

  • যশোরে স্বতন্ত্র প্রার্থীর কর্মীদের হামলায় নৌকার ২০ কর্মী আহত

  • পান্থপথে ময়লার গাড়ির ধাক্কায় মৃত্যু : ডিএনসিসির সেই চালক গ্রেপ্তার

  • রোহিঙ্গা ক্যাম্পের ক্রমবর্ধমান সহিংসতা সীমান্তের বাইরেও ছড়িয়ে পড়তে পারে: প্রধানমন্ত্রী

  • আমতলীতে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় চেয়ারম্যান রাফেজা বেগম

  • ২২ কোটি টাকা লোকসানের বোঝা মাথায় নিয়ে আখ মাড়াই শুরু

  • শেরপুরে আ.লীগ নেতাকে বহিষ্কারের দাবিতে মহাসড়ক অবরোধ

  • করোনার নতুন ধরন ‘ভয়ংকর’, দেশে দেশে সতর্কতা

  • আকর্ষণীয় বেতনে চাকরি দিচ্ছে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়

  • নতুন সময়ে মাঠে গড়াবে দ্বিতীয় দিনের খেলা

  • সন্ত্রাসীদের কোনো ধর্ম নেই: ভারতের হাইকমিশনার

  • চরের অবশিষ্ট মানুষকে দ্রুত বিদ্যুৎ দিতে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশ

  • যাদের কারণে হুমকির মুখে শোয়েবের ১৮ বছরের রাজত্ব

  • পাকিস্তান ম্যাচ শুরুর আগে ভয়ে কাঁপছিলেন কোহলিরা: ইনজামাম

  • মারা গেলেন পৃথিবীর প্রবীণতম নারী

কক্সবাজার উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে অবৈধভাবে উচ্ছেদের অভিযোগ (ভিডিও)

কক্সবাজার উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে অবৈধভাবে উচ্ছেদের অভিযোগ (ভিডিও)

উচ্চ আদালতের নির্দেশ অমান্য করেই দশটি স্থাপনা উচ্ছেদের অভিযোগ উঠেছে কক্সবাজার উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে। মালিকদের দাবি এগুলো বিভিন্ন ব্যক্তির নিজস্ব খতিয়ানভুক্ত জায়গা। তবে উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ বলছে, আইনগতভাবেই উচ্ছেদ করা হয়েছে। 

পর্যটন শহরের বাস টার্মিনাল সংলগ্ন কয়েকটি ভবন। অনেকটা যুদ্ধবিধ্বস্ত দৃশ্যের মতো মনে হলেও মূলত গেল ১৪ অক্টোবর এখানে উচ্ছেদ অভিযান চালায় কক্সবাজার উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ।

আরও পড়ুন: গাইবান্ধায় প্রকল্পের কাজ না করেই টাকা উত্তোলনের অভিযোগ

সড়ক প্রশস্ত করার জন্য উচ্ছেদ করা হয় ১০টি স্থাপনা। কিন্তু এসব জায়গার মালিকদের দাবি এই উচ্ছেদ কার্যক্রম জোরপূর্বক। কেননা এখানে উচ্ছেদ না করতে হাইকোর্টের রায় রয়েছে তিনটি। সেই সঙ্গে জজ আদালতেও রায় রয়েছে মালিকদের পক্ষে। এমন বাস্তবতায় কোনো প্রকার নোটিশ না দিয়েই চালানো হয় উচ্ছেদ কার্যক্রম।

ক্ষতিগ্রস্ত ভবন মালিকদের একজন বলেন, ৪০ বছর ধরে আমরা এই জায়গার খরিদা মালিক। এরপর আরএসএস, বিএসএসে আমার নাম আছে। সম্পূর্ণ বিএসএস আমার নামে আছে। সরকারকে বছরের পর বছর আয়কর দিচ্ছি।

আরেকজন ভবন মালিক বলেন, এই জমি আমার ব্যক্তি মালিকানাধীন। কখনও সড়ক জনপদের জমি নয়। সড়ক জনপদ জোরপূর্বক আমার জমি দখল করেছে। আমাদের কোনো নোটিশ না দিয়ে অতর্কিত অবস্থায় আমাদের স্থাপনা ভেঙে দিয়েছে।

তবে কক্সবাজার উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের এই কর্মকর্তার দাবি, জোর করে নয়, আইনগতভাবেই চালানো হয় উচ্ছেদ কার্যক্রম। কারণ ইতোমধ্যে এসব জায়গা কক্সবাজার উন্নয়ন কর্তৃপক্ষকে বুঝিয়ে দিয়েছে সড়ক ও জনপথ বিভাগ।

কক্সবাজার উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের সদস্য লেফটেন্যান্ট কর্নেল খিজির খান বলেন, আমরা কিন্তু এই রোডের মালিক না। আমাদের করতে দিয়েছে কাজটা। রোডসের কাজটা আমরা রোডসের পক্ষ হয়ে করতেছি। তারা আমাদের কাগজ দিয়ে গেছে, বুঝিয়ে দিয়ে গেছে, আর কী করার থাকে বলেন।

এদিকে বিষয়টি নিয়ে আবারও উচ্চ আদালতে যাবার কথা বলছেন ক্ষতিগ্রস্ত ভবন মালিকরা।

এএ/এইউ

সংশ্লিষ্ট সংবাদ

সর্বশেষ সংবাদ

চট্টগ্রাম 24 খবর