channel 24

সর্বশেষ

  • মধ্যরাত থেকে যেসব এলাকায় মোটরসাইকেল চলাচল বন্ধ

  • যশোরে স্বতন্ত্র প্রার্থীর কর্মীদের হামলায় নৌকার ২০ কর্মী আহত

  • পান্থপথে ময়লার গাড়ির ধাক্কায় মৃত্যু : ডিএনসিসির সেই চালক গ্রেপ্তার

  • রোহিঙ্গা ক্যাম্পের ক্রমবর্ধমান সহিংসতা সীমান্তের বাইরেও ছড়িয়ে পড়তে পারে: প্রধানমন্ত্রী

  • আমতলীতে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় চেয়ারম্যান রাফেজা বেগম

  • ২২ কোটি টাকা লোকসানের বোঝা মাথায় নিয়ে আখ মাড়াই শুরু

  • শেরপুরে আ.লীগ নেতাকে বহিষ্কারের দাবিতে মহাসড়ক অবরোধ

  • করোনার নতুন ধরন ‘ভয়ংকর’, দেশে দেশে সতর্কতা

  • আকর্ষণীয় বেতনে চাকরি দিচ্ছে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়

  • নতুন সময়ে মাঠে গড়াবে দ্বিতীয় দিনের খেলা

  • সন্ত্রাসীদের কোনো ধর্ম নেই: ভারতের হাইকমিশনার

  • চরের অবশিষ্ট মানুষকে দ্রুত বিদ্যুৎ দিতে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশ

  • যাদের কারণে হুমকির মুখে শোয়েবের ১৮ বছরের রাজত্ব

  • পাকিস্তান ম্যাচ শুরুর আগে ভয়ে কাঁপছিলেন কোহলিরা: ইনজামাম

  • মারা গেলেন পৃথিবীর প্রবীণতম নারী

রায় শুনে আদালত কক্ষ থেকে আসামি পালানোর ঘটনায় তোলপাড়

রায় শুনে আদালত কক্ষ থেকে আসামি পালানোর ঘটনায় তোলপাড়

রায় ঘোষণার পর চট্টগ্রামে আদালত কক্ষ থেকে দণ্ডিত আসামি পালিয়ে যাওয়ার ঘটনায় তোলপাড় চলছে। রায় ঘোষণার সময় উপস্থিত থাকলেও কিছুক্ষণ পরই আদালত কক্ষ থেকে সরে পড়েন আবুল হাসেম।

সোমবার (৪ অক্টোবর) দুপুরে চট্টগ্রামের আদালত থেকেই পালিয়ে যান দণ্ডপ্রাপ্ত আসামি আবুল হাসেম। চেক প্রতারণা মামলায় হাসেমকে বিনাশ্রমে এক বছরের কারাদণ্ড এবং ২২ লাখ টাকা অর্থদণ্ড দেন প্রথম যুগ্ম জেলা জজ মোহাম্মদ খাইরুল আমীন।

আদালত কক্ষ থেকে দণ্ডপ্রাপ্ত আসামি পালিয়ে যাওয়ায় পুলিশের বিরুদ্ধে উঠেছে গাফিলতির অভিযোগ। কেননা রায় ঘোষণার সময় কোনো পুলিশ সদস্যই ছিল না সংশ্লিষ্ট আদালতে। এ ঘটনায় প্রশ্ন উঠেছে আদালতের নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়েও। কেননা কোনো আসামির সাজা হলে তাকে হেফাজতে নেয়ার দায়িত্ব পুলিশের।

আরও পড়ুন: রাতের আঁধারে ভয়ঙ্কর রোহিঙ্গা ক্যাম্প 

কিন্তু আদালতের বেঞ্চ সহকারী সাইফুদ্দিন পারভেজ জানান, সে সময় কোনো পুলিশ সদস্য উপস্থিত ছিলেন না আদালতে। আর এ সুযোগে আসামি পালিয়ে যাওয়ার সুযোগ পেয়েছে।

এ ঘটনায় বিস্মিত আইনজীবীরাও। চট্টগ্রাম জেলা আদালতের পিপি এ কে এম সিরাজুল ইসলাম জানান, আসামি রক্ষা করা কোর্টের দায়িত্ব না, এটা পুলিশের দায়িত্ব। পুলিশের দায়িত্ব অবহেলার কারণে সার্বিকভাবে আদালতের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন হয়েছে।

অবাক বিষয় হচ্ছে, এত বড় ঘটনায় তোলপাড় চললেও বিষয়টি সম্পর্কে কিছুই জানেন না বলে দাবি করেছেন জেলা কোর্ট পরিদর্শক হুমায়ুন কবীর। এ ব্যাপারে ক্যামেরার সামনে কোনো কথা বলতেও রাজি হননি তিনি।

২০১৯ সালে ইটভাটায় শ্রমিক নিয়োগ সংক্রান্ত চুক্তির বিনিময়ে এক ব্যক্তিকে ২২ লাখ টাকার চেক দেন আবুল হাশেম। পরে চেকটি ডিজঅনার হলে মামলা হয় তার বিরুদ্ধে।  

তবে পালিয়ে যাবার পর থেকে এখনও খোঁজ মেলেনি পলাতক আবুল হাসেমের।

একেএম/এইউ

সংশ্লিষ্ট সংবাদ

সর্বশেষ সংবাদ

চট্টগ্রাম 24 খবর