channel 24

সর্বশেষ

  • সৌদি প্রবেশে বাংলাদেশের ১৩৭ পণ্যের শুল্কমুক্ত সুবিধা দাবি

  • আগ্রাসী ব্যাটিংয়ে মাঠে ফিরলেন তামিম

  • চকলেট ভেবে ইঁদুর মারার ওষুধ খেলো দুই বোন, একজনের মৃ’ত্যু

  • চাঁদা আদায়ের অভিযোগে সুনামগঞ্জে অনির্দিষ্টকালের পরিবহন ধর্মঘট

  • করোনাকালে কুড়িগ্রামে বাল্যবিয়ের হিড়িক

  • ৬০ হাজার টাকা বেতনে চাকরি দিচ্ছে ইউএস-বাংলা এয়ারলাইন্স

  • জাতীয় পার্টির ভাইস চেয়ারম্যান হলেন শাফিন আহমেদ

  • খালেদা জিয়ার সাজা স্থগিতের মেয়াদ বাড়ল আরও ছয় মাস

  • চাকরি দিচ্ছে সিটি ব্যাংক

  • ইভ্যালির গ্রেপ্তার কর্ণধারের বিরুদ্ধে আরেক মামলা

  • নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে যাত্রীবাহী বাস খাদে, আহত ৩০

  • যুক্তরাষ্ট্রের কাছে ক্ষতিপূরণ চায় কাবুল হা ম লায় নি হ তদের পরিবার

  • আফগানিস্তানের মেয়েরা প্রাথমিকের অনুমতি পেলেও পায়নি মাধ্যমিকের

  • প্রথমবার মহাকাশ ঘুরে এলেন চার সাধারণ নভোচারী

  • স্বামীর চাপাতির কোপে গুরুতর আহত স্ত্রী

খাগড়াছড়িতে জীর্ণদশায় ৮৮টি স্কুল

খাগড়াছড়িতে জীর্ণদশায় ৮৮টি স্কুল

খাগড়াছড়িতে ৮৮টি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের অবকাঠামো জরাজীর্ণ। সংকট আছে শ্রেণিকক্ষ বেঞ্চসহ অন্যান্য সরঞ্জামের। ফলে ১৭ মাস পর স্কুল খুললেও ব্যাহত হচ্ছে পাঠদান। মানা যাচ্ছে না স্বাস্থ্যবিধি। 

খাগড়াছড়ি জেলার সর্বশেষ উপজেলা গুইমারা। এই উপজেলার অন্যতম পুরোনো বিদ্যালয় গোয়াইছড়ি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়। বিদ্যালয়টি ১৯৬৫ সালের স্থাপিত হলেও দীর্ঘ ৫৫ বছরে এই বিদ্যালয়ে কোনো অবকাঠামোগত উন্নয়ন হয়নি। এ ছাড়া খাগড়াছড়ি সদর উপজেলার ভাইবোনছড়া এলাকায় লক্ষীমূড়া প্রকল্প সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের অবস্থাও নাজুক। এলাকাবাসী, শিক্ষক, শিক্ষার্থীর দাবি বিদ্যালয় দুটোতে দ্রুত অবকাঠামো নির্মাণ করে শিক্ষার পরিবেশ নিশ্চিত করা হোক।

খাগড়াছড়ি সদরের ভাইবোনছড়া এলাকায় লক্ষীমূড়া প্রকল্প সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়টি স্থাপিত হয় ১৯৮৭ সালে, জাতীয়করণ হয় ২০১১ সালে। এই বিদ্যালয়েরও জরাজীর্ণ অবস্থা, পাঠদান করার মতো কোনো পরিবেশ নেই। একমাত্র পাকা ভবন যেকোনো সময় ধসে পড়তে পারে। দরজা জানালাও নেই। বর্ষায় ভেতরে বৃষ্টির পানি পড়ে। ভবনটি পরিত্যক্ত ঘোষণা করেছে প্রাথমিক শিক্ষা বিভাগ। 

খাগড়াছড়ি জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিস সূত্রে জানা যায়, রঞ্জন মনি পাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, সাত ভাইয়া পাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, বগড়াছড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়সহ জেলায় ৮৮টি এ ধরনের জরাজীর্ণ বিদ্যালয় রয়েছে।

খাগড়াছড়ি জেলা সহকারী প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মো. শহীদুল ইসলাম জানান, তিনি উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তাদের কাছ থেকে জরাজীর্ণ এবং শ্রেণি পাঠদান উপযোগী নয় এমন বিদ্যালয়ের তালিকা চেয়েছেন। তালিকা পেলে তিনি মন্ত্রণালয়ে পাঠাবেন। তিনি আশা করেন মন্ত্রণালয় যাচাইবাছাই করে দ্রুত এই বিদ্যালয়গুলোর নির্মাণকাজ শুরু করা হবে।

এফএইচ

সংশ্লিষ্ট সংবাদ

সর্বশেষ সংবাদ

চট্টগ্রাম 24 খবর