channel 24

সর্বশেষ

  • লোভী ষড়যন্ত্রকারীদের আর ধরে রাখার সুযোগ নেই: কাদের

  • করোনায় দেশে আরও ৩৯ জনের মৃত্যু, নতুন শনাক্ত ৩০৯৯

  • এবার মদীনায় 'ভোগ' ম্যাগাজিনকে ফটোশুটের অনুমতি দিলো বাদশাহ

  • ঈদের ছুটি ৩ দিনের বেশি বাড়ছে না

  • উপনির্বাচনে স্বাস্থ্যবিধির বিষয়টি সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেয়া হবে: নির্বাচন কমিশন

  • আইসিটি খাতের আয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে বেসিস-জাপান ডেস্ক

  • ঢাকার চারপাশের নদীতীর রক্ষার কাজ পরিদর্শনে নৌ-প্রতিমন্ত্রী

  • জাপানে স্টেডিয়ামে গিয়ে ম্যাচ দেখার সুযোগ পেলেন দর্শকরা

  • চট্টগ্রামে সরকারি সুযোগ সুবিধার বাইরে বেসরকারি চিকিৎসকরা

  • মধ্যপ্রাচ্যের সাম্মাম ফলের বাণিজ্যিক চাষে সফল নওগাঁর চাষিরা

  • এগিয়ে যাবার মিশনে রাতে গ্রানাদার মুখোমুখি রিয়াল মাদ্রিদ

  • সাউদাম্পটন টেস্টে ইংল্যান্ডকে হারালো ওয়েস্ট ইন্ডিজ

  • নেত্রকোণায় নদীতে অবাধে চলছে বালু-পাথর তোলার মহোৎসব, ভাঙনের কবলে ঘর-বাড়ি

  • টাকা না থাকায় শিশুকে রেখে উধাও বাবা-মা; দায়িত্ব নিলেন এসপি

  • ইতিহাসে প্রথমবারের মতো ভার্চুয়ালি বসলো আপিল বেঞ্চ

করোনার ভয়াবহ সংক্রমণ ঝুঁকিতে রোহিঙ্গা ক্যাম্প

করোনার ভয়াবহ সংক্রমণ ঝুঁকিতে রোহিঙ্গা ক্যাম্প

এক রোহিঙ্গার মৃত্যুর পর ভয়াবহ সংক্রমণ ঝুঁকিতে এখন কক্সবাজারে শরণার্থী শিবিরগুলো। আতঙ্ক ছড়িয়েছে মিয়ানমার থেকে আসা ১১ লাখ রোহিঙ্গার বসতি টেকনাফ ও উখিয়ার ৩৪ টি ক্যাম্পে। এরই মধ্যে ৯ জনকে রাখা হয়েছে কোয়ারেন্টিনে। আর এপর্যন্ত ২৯ রোহিঙ্গা করোনায় আক্রান্ত, আইসোলেশনে আরও ১৫ হাজার। দাতব্য সংস্থাগুলো বলছে, ঘনবসতিপূর্ণ ক্যাম্পে মহামারীর প্রাদুর্ভাব নিয়ন্ত্রণ বড় চ্যালেঞ্জ।

রাষ্ট্রীয় নিপীড়নের মুখে মিয়ানমার থেকে বিতাড়িত ১১ লাখেরও বেশি রোহিঙ্গার বসতি কক্সবাজারের ক্যাম্পে। শনিবার কুতুপালংয়ে ক্যাম্পের নিজ ঘরেই মারা যান ৭১ বছর বয়সী একজন। করোনা উপসর্গ নিয়ে কোয়ারেন্টিনে ছিলেন তিনি। মৃত্যুর দুদিন পর সুরতহাল রিপোর্টে প্রমাণ মেলে করোনাতেই  মারা গেছেন তিনি। পরিবারের ৯ সদস্যকে নেয়া হয়েছে কোয়ারেন্টিনে। এতে আতঙ্ক ছড়িয়েছে, বিশ্বের সবচেয়ে বড় এ শরণার্থী ক্যাম্পের বাসিন্দাদের মধ্যে।

১৪ মে উখিয়ার লম্বাশিয়া আশ্রয়শিবিরে প্রথম কোভিড-১৯ আক্রান্ত রোহিঙ্গা চিহ্নিত হয়। জাতিসংঘের শরণার্থী বিষয়ক সংস্থা UNHCR এর হিসাবে, ক্যাম্পে বর্তমানে ২৯ রোহিঙ্গা করোনায় আক্রান্ত। সংক্রমণ ঠেকাতে উখিয়ার ৩ টি আশ্রয় শিবিরের ৩ হাজার ৬'শ পরিবাররের ১৫ হাজার রোহিঙ্গাকে আইসোলেশনে রাখা হয়েছে।

দাতব্য সংস্থাগুলো বলছে, ঘনবসতিপূর্ণ এ ক্যাম্পে মহামারির প্রাদুর্ভাব নিয়ন্ত্রণ এখন বড় চ্যালেঞ্জ। কক্সবাজারের রোহিঙ্গা ক্যাম্পে প্রতি বর্গকিলোমিটারে বসতি অন্তত ৪০ হাজারের ৩৪টি আশ্রয়শিবিরে গড় ঘনবসতি, দেশের অন্যান্য অংশের তুলনায় ৪০ গুণ বেশি। ক্যাম্পের ঘিঞ্জি ও স্যাতসেতে পরিবেশে ১০ স্কয়ার মিটারের মধ্যে থাকছেন অন্তত ১২ জন।

এ অবস্থায় করোনার প্রাদুর্ভাব মোকাবেলায় শরণার্থী শিবিরে টেস্টের পরিধি বাড়ানোর দাবি আন্তর্জাতিক এনজিও এবং মানবাধিকার কর্মীদের।

সংশ্লিষ্ট সংবাদ

সর্বশেষ সংবাদ

চট্টগ্রাম 24 খবর