channel 24

সর্বশেষ

  • বিদেশ যেতে হলে করোনার সার্টিফিকেট নিতে হবে: পররাষ্ট্রমন্ত্রী

  • ভুয়া ডাক্তার, নিষিদ্ধ ওষুধ ও লাইসেন্স না থাকায় এসএইচএস হাসপাতাল সিলগালা

  • রিজেন্ট-জেকেজির জালিয়াতি নিয়ে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের বিবৃতি দায়সারা

  • টক-মিষ্টি স্বাদের লটকন

  • এখনো পাওনা এক টাকাও পায়নি ব্রাদার্স ইউনিয়ন ক্রিকেটাররা

  • কক্সবাজার সৈকতে ভাসছে বর্জ্য, মারা গেছে ২০টি কচ্ছপ

  • পাঁচ প্রতিষ্ঠানের করোনা নমুনা পরীক্ষা স্থগিত

  • ৩ বছর বন্ধের পর কক্সবাজারে পুনরায় শুরু হচ্ছে জন্মনিবন্ধন প্রক্রিয়া

  • সাবরিনা-আরিফ দম্পতির রূপকথার জীবনের নানা গল্প

  • খাগড়াছড়িতে সাবেক ছাত্রদল নেতাকে কুপিয়ে হত্যা

  • চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজে ছাত্রলীগের দু'গ্রুপে সংঘর্ষ, আহত ৭

  • স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের ডিজি আবুল কালাম আজাদকে শোকজ

  • এরশাদের মৃত্যুবার্ষিকীর দিন উপনির্বাচন পেছাতে ইসিতে জাপা

  • ডা. সাবরিনা জাতীয় হৃদরোগ ইনস্টিটিউট থেকে বরখাস্ত

  • জ্বর-সর্দি ও শ্বাসকষ্টে দেশের বিভিন্ন স্থানে ১০ জনের মৃত্যু

চট্টগ্রাম ভেটেরিনারি বিশ্ববিদ্যালয়ের নেতৃত্বে করোনার ৭টি জিনোম সিকোয়েন্স

চট্টগ্রাম ভেটেরিনারি বিশ্ববিদ্যালয়ের নেতৃত্বে করোনার ৭টি জিনোম সিকোয়েন্স

এবার করোনাভাইরাসের জিনোম সিকোয়েন্স করলো চট্টগ্রাম ভেটেরিনারি বিশ্ববিদ্যালয়ের নেতৃত্বে সরকারি তিনটি প্রতিষ্ঠান। দুই সপ্তাহের চেষ্টায় সাতটি ভাইরাসের জিনোম বিন্যাস করেন বিজ্ঞানীরা। যা দেশে এখন পর্যন্ত সর্বোচ্চ। এর সাথে মিল পাওয়া গেছে সৌদি আরব, সিঙ্গাপুরসহ চারটি দেশে পাওয়া ভাইরাসের। তারা বলছেন, এর মাধ্যমে দেশের বিভিন্ন জেলায় ভাইরাসের গতি-প্রকৃতি, উৎপত্তিস্থল এবং ভবিষ্যতে টিকা তৈরির বিষয়ে গবেষণা সহজ হবে।

দেশে অচেনা করোনা ভাইরাসের জিনোম সিকোয়েন্সের প্রথম খবর দেয় ঢাকার চাইল্ড হেল্থ রিসার্চ ফাউন্ডেশন। এবার সেই কাজটি করলো চট্টগ্রাম ভেটেরিনারি বিশ্ববিদ্যালয়-সিভাসুর নেতৃত্বে সরকারি তিনটি প্রতিষ্ঠান।   

গেল দুই সপ্তাহ ধরে নেক্সট জেনারেশন সিকোয়েন্সিং বা এনজিএস পদ্ধতিতে এই তথ্য বিন্যাস করেন গবেষকরা। বিভিন্ন জেলা থেকে সংগ্রহ করা ১২টি নমুনার মধ্যে সাতটি  ভাইরাসের জিনোম বিন্যাস করা হয়। যাতে মিল পাওয়া গেছে চারটি দেশে পাওয়া ভাইরাসের সাথে।

একসাথে সাতটি ভাইরাসের জিনোম সিকোয়েন্স দেশে এটাই সর্বোচ্চ। গবেষকরা বলছেন, এই জিনোম বিন্যাসের ফলে কোন জেলায় কোন ধরনের ভাইরাস বিস্তার লাভ করেছে, উৎপত্তিস্থল, আনবিক গঠনের পরিবর্তন এবং দেশে টীকা উৎপাদন বিষয়ে গবেষণা সহজ হবে।

অধিকতর তথ্য উদঘাটনের জন্য আরও ২০টি নমুনা ঢাকার বিজেআরআই ল্যাবে পাঠানো হয়েছে। যা এক সপ্তাহের মধ্যে জমা দেয়া হবে আন্তর্জাতিক ইনফ্লুয়েঞ্জা ডেটাবেজে। এই কাজে যুক্ত ছিলেন বিআইটিআইডি হাসপাতাল ও বাংলাদেশ পাট গবেষণা ইনস্টিটিউটের চার গবেষকও।

সংশ্লিষ্ট সংবাদ

সর্বশেষ সংবাদ

চট্টগ্রাম 24 খবর