channel 24

সর্বশেষ

  • অগ্নিকাণ্ডে অবহেলা: ইউনাইটেড হাসপাতালের বিরুদ্ধে ভুক্তভোগীর মামলা

  • ময়মনসিংহ সার্কিট হাউস মাঠে দেয়াল নির্মাণের সিদ্ধান্তে খেলোয়াড়দের প্রতিবাদ

  • করোনায় বিশ্বে প্রাণহানি ৩ লাখ ৮০ হাজার ছাড়ালো, আক্রান্ত ৬৪ লাখ

  • রংপুরে জাতীয় পার্টির রাজনীতিতে উত্তাপ

  • পাকশী বিভাগীয় রেলওয়ের ৮৫ গেটম্যানকে চাকরিচ্যুতির প্রতিবাদে বিক্ষোভ

  • বাস ও ট্রেনে বেশিরভাগ যাত্রীই মানছেন স্বাস্থ্যবিধি, ব্যতিক্রম নৌপথে

  • স্বাস্থ্যকর্মীদের সঙ্গে তিতুমীর কলেজ স্টাফদের সংঘর্ষের ঘটনায় পরিস্থিতি এখনও থমথমে

  • করোনা পরিস্থিতি পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণের বাইরে: ফখরুল

  • ২৬ বাংলাদেশিকে হত্যার ঘটনায় দালাল চক্রের আরও ৬ সদস্য গ্রেপ্তার

  • তিন মৌসুমের চার শিরোপার প্রাইজমানি পায়নি বসুন্ধরা কিংস, ক্ষুব্ধ ক্লাব

  • কৃষ্ণাঙ্গ জর্জ ফ্লয়েডকে হত্যার প্রতিবাদ অব্যাহত বিশ্ব ক্রীড়াঙ্গনে

  • সরকার সঠিকভাবে করোনা মোকাবিলা না করলে মৃত্যুহার আরো বেশি হতো: তথ্যমন্ত্রী

  • বাংলাদেশকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার জন্য কাজ করছেন গণমাধ্যমকর্মীরা: এলজিআরডি মন্ত্রী

  • পুঁজিবাজারে সূচকের পাশাপাশি কমেছে লেনদেন

  • লাকি আক্তারকে খুঁজে টাকা পৌঁছে দিলেন ছাত্রলীগ নেতা

করোনা সংক্রমণে দেশের তৃতীয় হটস্পট এখন চট্টগ্রাম

করোনা সংক্রমণে দেশের তৃতীয় হটস্পট এখন চট্টগ্রাম

ঢাকা, নারায়নগঞ্জের পর দেশের তৃতীয় হটস্পট এখন চট্টগ্রাম। আক্রান্ত শনাক্ত হবার দেড়মাসের মধ্যে গত এক সপ্তাহেই বেড়েছে ৮০ শতাংশ রোগী। স্বাস্থ্য বিভাগ বলছে, অবাধ যাতায়াত আর স্বাস্থ্যবিধি না মানাই এর জন্য দায়ী। এখন সচেতনতা বৃদ্ধির পাশাপাশি যত বেশি সম্ভব নমুনা পরীক্ষা করে আক্রান্তদের চিকিৎসা নিশ্চিত করাই জরুরি।

তবে বিশেষজ্ঞরা বলছেন, নমুনা সংগ্রহ এবং পরীক্ষা শেষ করতে হবে অল্পসময়েই। না হয় সংক্রমণ ছড়িয়ে পড়বে অনেক বেশি।

চট্টগ্রামে প্রথম করোনা শনাক্ত হয় ৩ এপ্রিল। যা অস্বাভাবিকহারে বাড়তে থাকে গত এক সপ্তাহে। এ পর্যন্ত আক্রান্তদের ৮০ ভাগই হয়েছে ৮মের পর। ফলে ঢাকা ও নারায়নগঞ্জের পর দেশের তৃতীয় হটস্পট এখন চট্টগ্রাম।

লকডাউন শিথিল হয়ে পড়েছে। খুলেছে প্রায় সব শিল্প কারখানা। খোলা অফিসও। মানা হচ্ছে না স্বাস্থ্যবিধি। সবমিলে আক্রান্ত বেড়ে যাওয়ার জন্য মোটাদাগে এসব কারণকেই বড় করে দেখছে স্বাস্থ্যবিভাগ।  

চট্টগ্রামে ল্যাব বাড়ার সাথে বেড়েছে শনাক্তের সংখ্যাও। এখন তিনটি ল্যাবে প্রতিদিন নমুনা পরীক্ষা হচ্ছে গড়ে সাড়ে ৩শর বেশি। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, সংগ্রহের পর দ্রুত নমুনা পরীক্ষা করা জরুরী। পুরো প্রক্রিয়া বিলম্বিত হলে শঙ্কা থাকে সংক্রমণ বেশি ছড়ানোর।

এদিকে, আক্রান্ত বাড়ার সাথে পাল্লা দিয়ে বাড়ছে না চিকিৎসা সুবিধা। অবশ্য সংশ্লিষ্টরা বলছেন, ৯০ শতাংশ রোগীকে বাড়িতে রেখে চিকিৎসা দেয়া গেলে সংকট সামাল দেয়া সম্ভব।   

আক্রান্তদের বেশিরভাগই নগরে। যাদের উল্লেখযোগ্য অংশই পুলিশ সদস্য। এছাড়া জেলায় সাতকানিয়া, লোহাগাড়া, পটিয়া, বাঁশখালি, সীতাকুণ্ডে সবচেয়ে বেশি আক্রান্ত।

সংশ্লিষ্ট সংবাদ

সর্বশেষ সংবাদ

চট্টগ্রাম 24 খবর