channel 24

সর্বশেষ

  • সাবেক স্বাস্থ্যমন্ত্রী মোহাম্মদ নাসিম করোনায় আক্রান্ত

  • মোরশেদ খানের দেশত্যাগে নানা প্রশ্ন; ঘটনার তদন্ত চায় দুদক

  • প্রধানমন্ত্রী ঘোষিত সুদ ছাড়ের প্রণোদনা পাবে মার্চেন্ট ব্যাংকগুলো

  • করোনাকালে ভুতুড়ে বিদ্যুৎ বিল নিয়ে গ্রাহকদের ক্ষোভ

  • লিবিয়ায় ২৬ বাংলাদেশিকে হত্যা: বাচ্চু মিলিটারি ৫ দিনের রিমান্ডে

  • পঞ্চগড়ে বজ্রপাতে বাবা ছেলেসহ ৩ জনের মৃত্যু

  • বাস-লঞ্চে উধাও স্বাস্থ্যবিধি

  • স্বাস্থ্যবিধি অমান্য করায় এমভি প্রিন্স লঞ্চ জব্দ

  • লকডাউন শেষে মুক্ত হলো আকাশপথ, চলছে উড়োজাহাজ

  • লিবিয়ায় নিহতদের স্বজনরা মুক্তিপণের টাকা হাজী কামালকে দিয়েছিলেন

  • হিলি রেলপথ দিয়ে ভারত থেকে দ্বিতীয় দফায় পেঁয়াজ আমদানি হয়েছে

  • না ফেরার দেশে চলে গেলেন প্রধানমন্ত্রীর উপ-প্রেস সচিব আশরাফুল আলমের বাবা

  • লেনদেন বাড়লেও দুই স্টক এক্সচেঞ্জে বড় দরপতন

  • ২৬ বাংলাদেশি হত্যাকাণ্ডের বিষয়ে কঠোর নিন্দা জানিয়েছে লিবিয়ার সরকার

  • 'আমেরিকায় বর্ণবৈষম্য করোনা ভাইরাসের চাইতেও ভয়ংকর'

বন্দরে আশঙ্কাজনকভাবে কমেছে কন্টেইনার খালাস, উদ্বিগ্ন বন্দর কর্তৃপক্ষ

বন্দরে আশঙ্কাজনকভাবে কমেছে কন্টেইনার খালাস, উদ্বিগ্ন বন্দর কর্তৃপক্ষ

করোনায় লকডাউন শুরুর পর থেকে বন্দরে দিনে কন্টেইনার খালাস আশঙ্কাজনকভাবে কমেছে। আগে যেখানে প্রতিদিন চার হাজার থেকে সাড়ে চার হাজার কন্টেইনার খালাস হতো, এখন তা নেমেছে মাত্র ছয় থেকে সাতশোতে। যা নিয়ে উদ্বিগ্ন বন্দর কর্তৃপক্ষ। ব্যবসায়ীরা বলছেন, জরুরিভিত্তিতে সমন্বিত পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করা না হলে আমদানি-রপ্তানিখাতকে মোকাবিলা করতে হবে আরেক সংকট।

চট্টগ্রাম বন্দরের সিসিটি-এনসিটি গেইটের সোমবারের ছবি। সাধারণ সময়ে ব্যস্ততম এই ফটক অনেকটাই ফাঁকা। একইভাবে নীরব ৪ নম্বর ফটকও। দীর্ঘসময় পর পর দেখা মিলছে এক একটি গাড়ির।

করোনার সংক্রমণ ঠেকাতে লকডাউন শুরুর পর থেকে স্থবির যান চলাচল। ফলে বন্দরে আমদানি পণ্য খালাস কমেছে ৭-৮ গুণ। যদিও জেটিতে পণ্য ওঠানামা অনেকটাই স্বাভাবিক। তাতে শংকা বাড়ছে কন্টেইনার জটের। কারণ ইতিমধ্যে ৪৯ হাজার ধারণক্ষমতার বিপরীতে কন্টেইনারের অবস্থান ছাড়িয়েছে ৪০ হাজার।  

চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষ সচিব মো. ওমর ফারুক বলেন, যেখানে কন্টেইনার জাহাজ থেকে পণ্য নামছে গড়ে আড়াই-তিন হাজার সেখানে ডেলিভারি হচ্ছে মাত্র ৭শ থকে ৮শ। এভাবে চলতে থাকলে একটা সময় পরে দেখা যাবে আমাদের বন্দরে ধারণ ক্ষমতা থাকছে না।

সংশ্লিষ্টরা বলছেন, যান চলাচল বন্ধের পাশাপাশি ২৫ মার্চ এনবিআরের জারি করা নির্ধারিত মালামাল ছাড়করণ সংক্রান্ত চিঠির কারণেও কমে যায় পণ্য খালাস। যদিও সোমবার সেটি অনেকটাই শিথিল করে এনবিআর।   

চট্টগ্রাম কাস্টম হাউস কমিশনার মো. ফখরুল আলম বলেন, আগের তুলনায় আমাদের কাজ একটু বেড়েছে। এটার পরিমাণ নির্ভর কতবে আমদানীকারকদের ক্লিয়ারেন্সের উপর। এখন তাঁরা যদি মাল ক্লিয়ার করতে না চায় তবে তো আর ক্লিয়ার হবে না, তবে কী যদি আসে আমরা সেটা ক্লিয়ার করে পণয় দেওয়ার জন্যে রেডি আছি।

ইন্টারনাল ট্রেড সাবকমিটি কনভেনর মাহফুজুল হক শাহ বলছেন, চলমান এবং আসছে সংকট লাঘবে এখনি দরকার সমন্বিত পরিকল্পনা।

যেহেতু বন্দর সংশ্লিষ্ট সব সেবাদানকারি প্রতিষ্ঠান সীমিত আকারে হলেও খোলা রয়েছে, তাই বন্দর ব্যবহারকারীদের পণ্য খালাসে উদ্যোগ নেয়ার তাগিদ সংশ্লিষ্টদের। 

সংশ্লিষ্ট সংবাদ

সর্বশেষ সংবাদ

চট্টগ্রাম 24 খবর