channel 24

সর্বশেষ

  • নারায়ণগঞ্জ জেলা সম্পূর্ণরূপে লকডাউন

  • বিশ্বে প্রাণহানি ৭৮ হাজার ছাড়ালো, জাপানে জরুরি অবস্থা জারি

  • অভিনব কায়দায় মাস্ক চুরি করলো যুক্তরাষ্ট্র!

  • করোনা আতঙ্কের মাঝে সুখবর দিলেন সাকিব ও মাহমুদউল্লাহ

  • ২২০টি করোনা শনাক্তের কিট দিলেন সাবেক এমপি রুহী

  • করোনায় আক্রান্ত ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রীর শারীরিক অবস্থার উন্নতি

  • জামালপুরে স্বাস্থ্যবিধি মেনে দুটি বিশেষ বাজার চালু

  • ঢাকার বাইরে সবচেয়ে বেশি আক্রান্ত নারায়ণগঞ্জবাসী, টাঙ্গাইল লকডাউন

  • করোনা উপসর্গ নিয়ে দেশের বিভিন্ন স্থানে ৪ জনের মৃত্যু

  • চিকিৎসা না দিয়ে ফিরিয়ে দেয়ায় রাস্তায় নবজাতক প্রসব

  • কর্মহীন হয়ে পড়া খেটে খাওয়া মানুষদের দিকে সাহায্যের হাত বাড়িয়েছেন অনেকেই

  • বান্দরবানে নিজস্ব উদ্যোগে সুরক্ষা ব্যবস্থা গড়ে তুলেছে ম্রো জনগোষ্ঠি

  • বঙ্গবন্ধুর খুনি আব্দুল মাজেদ গ্রেপ্তারের পর কারাগারে

  • লকডাউনের মাঝেই জার্মানিতে বায়ার্ন মিউনিখের অনুশীলন শুরু

  • মারা গেলেন ফুটবল কোচ রাদোমির অ্যান্টিচ

ঘনবসতি হওয়ায় রোহিঙ্গা ক্যাম্পে করোনার উদ্বেগ

ঘনবসতি হওয়ায় রোহিঙ্গা ক্যাম্পে করোনার উদ্বেগ

এগারো লাখের বেশি রোহিঙ্গা শরণার্থী আর দেশি-বিদেশি পর্যটকের সমাগম কক্সবাজারে। তাই সেখানে করোনার ঝুঁকি মোকাবেলায় ব্যাপক প্রস্তুতির কথা বলছে প্রশাসন। এজন্য বিশেষ পর্যবেক্ষণের আওতায় রাখা হয়েছে বিমানবন্দর, স্থলবন্দর, পর্যটনস্পট এবং রোহিঙ্গা ক্যাম্পগুলো। রামু ও চকরিয়ায় প্রস্তুত রাখা হয়েছে, একশো শয্যার আইসোলেশন ইউনিট।

দেশের পর্যটন রাজধানী হিসেবে পরিচিত কক্সবাজার। যেখানে প্রতিদিন  মুখর থাকে হাজারও পর্যটকে। রোহিঙ্গা ক্যাম্পের কারণে যাতায়াত করছেন বিভিন্ন দেশের নাগরিকরাও।  

উখিয়া-টেকনাফে রোহিঙ্গা ক্যাম্পে এখন বসবাস করছে এগারো লাখের বেশী মানুষ। সবমিলে ঘনবসতিপূর্ণ জায়গা বলে ক্যাম্প ঘিরে করোনাভাইরাস নিয়ে আছে উদ্বেগ।

এসিএফ এর চট্টগ্রাম বিভাগীয় পরিচালক মোহাম্মদ মাহাদী বলেন, জনবহুল মানুষ হবার কারণে ক্যাম্পের মানুষদের পরিচ্ছনতা, শিষ্ঠাচার জিনিসটা কম। তাই আমরা গুরুত্ব দিচ্ছি যেন ক্যাম্পের মানুষরা পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতার দিকটা ভালভাবে খেয়াল রাখে।

বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক ডা. মহিউদ্দীন মো. আলমগীর বলেন, সর্দী-কাশি হতেই পারে, এতে ভয় পাবার কিছু নেই। আতঙ্কিত না হয়ে আমাদের হটলাইন নাম্বর দেওয়া আছে সেখানে যোগাযোগ করতে হবে।

তবে প্রশাসন বলছে, করোনা সংক্রমণ ঠেকাতে পর্যটক ও রোহিঙ্গা ক্যাম্প ঘিরে নেয়া হয়েছে বিশেষ ব্যবস্থা। স্ক্যানার দিয়ে কক্সবাজার বিমানবন্দর ও টেকনাফ স্থলবন্দরে চলছে পর্যবেক্ষণ।   

কক্সবাজার জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ কামাল হোসেন বলেন,  ক্যাম্পগুলোতে যেন আরও সচেতনতা বাড়ানো যায় সেজন্য ওখানে কর্মরত এনজিওদের সাথে আমাদের একটা সভা রয়েছে। সেখানে আমরা বিস্তারিত কথা বলবো।

কক্সবাজার সিভিল সার্জন ডা. মো. মাহবুবুর রহমান বলেন, যেখানে যেখানে দরকার আমাদের টিম স্ক্রিনিং করছে, এরপরে আমরা যদি মনে করি যে তাদের কিছু দরকার হলে আমরা সেই অনুযায়ী পরামর্শ দিচ্ছি।

কেউ করোনা ভাইরাস আক্রান্ত হলে প্রস্তুত রাখা হয়েছে একশো শয্যার আইসোলেশন সেন্টার। এছাড়া খোলা হয়েছে নিয়ন্ত্রণ কক্ষ।

সংশ্লিষ্ট সংবাদ

সর্বশেষ সংবাদ

চট্টগ্রাম 24 খবর