channel 24

সর্বশেষ

  • আমতলী থানা হেফাজতে মৃত্য: ওসির বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের আইনজীবীর

  • সচেতনতা বাড়াতে উদ্যোগ নিয়েছে রাজধানীর ইব্রাহিমপুরের কিছু তরুণ

  • টোকিও অলিম্পিকের নতুন তারিখ ২০২১ সালের ২৩ জুলাই

  • করোনা সন্দেহে মানসিক ভারসাম্যহীন নারীকে বের করে দিলেন স্বজনরা

  • যুক্তরাজ্য থেকে ঢাকায় ৭৩ প্রবাসী, নিজ দেশে ফিরলেন ২৬৯ মার্কিন নাগরিক

  • আপেল চাষ হচ্ছে ঢাকা শহরে বাড়ির ছাদে

  • করোনায় আক্রান্ত তুরস্কের সাবেক গোলরক্ষক রুস্তো রেকবার

  • কোয়ারেন্টিনের মাঝেই ফিটনেস ধরে রাখতে মনোযোগী ফুটবলাররা

  • নারী ক্রিকেটারদেরও আর্থিক সহায়তা দিচ্ছে বিসিবি

  • পীরগাছায় ট্রেনের ইঞ্জিনের ধাক্কায় অটোরিকশার চার যাত্রী নিহত

  • ডাক্তার, নার্স ও হাসপাতাল কর্মীদের পিপিই দেবে বিজিএমইএ

  • ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় হ্যান্ড স্যানিটাইজার তৈরি করে বিতরণ করছে শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা

  • ইউরোপে বাংলাদেশের জিএসপি বাতিল আবেদন খারিজ

  • নিউইয়র্কে একদিনে ৮ বাংলাদেশির মুত্যু, বিশ্বে প্রাণহানি ৩৫ হাজার ছাড়ালো

  • করোনা মোকাবিলায় গণমাধ্যম ও সরকার আরও ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করবে: তথ্যমন্ত্রী

চট্টগ্রাম সিটিতে আ.লীগ মেয়রপ্রার্থীর চেয়ে ৫ গুণ বেশি আয় বিএনপি প্রার্থীর

চট্টগ্রাম সিটিতে আ.লীগ মেয়রপ্রার্থীর চেয়ে ৫ গুণ বেশি আয় বিএনপি প্রার্থীর

সম্পদ এবং মামলা দুটিতেই এগিয়ে বিএনপি প্রার্থী ডাক্তার শাহাদাত হোসেন। তার নামে মামলা রয়েছে ৪৮টি। বার্ষিক আয়ও বেশি তার। তবে আয়ে পিছিয়ে থাকলেও, স্থাবর সম্পদ কম নেই ক্ষমতাসীন দলের প্রার্থী রেজাউল করিম চৌধুরীর। নেই কোনো মামলাও। চট্টগ্রাম সিটি নির্বাচনে তাদের হলফনামায় মিলেছে এসব তথ্য। যা যাচাইয়ের পরামর্শ দিয়েছেন নাগরিক সমাজের প্রতিনিধিরা।

চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনে মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন নয় মেয়র এবং ২৭৮ কাউন্সিলর প্রার্থী। এরমধ্যে সবার চোখ এখন প্রধান দুই দলের প্রার্থীদের দিকে।

মনোনয়নপত্রের সাথে জমা দেয়া হলফনামা অনুসারে আওয়ামী লীগের মেয়র প্রার্থী রেজাউল করিম চৌধুরীর শিক্ষাগত যোগ্যতা বিএ পাস।

পেশা ব্যবসা। বাড়িভাড়া ও ব্যবসা থেকে তার বার্ষিক আয় ৪ লাখের বেশি। তার ওপর নির্ভরশীলদের আয় ৪ লাখ টাকা। তার এবং স্ত্রীর হাতে নগদ আছে সাড়ে ৪ লাখ টাকা। এছাড়া ব্যাংকে জমা আছে ৩৯ লাখ টাকার মতো। আছে জমি আর বাড়ি। তার নামে নেই কোন মামলা।

তবে সরকারি দলের প্রার্থী মামলামুক্ত হলেও ৪৮টি মামলার বোঝা আছে বিএনপির প্রার্থী ডাক্তার শাহাদাত হোসেনের ঘাড়ে। তার বার্ষিক আয় দেখানো হয়েছে ২০ লাখ টাকার বেশি। নগদ আছে ১৫ লাখ টাকার মতো। এছাড়া ৩৪ লাখ টাকার বেশি জমা আছে ব্যাংকে। আছে বাড়ি ও জমি। তবে এরবাইরে তার ঋণ রয়েছে ৩ কোটি টাকার বেশি।

ভোটারদের যোগ্য প্রার্থী বেছে নেয়ার স্বার্থে তাদের এসব হিসাব যাচাই করা উচিত বলে মনে করেন নাগরিক সমাজের প্রতিনিধিরা।

চট্টগ্রাম সুজনের সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট আখতার কবির চৌধুরী বলেন, নির্বাচন কমিশনের দায়িত্ব যে সম্পদ এবং অন্যান্য তথ্যগুণো দেওয়া আছে মামলা মোকাদ্দমাসহ ব্যক্তিগত অনেক তথ্য নির্বাচন কমিশনে দেওয়া আছে সেগুলো সঠিক কিনা তা যাচাই করা সুযোগ রয়েছে এবং যাচাই করা কথা।

টিআইবির পর্যদ সদস্য প্রকৌশলী দেলোয়ার হোসেন মজুমদার বলেন, শুধু নির্বাচনে দাড়ানোর সময় না সে নির্বাচন থেকে চলে গেলেও তাকে এ বিবরণী দিতে হবে। এবং এটা আইন করে বাধ্যতামূলক করতে হবে এবং এটাকে তদন্তের আওতায় এনে এর যৌক্তিকতা রাষ্ট্রীয়ভাবে নিশ্চিত করতে হবে।

চট্টগ্রাম সিটিতে ভোট হবে আগামী ২৯ মার্চ। ৯ মার্চ শুরু হবে প্রার্থীদের আনুষ্ঠানিক প্রচারণা।

 

 

সংশ্লিষ্ট সংবাদ

সর্বশেষ সংবাদ

চট্টগ্রাম 24 খবর