channel 24

সর্বশেষ

  • র‍্যাবের মহাপরিচালক হলেন চৌধুরী আব্দুল্লাহ আল-মামুন

  • বেনজীর আহমদকে পুলিশ মহাপরিদর্শক করে প্রজ্ঞাপন

  • করোনা সংক্রমণ রোধে ঢাকার ৫০টির বেশি এলাকার ও বাড়ি লক ডাউন

  • করোনায় ঘরবন্দি বেশিরভাগ মানুষ, সুস্থ থাকতে সুষম খাদ্যাভাস ও শরীর চর্চার পরামর্শ

  • দেশে করোনার সামাজিক সংক্রমণ শুরু, ১৫ জেলায় মিলেছে রোগী

  • মহামারি সংক্রমণ আইন প্রথমবারের মতো কার্যকর, তবে মানছেন না কেউ

  • ঢাকা মেডিকেলে আইসোলেশনে চিকিৎসাধীন যুবকের মৃত্যু

  • বঙ্গবন্ধুর খুনি ক্যাপ্টেন (বরখাস্ত) মাজেদের মৃত্যু পরোয়ানা জারি

  • টাঙ্গাইলে করোনা রোগী শনাক্ত, আশেপাশের ৩৫ টি বাড়ি লকডাউন

  • বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার অর্থ তহবিল বন্ধের হুঁশিয়ারি ট্রাম্পের

  • চীনের উহানে খুলে দেওয়া হয়েছে বিমানবন্দর ও রেল স্টেশন

  • করোনা উপসর্গে কাপাসিয়ায় মেডিকেল ছাত্রের মৃত্যু

  • নিউইয়র্ক যেন মৃত্যুনগরী

  • করোনায় প্রাণহাণি ছাড়ালো ৮২ হাজার

  • হজযাত্রী নিবন্ধন সময় ১৬ এপ্রিল পর্যন্ত বৃদ্ধি

সাক্ষীর অভাবে কক্সবাজারে ঝুলছে মানবপাচারের ছয় শতাধিক মামলা

সাক্ষীর অভাবে কক্সবাজারে ঝুলছে মানবপাচারের ছয় শতাধিক মামলা

মানবপাচার আইনে দায়ের হওয়া মামলার বিচার না হওয়ায় বাড়ছে পাচারের ঘটনা। কক্সবাজারে এখন পর্যন্ত ৬৩৭টি মামলা হলেও বিচার হয়নি একটিরও। আইন কর্মকর্তার দাবি, এসব মামলায় সাক্ষী পাওয়া কঠিন তাই সহজে বিচার কাজ শেষ করাও কঠিন। তবে শুধু মামলা নয়, দালাল নিয়ন্ত্রণ ও মানবপাচার রোধে সমন্বিতভাবে কাজ করার কথা বলছেন বিশ্লেষকরা।

সাগরপথে মানবপাচার আর প্রাণহানিকে ঘিরে আবারও আলোচনায় কক্সবাজার।

বিভিন্ন সংস্থার পদক্ষেপের কারণে ২০১৪ সালের শেষদিক থেকে অনেকটাই বন্ধ ছিল সাগরপথে মানবপাচার। কিন্তু রোহিঙ্গা শরনার্থীদের ঘিরে ২০১৭ সালের পর আবারও সক্রিয় হয়ে উঠে দালালচক্র।

পুলিশের দেয়া তথ্যমতে, ২০১৭ সালের আগস্ট থেকে গত ১৫ ফেব্রুয়ারী পর্যন্ত কক্সবাজার উপকূলে মানবপাচারের ঘটনা ঘটে ২৮টি। যেখানে ৭১৩ রোহিঙ্গাকে উদ্ধারের পাশাপাশি গ্রেফতার করা হয় ৬৯ জনকে। আইনজীবীরা জানিয়েছেন, ২০১১ সাল থেকে কক্সাবাজারে মানবপাচার আইনে ৬৩৭টি মামলা হলেও তার একটির বিচারকাজও শেষ হয়নি।
 
কক্সবাজার জেলা আদালতের অতিরিক্ত পিপি অ্যাডভোকেট অরুপ বড়ুয়া অপু বলেন, কোন সাক্ষী বিজ্ঞ আদালতে এসে সাক্ষ প্রদান করছে না। যার কারনে বিজ্ঞ আদালত সেই মানব পাচারকারীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির ব্যবস্থা করতে পারছে না।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, মামলার বিচার না হওয়ার পাশাপাশি মানবপাচার প্রতিরোধে বিভিন্ন সময়ে নেয়া নানা উদ্যোগও বাস্তবায়ন হয়নি। ফলে আবারও সক্রিয় হওয়ার সুযোগ পেয়েছে দালালচক্র।

কক্সবাজার বাঁচাও আন্দোলনের সভাপতি আবু মোর্শেদ চৌধুরী বলেন, যখন দুর্ঘটনা হয় বা মানুষ ডুবে মারা যায় তখন আমরা তৎপর হয়ে যাই
তবে পুলিশ বলছে, মানবপাচারের সাথে জড়িত দালালচক্র শনাক্ত হয়েছে। এখন চেষ্টা চলছে তাদের ধরার।  

কক্সবাজার জেলা পুলিশ সুপার এবিএম মাসুদ হোসেন বলেন, যারা এখানে দালাল চক্র আছে আমরা সবগুলোকে সনাক্ত করেছি। আমরা অচিরেই সবাইকে আইনের আওতায় আনতে পারবো।

সমুদ্রপথে মালয়েশিয়া পাড়ি দিতে গিয়ে সবশেষ গত ১১ ফেব্রুয়ারী সেন্টমার্টিনের কাছে ট্রলার ডুবে মারা যায় অন্তত ২১ রোহিঙ্গা।

 

সংশ্লিষ্ট সংবাদ

সর্বশেষ সংবাদ

চট্টগ্রাম 24 খবর