channel 24

সর্বশেষ

  • চুক্তির বাইরে থাকা ক্রিকেটারদের আর্থিক সহায়তার করবে বিসিবি

  • পোশাক খাতে ২৪ ঘন্টায় ১৩ কোটি মার্কিন ডলারের ক্রয়াদেশ বাতিল

  • আজও নতুন করে কেউ করোনায় আক্রান্ত হয়নি; সুস্থ হয়েছেন ১৫ জন

  • শিবচরে লকডাউনের ১০ দিনে নতুন সংক্রমিত না হওয়ায় জনমনে স্বস্তি

  • ঠাকুরগাঁওয়ে একই পরিবারের ৫ জন আইসোলেশনে

  • বরিশাল মেডিকেলে করোনা ইউনিটে থাকা একজনের মৃত্যু

  • দেশে করোনা মোকাবিলায় নেই পর্যাপ্ত অবকাঠামো সুবিধা: বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা

  • ইতালিতে প্রাণহানি ছাড়ালো ১০ হাজার, সংক্রমণের শীর্ষে যুক্তরাষ্ট্র

  • করোনা প্রতিরোধে সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখার নির্দেশনা মানছেন না অনেকেই

  • রাস্তায় পড়ে থাকা ফিনল্যান্ডের নাগরিককে হাসপাতালে নিলো পুলিশ

  • করোনায় শুধু মানুষই নয় বিপাকে পশু-পাখিও

  • বিশ্বজুড়ে ৩০ হাজারের বেশি মানুষের প্রাণহানি

  • পর্যটকদের স্বর্গরাজ্যগুলো আজ জনমানবহীন

  • ক্রমেই অসহায় হয়ে উঠছে বিশ্ব

  • স্বাস্থ্যকর্মীদের সুরক্ষা সরঞ্জাম দিলো স্কয়ার ফার্মাসিউটিক্যালস

বান্দরবানে তামাকের বদলে আখ চাষে ঝুঁকছেন চাষীরা

বান্দরবানে তামাকের বদলে আখ চাষে ঝুঁকছেন চাষীরা

বান্দরবানে বির্স্তীণ আবাদী জমিতে এক সময় চাষ হতো ক্ষতিকর তামাকের। এতে স্বাস্থ্যের পাশাপাশি আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়তো চাষিরা। তবে বাংলাদেশ সুগার ক্রপ গবেষণা ইনস্টিটিউটের সহায়তায় এখন এসব জমিতে তামাকের বদলে চাষ হচ্ছে আখের। বিনামূল্যে বীজ, সার ও কীটনাশক পাওয়ার পাশাপাশি রোগবালাই কম হওয়ায় আখ চাষের প্রতি ঝুঁকছেন চাষীরা।

বান্দরবানের বিস্তীর্ণ পাহাড়ী এলাকায় এক সময় চাষ হতো তামাকের। তবে এখন বদলেছে দৃশ্যপট। আবাদ হচ্ছে আখের। জেলার হানসামাপাড়া, বাঘমারা, জামছড়ি, বালাঘাটাসহ  বিভিন্ন এলাকার জমিতে চাষ হচ্ছে সিও ২০৮, রংবিলাস ৪২, বিএসআরআই, অমৃতসহ নানা জাতের আখ। রোগ বালাই কম ও এ অঞ্চলের আবহাওয়া অনুকূল হওয়ায় ফলনও হচ্ছে ভাল।

২০০৬ সাল থেকে এ অঞ্চলে তামাকের বিকল্প হিসেবে আখ চাষ বাড়ানোর কাজ শুরু বাংলাদেশ সুগার রিসার্চ ইনষ্টিটিউট। প্রতিবছর বিনামূল্যে বিতরণ করে বীজ, সার, কীটনাশকসহ নানা কৃষি সরঞ্জাম। দেয়া হয় প্রশিক্ষণ। উৎপাদিত এ ফসল থেকে গুড় তৈরি করে বাড়ানো হচ্ছে আয়ের খাত।

ইনস্টিটিউটের তথ্য মতে, সাড়ে তিনশো থেকে চারশো তামাক চাষী উদ্ধুদ্ধ হয়েছে আখ চাষে। ফলে ২০১৮ সালে ৫৭০ হেক্টর জমিতে ৮৩ হাজার ৬শ ২২ মেট্রিক টন আখ উৎপাদন হয়। গেলো বছর ৬৩০ হেক্টর জমিতে উৎপাদন হয় ৮৭ হাজার মেট্রিক টন।

বান্দরবানে সাতটি উপজেলায় গুড়ের চাহিদা ৩২ মেট্রিক টন। কিন্তু বর্তমানে উৎপাদন হয় মাত্র ৭ থেকে ৮ মেট্রিক টন। ফলে আখ চাষে বিপুল সম্ভাবনার কথা জানান এই গবেষক।

সংশ্লিষ্ট সংবাদ

সর্বশেষ সংবাদ

চট্টগ্রাম 24 খবর