channel 24

সর্বশেষ

  • কুমিল্লার জিয়াপুর ও বিরামকান্দি গ্রাম লকডাউন

  • চীনের প্রেসিডেন্টকে ধন্যবাদ জানিয়ে প্রধানমন্ত্রীর চিঠি

  • করোনায় ভিন্ন আঙ্গিকে পালিত হচ্ছে পবিত্র শবে বরাত

  • জাতীয় অধ্যাপক ও ভাষা সৈনিক ড. সুফিয়া আহমেদ মারা গেছেন

  • বিশ্বজুড়ে ভারি হচ্ছে লাশের পাল্লা, প্রাণহানি ছাড়িয়েছে ৯০ হাজার

  • রোহিঙ্গা ক্যাম্পে করোনা সংক্রমণ রোধে বিশেষ ব্যবস্থা

  • শবে বরাতে ঘরে বসে ইবাদতের পরামর্শ, কবরস্থান-মাজারে যাওয়ায় নিষেধাজ্ঞা

  • দেশে প্রথমবারের মতো একদিনে আক্রান্ত শতাধিক

  • খাগড়াছড়িতে হামের প্রকোপ, আক্রান্ত ২ শতাধিক শিশু

  • অস্ট্রেলিয়া ক্রিকেট দলের বাংলাদেশ সফর স্থগিত

  • লকডাউনের পরও রাজধানীতে মানুষকে ঘরে রাখা যাচ্ছে না

  • ব্যক্তিগত-প্রাতিষ্ঠানিক ত্রাণের তালিকায় নেই শিশু খাদ্য

  • নারায়ণগঞ্জে ডিসি, সিভিল সার্জনসহ কয়েকজন শীর্ষ কর্মকর্তা হোম কোয়ারেন্টিনে

  • ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আশুগঞ্জে ৫ টাকায় সবজি বাজার

  • নাটোরের সিংড়ায় করোনা উপসর্গ নিয়ে গৃহবধূর মৃত্যু, পুরো গ্রাম লকডাউন

বাংলাদেশ থেকে চীনে পণ্য রপ্তানি হুমকির মুখে

বাংলাদেশ থেকে চীনে পণ্য রপ্তানি হুমকির মুখে

করোনাভাইরাসের কারণে কেবল আমদানি খাতই নয় বাংলাদেশ থেকে চীনে রপ্তানিও পড়েছে হুমকির মুখে। সংকট পুরোপুরি শুরুর আগে জাহাজীকরণের পর চীনের বন্দরে গিয়ে যেমন পড়ে আছে মালামাল তেমনি রফতানির জন্যও দেশে প্রস্তুত রয়েছে পর্যাপ্ত পণ্য। তাতে কবে নাগাদ দুর্দশা কাটবে তাই নিয়েই দুশ্চিন্তায় ব্যবসায়ীরা। ব্যবসায়ীরা বলছেন, সহসা পরিস্থিতি স্বাভাবিক না হলে অন্ধকার নেমে আসবে রপ্তানি খাতে।

রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরোর তথ্য অনুযায়ী, বাংলাদেশ থেকে চীনের বাজারে যায় প্রায় ৩শ ধরনের পণ্য। যা থেকে বছরে আয় হয় প্রায় ৫ কোটি ডলার।

তবে সাম্প্রতিক করোনা ভাইরাস ই্যসুতে চীন স্থবির হয়ে পড়ায় দেশটিতে বাংলাদেশের রপ্তানি মুখ থুবড়ে পড়েছে। ক্রয় আদেশ ছিল, ছিল পণ্য প্রস্তুতও। তবে তা যাচ্ছে না। আবার শিপমেন্ট হওয়া পণ্যও আটকে আছে বন্দরে। চীনে রপ্তানি পণ্যের তালিকায় অন্যতম প্রচলিত-অপ্রচলিত মাছ। বছরে যার পরিমাণ প্রায় ৮ হাজার টন।

চীনে মাছ রফতানিকারক সৌমেন্দু বসু বলেন, চায়না নিউ ইয়ারের ছুটির সাথে দেশে মাছ আহরণ আর প্রক্রিয়াকরণের সময় না মেলায় এক ধরনের সংকট তৈরি হয়েছে। তার ওপর করোনা ভাইরাসে নাজেহাল অবস্থা।

বাংলাদেশ ওমেজম এক্সপোর্টার অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি রমা কান্ত মজুমদার বলেন, পশুর নাড়ি-ভুঁড়ি বা ওমেজম রপ্তানি হয় কেবল চীনে। রপ্তানির পর পথে আটকে গেছে এ পণ্যটিও। আর দেশেও পড়ে আছে রপ্তানির অপেক্ষায়। এতে করে চরম দিশেহারা অবস্থা বিরাজ করছে।

সহসা করোনা ভাইরাস সংকট না কাটলে অনেক মূল্য দিতে হবে রপ্তানি খাতকে এমন মত সংশ্লিষ্টদের।

সংশ্লিষ্ট সংবাদ

সর্বশেষ সংবাদ

চট্টগ্রাম 24 খবর