channel 24

সর্বশেষ

  • করোনায় বিবর্ণ বৈশাখের রং, ক্ষতির মুখে ব্যবসায়ীরা

  • গ্রেপ্তার এড়াতে নিজেকে করোনায় আক্রান্ত বললো আসামি!

  • করোনায় ঘরবন্দি কোটি কোটি মানুষ, বাড়ছে পারিবারিক সহিংসতা

  • শিক্ষার্থীদের পড়াশোনার মধ্যে রাখতে বিকল্প পথ খোঁজার পরামর্শ

  • চট্টগ্রামে সরকারি চালের বস্তা পরিবর্তন করে কারসাজি

  • লিগ পূর্ণাঙ্গ না হলে ইপিএলে বিলিয়ন ডলার ক্ষতির শঙ্কা

  • করোনা সংক্রমণ রোধে মাঠে নেমেছে রংপুরের তরুণ সমাজ

  • পর্যটন নগরী কক্সবাজার লকডাউন

  • রাষ্ট্রপতির কাছে বঙ্গবন্ধুর খুনি মাজেদের প্রাণভিক্ষার আবেদন

  • ফুটবলারদের চুক্তি বৃদ্ধি ও গ্রীষ্মকালীন দলবদল স্থিতিশীল রাখার প্রস্তাব ফিফার

  • দুস্থ ও খেটে খাওয়া মানুষের পাশে দাঁড়াচ্ছেন অনেকেই

  • বঙ্গবন্ধুর খুনি মাজেদের গ্রেপ্তারে গোটা জাতি উল্লসিত: তোফায়েল

  • করোনায় বিপাকে পাবনার দুগ্ধ খামারীরা, নামমাত্র মূল্যে বিক্রি

  • করোনায় বদলে গেছে বাজার চিত্র, রমজান উপলক্ষ্যে চাপ নেই কেনাকাটায়

  • করোনায় অদ্ভুত আঁধারে বিশ্ব

মুক্ত জীবনের আশায় পালাতে গিয়ে অন্তিম যাত্রা

মুক্ত জীবনের আশায় পালাতে গিয়ে অন্তিম যাত্রা

ঝুঁকিপূর্ণ জেনেও ক্যাম্প ছেড়ে প্রতিনিয়ত সাগরপথে মালয়েশিয়াসহ বিভিন্ন দেশে যাচ্ছে রোহিঙ্গারা। এজন্য কক্সবাজার উপকূল আর ক্যাম্পগুলোতে সক্রিয়বহু দালালচক্র। যারা মাথাপিছু নিচ্ছে, ৫০ হাজার থেকে লাখ টাকা পর্যন্ত। বিশ্লেষকরা বলছেন, নিজ দেশে ফেরা নিয়ে অনিশ্চয়তা এবং ক্যাম্প জীবন ছেড়ে ভালো থাকার প্রলোভনেই তারা এই বিপদসংকুল পথে পা বাড়াচ্ছে।

প্রাণ হাতে নিয়ে সাগরযাত্রা। গত বেশ কয়েকবছর ধরেই কক্সবাজার উপকূল থেকে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে সাগরপথে মালয়েশিয়াসহ বিভিন্ন দেশে যাচ্ছে মানুষ। যার বেশিরভাগই রোহিঙ্গা।

ক্যাম্পের জীবন ছেড়ে ভাল থাকার আশায় এসব রোহিঙ্গা পাড়ি দিচ্ছে বিপদসংকুল সাগর। এজন্য দালালদের দিতে হয় মাথাপিছু ৫০ হাজার থেকে দুই লাখ টাকা পর্যন্ত। রোহিঙ্গাদের পাচারে ক্যাম্পগুলোতে সক্রিয় রয়েছে বহু দালালচক্র।

চবি'র রোহিঙ্গা বিষয়ক গবেষক ও শিক্ষক অধ্যাপক জাকির হোসেন বলেন, 'বেশ কিছু রোহিঙ্গা জাতীয় পরিচয়পত্র সংগ্রহ করেছে অবৈধভাবে। তারা চেষ্টা করেছে ভোটার তালিকায় তাদের নাম অন্তর্ভুক্ত করার জন্য। এসব চেষ্টা তাদের ব্যররথ হয়েছে। তারা দেখেছে এখানে তাদের সুন্দর জীবনের স্বপ্ন এখানে নেই।'

নিরাপত্তা বিশ্লেষক মেজর (অব.) এমদাদুল ইসলাম বলেন, 'এদেরকে কেউ না কেউ অর্গানাইজ করেছে। তাদের কাছ থেকে টাকা পয়সা সংগ্রহ করেছে। এই মানুষগুলোকে নিশ্চয়তা প্রদান করেছে যে আমি (দালাল) তোমাদের মালয়েশিয়ায় নিয়ে যাব। সে মানুষগুলো সেই বিশ্বাসের ওপর টাকা দিয়েছে। অর্থ আদান-প্রদান হয়েছে।'

শুধু কক্সবাজার উপকূলেই সাগরপথে লোক নেয়ার জন্য ব্যবহৃত হয় ১০টিরও বেশি পয়েন্ট। ২০১৪ সালে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কঠোর পদক্ষেপে ঝুঁকিপূর্ণ সাগরযাত্রা কমে গেলেও; অভিযোগ, সব অভিযান শিথিল হয়ে পড়ায় এখন আবার সক্রিয় দালালরা।

২০১৫ সালে তৈরি করা পুলিশের তালিকা অনুসারে কক্সবাজার ও চট্টগ্রামে মানবপাচারকারীর সংখ্যা ছিল তিনশোর বেশি।  আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলোর তথ্য অনুসারে, গত দশবছরে সাগরপথে গেছে দুই লাখের বেশি। আর দুই হাজারের বেশি মানুষ মারা গেছে সমুদ্রে ডুবে।

সংশ্লিষ্ট সংবাদ

সর্বশেষ সংবাদ

চট্টগ্রাম 24 খবর