channel 24

সর্বশেষ

  • ফেসবুকের বাংলাদেশ এজেন্ট ৯১ লাখ টাকা ভ্যাট জমা দিয়েছে

  • জাতীয় সংসদ ভবনের উন্নয়ন কার্যক্রমের উপস্থাপনা দেখেছেন প্রধানমন্ত্রী

  • কুয়েত মৈত্রী হাসপাতালের পরিচালক অবরুদ্ধ

  • অবস্থানকারীদের ছবি দেখে সৌদি ভিসা নাও দিতে পারে: পররাষ্ট্রমন্ত্রী

  • সৌদিতে ছুটি থাকায় সিদ্ধান্তের জন্য সোমবার পর্যন্ত অপেক্ষা: প্রবাসী কল্যাণ মন্ত্রী

  • রিজেন্ট কেলেঙ্কারি: সাহেদসহ ৫ জনের বিরুদ্ধে দুদকের মামলার অনুমোদন

  • ৪ থেকে ১৭ অক্টোবর জাতীয় ভিটামিন 'এ' প্লাস ক্যাম্পেইন

  • প্রেমের প্রস্তাবে রাজি না হওয়ায় কিশোরী হত্যা: আসামির সহযোগী আটক

  • চেন্নাই কিংসকে ১৬ রানে হারিয়েছে রাজস্থান রয়্যালস

  • আলাদা ম্যাচে রাতে মাঠে নামছে আর্সেনাল ও চেলসি

  • মৌসুমের প্রথম জয় পেলো ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড

  • পাবনায় লাউয়ের বাম্পার ফলন

  • দেশের তিন ব্যাংকে সন্দেহজনক ৮ লাখ ডলারের বেশি লেনদেন

  • পুঁজিবাজারের মার্জিন ঋণ সংক্রান্ত নীতিমালা পরিবর্তন

  • পেঁয়াজের পর এবার চালের বাজারে অস্বস্তি

যোগ্য শিক্ষকের অভাবে ব্যাহত হচ্ছে ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর শিশুদের পাঠদান

যোগ্য শিক্ষকের অভাবে ব্যাহত হচ্ছে ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর শিশুদের পাঠদান

২০১৭ সাল থেকে চাকমা, মারমা ও ত্রিপুরা জনগোষ্ঠীর শিশুদের হাতে মাতৃভাষার বই দেয়া হলেও পার্বত্য জেলা বান্দরবানে ব্যাহত হচ্ছে মাতৃভাষায় পাঠদানের কার্যকারিতা। পর্যাপ্ত ও প্রশিক্ষিত শিক্ষকের অভাবে মাতৃভাষার বইয়ের তেমন কোন উপকারই পাচ্ছেনা ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী শিশুরা। তবে আগামীতে পর্যাপ্ত শিক্ষক নিয়োগ ও শিক্ষকদের ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী ভাষার উপর আরো বেশী প্রশিক্ষন দেয়ার কথা বলছেন সংশ্লিষ্টরা।

২০১৭ সাল থেকে মাতৃভাষায় ছাপানো বই পাচ্ছে পার্বত্য চট্টগ্রামের চাকমা, মারমা ও ত্রিপুরা জনগোষ্ঠির শিশুরা। যা সরবরাহ করছে জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ড।

এবছরও বান্দরবানে প্রাক প্রাথমিক, প্রথম, দ্বিতীয় ও তৃতীয় শ্রেণির ১৪ হাজার ১২ জন শিশুকে দেয়া হয় মাতৃভাষার বই। মায়ের ভাষায় বর্ণমালার বই-খাতা পেয়ে দারুন উচ্ছসিত শিক্ষার্থীরা। তবে এসব বই শিশুরা হাতে পেলেও প্রশিক্ষিত পর্যাপ্ত শিক্ষক নেই স্কুলগুলোতে। তাতে ব্যাহত হচ্ছে মাতৃভাষায় পাঠদান কার্যক্রম।
                             
বান্দরবানের ভারপ্রাপ্ত জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মো. সিদ্দিকুর রহমান বলেন, পর্যাপ্ত শিক্ষক নিয়োগ আর ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী ভাষার উপর শিক্ষকদের আরো বেশী প্রশিক্ষনের ব্যবস্থা করা হবে।

পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রনালয়ের মন্ত্রী বীর বাহাদুর উশৈসিং বলেন, শিক্ষকরা যেহুতু এই ভাষার সাথে আগে থেকে পরিচিত না তাই প্রশিক্ষন নিয়ে শিক্ষার্থীদের শেখাতে কিছুটা সময় লাগছে। তবে যেসব সমস্যা রয়েছে তা শিগগিরই সমাধান করা হবে বলে জানান পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রনালয়ের মন্ত্রী।

চাকমা, মারমা, ত্রিপুরা ছাড়াও সামনে পর্যায়ক্রমে অন্য জনগোষ্ঠির ভাষায়ও পাঠ্যপুস্তক প্রণয়নের কথা বলছে সরকার।

সংশ্লিষ্ট সংবাদ

সর্বশেষ সংবাদ

চট্টগ্রাম 24 খবর