channel 24

সর্বশেষ

  • অমর একুশে ফেব্রুয়ারি উদযাপনে চলছে শেষ মুহূর্তের প্রস্তুতি

  • করোনা ভাইরাসে প্রাণহানি কিছুটা বেড়েছে, তবে কমেছে আক্রান্তের হার

  • 'বর্ণবাদের' অভিযোগ তিন সাংবাদিককে বহিষ্কার করলো চীন

  • ডাকঘর সঞ্চয়ের সুদহার পুনঃমূল্যায়নের চিন্তা করছে সরকার: অর্থমন্ত্রী

  • ঢাকার চারপাশে নদীপাড়ে ধর্মীয় স্থাপনা না ভেঙে সংস্কার করবে সরকার

  • ক্রসফায়ারের ভয় দেখিয়ে টাকা আদায়: ওসিসহ ৭ পুলিশ সদস্যের বিরুদ্ধে মামলা

  • চুড়িহাট্টায় আগুনে মারা যাওয়া ৩ জনের পরিচয় নিশ্চিত হওয়া যায়নি

  • পরীক্ষা হলে সাহায্য না করায় সহপাঠীকে ছুরিকাঘাত, আটক ১

  • তুরাগের ধৌড় এলাকায় বিআইডব্লিউটিএ'র উচ্ছেদ অভিযান

  • সার্ভেয়ারের বাসা থেকে ঘুষের ৯৩ লাখ টাকা উদ্ধার, আটক ১

  • শ্রদ্ধা-ভালোবাসায় তাপস পালকে শেষ বিদায়

  • বঙ্গোপসাগরে দুটি ট্রলারডুবে ৪ জনের মৃত্যু

  • এনামুল বাছিরের মহাপরিচালক পদে পদোন্নতির মামলা খারিজ

  • জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে ওয়ানডে অধিনায়ক মাশরাফী, এটাই শেষ: বিসিবি সভাপতি

  • সমুদ্রপথে মালয়েশিয়া যাবার প্রস্তুতিকালে ১৭ রোহিঙ্গা উদ্ধার

যোগ্য শিক্ষকের অভাবে ব্যাহত হচ্ছে ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর শিশুদের পাঠদান

যোগ্য শিক্ষকের অভাবে ব্যাহত হচ্ছে ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর শিশুদের পাঠদান

২০১৭ সাল থেকে চাকমা, মারমা ও ত্রিপুরা জনগোষ্ঠীর শিশুদের হাতে মাতৃভাষার বই দেয়া হলেও পার্বত্য জেলা বান্দরবানে ব্যাহত হচ্ছে মাতৃভাষায় পাঠদানের কার্যকারিতা। পর্যাপ্ত ও প্রশিক্ষিত শিক্ষকের অভাবে মাতৃভাষার বইয়ের তেমন কোন উপকারই পাচ্ছেনা ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী শিশুরা। তবে আগামীতে পর্যাপ্ত শিক্ষক নিয়োগ ও শিক্ষকদের ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী ভাষার উপর আরো বেশী প্রশিক্ষন দেয়ার কথা বলছেন সংশ্লিষ্টরা।

২০১৭ সাল থেকে মাতৃভাষায় ছাপানো বই পাচ্ছে পার্বত্য চট্টগ্রামের চাকমা, মারমা ও ত্রিপুরা জনগোষ্ঠির শিশুরা। যা সরবরাহ করছে জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ড।

এবছরও বান্দরবানে প্রাক প্রাথমিক, প্রথম, দ্বিতীয় ও তৃতীয় শ্রেণির ১৪ হাজার ১২ জন শিশুকে দেয়া হয় মাতৃভাষার বই। মায়ের ভাষায় বর্ণমালার বই-খাতা পেয়ে দারুন উচ্ছসিত শিক্ষার্থীরা। তবে এসব বই শিশুরা হাতে পেলেও প্রশিক্ষিত পর্যাপ্ত শিক্ষক নেই স্কুলগুলোতে। তাতে ব্যাহত হচ্ছে মাতৃভাষায় পাঠদান কার্যক্রম।
                             
বান্দরবানের ভারপ্রাপ্ত জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মো. সিদ্দিকুর রহমান বলেন, পর্যাপ্ত শিক্ষক নিয়োগ আর ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী ভাষার উপর শিক্ষকদের আরো বেশী প্রশিক্ষনের ব্যবস্থা করা হবে।

পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রনালয়ের মন্ত্রী বীর বাহাদুর উশৈসিং বলেন, শিক্ষকরা যেহুতু এই ভাষার সাথে আগে থেকে পরিচিত না তাই প্রশিক্ষন নিয়ে শিক্ষার্থীদের শেখাতে কিছুটা সময় লাগছে। তবে যেসব সমস্যা রয়েছে তা শিগগিরই সমাধান করা হবে বলে জানান পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রনালয়ের মন্ত্রী।

চাকমা, মারমা, ত্রিপুরা ছাড়াও সামনে পর্যায়ক্রমে অন্য জনগোষ্ঠির ভাষায়ও পাঠ্যপুস্তক প্রণয়নের কথা বলছে সরকার।

সংশ্লিষ্ট সংবাদ

সর্বশেষ সংবাদ

চট্টগ্রাম 24 খবর