channel 24

সর্বশেষ

  • পণ্টনে নব্য জেএমবির সিলেট সেক্টর কমান্ডারসহ আটক ৫

  • গেল অর্থবছরে জিডিপি প্রবৃদ্ধি নিয়ে অর্থমন্ত্রীর সন্তোষ প্রকাশ

  • বছরের দ্বিতীয় প্রান্তিকে বিপুল কর্মসংস্থান কমেছে যুক্তরাজ্যে

  • বাজে ভাষার জেরে জরিমানার মুখে স্টুয়ার্ট ব্রড

  • সাকিবের শ্রীলঙ্কা সফরে থাকা নিয়ে মিশ্র প্রতিক্রিয়া

  • ফুটবল ফেডারেশনের আলোচিত নির্বাচন ৩ অক্টোবর

  • 'সিনহাকে গুলি করা ব্যক্তিরা ছিলেন সিভিল পোশাকে'

  • অ্যাজমা ও ব্রংকাইটিস প্রতিরোধ করে চুইঝাল

  • ঝিনাইদহে বেড়েছে প্লাস্টিকের তৈরী ওয়ান টাইম প্লেট ও গ্লাসের ব্যবহার

  • কুড়িয়ানার শত বছরের ভাসমান পেয়ারার হাট

  • যশোরে কাভার্ডভ্যান চাপায় মোটরসাইকেল আরোহী দুই যুবক নিহত

  • ইয়াবাসহ আটক ৪ জনকে ঘুষ দিয়ে ছাড়াতে এসে যুবলীগ নেতাসহ আটক ২

  • করোনার ভ্যাকসিন আবিস্কার হলে বাংলাদেশও পাবে: ডা. খুরশীদ আলম

  • গোপালগঞ্জে সন্ত্রাসী হামলায় যুবলীগ নেতা নিহত

  • সিনহা হত্যা: পুলিশের মামলার ৩ সাক্ষীকে গ্রেপ্তার করেছে র‍্যাব

কক্সবাজারে বেশিরভাগ হোটেল-মোটেলেই নেই বর্জ্য ব্যবস্থাপনা

কক্সবাজারে বেশিরভাগ হোটেল-মোটেলেই নেই বর্জ্য ব্যবস্থাপনা

আইন অনুযায়ী বাধ্যতামূলক হলেও; পর্যটন নগরী কক্সবাজারে গড়ে ওঠা চার শতাধিক হোটেল মোটেল ও রিসোর্টের বেশিরভাগেরই নেই স্যুয়ারেজ ট্রিটমেন্ট প্ল্যান্ট বা এসটিপি। এতে হাজার হাজার টন বর্জ্য পড়ছে সাগরে। বিষিয়ে উঠছে পরিবেশ। এতদিন এসটিপি না করলেও এখন হোটেল মালিকদের দাবি কেন্দ্রীয় প্ল্যান্ট নির্মাণের।

কোন নিয়ন্ত্রন নেই। তাই কক্সবাজারে একের পর এক গড়ে উঠেছে হোটেল মোটেল ও রিসোর্ট। যার বেশীরভাগই সৈকতের গা-ঘেষে।

কক্সবাজারে বছরে পর্যটকের সমাগম হয় প্রায় দশ লাখ। যার অন্তত ৬ লাখই ভিড় জমান পর্যটন মৌসুমে। সেসময় এখানকার চার শতাধিক হোটেলে-মোটেল ও রিসোর্টে তৈরী হয় শত শত টন তরল বর্জ্য। কোন পরিশোধন ছাড়াই খাল নালা হয়ে এসব বর্জ্য পড়ে সাগরে। নষ্ট হয় পরিবেশ।

কক্সবাজার ইয়েজ প্রধান নির্বাহী ইব্রাহিম খলিল মামুন বলেন, বর্জ্যগুলো আমাদের পাশে বঙ্গোপসাগরের পানিতে পড়ে যাচ্ছে এবং পাশে বাঁকখালী নদীতে ফেলা হচ্ছে। যার কারনে বঙ্গোপসাগর এবং বাঁকখালী নদীর পানি দূষিত হচ্ছে।

কক্সবাজার বন ও পরিবেশ সংরক্ষন পরিষদের সভাপতি দীপক শর্মা দীপু বলেন, নিজস্ব নিয়ন্ত্রনে একটি বর্জ্যব্যবস্থাপনা প্লান্ট তৈরি করা প্রয়োজন। এবয় যে স ব ছোট ছোট হোটেল রয়েছে সেগুলোতে কেন্দ্রীয়ভাবে সুয়ারেজ প্লান্ট প্রয়োজন।
 
হোটেল সংশ্লিষ্টরা বলছেন, আগে কোন নির্দেশনা না থাকায় বরাদ্দ পাওয়া প্লটের পুরোটাতেই স্থাপনা তৈরী হয়ে গেছে। তাই এখন কেন্দ্রিয়ভাবে বর্জ্য শোধনাগার বা এসটিপি করার দাবি তাদের।

লংক বিচের ব্যবস্থাপক মোহাম্মদ তারেক বলেন, এসটিপির বিষয়টা নিয়ে সবার সাথে বসে একটা পরিকল্পিত প্লান্ট তৈরি করে সুন্দর একটা পরিবেশ তৈরি  করতে পারি তাহলে এটা ভবিষ্যতের জন্য কাজে আসবে।

দি কক্স টুডের ব্যবস্থাপক আবু তালেব শাহ বলেন, সেন্ট্রালাইজড একটা সুয়ারেজ প্লান্ট তৈরি করা গেলে এখন যে সমস্যাটা হচ্ছে এটা ভালভাবে সমাধান দেওয়া সম্ভব।

কক্সবাজার জেলা প্রশাসক মো. কামাল হোসেন জানান, পৌরসভা ও জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে কেন্দ্রিয়ভাবে এসটিপি করার কাজ শুরু হয়েছে। তবে, যারা এই প্ল্যান্ট করেননি তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হবে। বলেন, যারা এ ধরনের কোন প্লান্ট না রেখে নিজস্ব ডিজাইনের মধ্যে যারা ব্যবসা করছে নিশ্চয় তাদের আইনের আওতায় আনা উচিত।

দীর্ঘদিনের দাবির পরও এতদিন এ বিষয়ে কার্যকর উদ্যোগ না থাকায় সোমবার পরিবেশ ছাড়পত্র ও স্যুয়ারেজ ব্যবস্থাহীন স্থাপনার বিরুদ্ধে রুল জারি করেছেন হাইকোর্ট। তাই এখন শক্ত পদক্ষেপ নেয়া হবে, এমন আশা করছেন পরিবেশবাদীরা।

সংশ্লিষ্ট সংবাদ

সর্বশেষ সংবাদ

চট্টগ্রাম 24 খবর