channel 24

সর্বশেষ

  • আজ থেকে খোলাবাজারে চলছে টিসিবির পণ্য বিক্রি

  • স্বর্ণ আমদানি নিয়ে চাঞ্চল্যকর তথ্য

  • ৮৭ দিন পরে সীমিত পরিসরে চালু রাইড শেয়ারিং সার্ভিস

  • করোনায় অসহায় জীবন কাটাচ্ছেন দেশে ফেরা প্রবাসী কর্মীরা

  • বিদেশি শিক্ষার্থীদের যুক্তরাষ্ট্র ছাড়ার সিদ্ধান্তে বিপাকে লাখো শিক্ষার্থী

  • ফেসবুক কথোপকথনে ভরসা করে প্রায় আট লাখ টাকা খোয়ালেন ষাটোর্ধ্ব ব্যক্তি

  • করোনায় বিশ্বে আক্রান্ত এক কোটি ২৬ লাখ ৮৩ হাজারের বেশি

  • শেষ পর্যন্ত জনসম্মুখে মাস্ক পরলেন ট্রাম্প

  • উত্তরাঞ্চলে পানিবন্দি লাখো মানুষ

  • পাহাড়ি ঢলে তলিয়ে গেছে সুনামগঞ্জ

  • করোনায় আক্রান্ত অমিতাভ বচ্চন

  • পাপুলকাণ্ডে গ্রেপ্তার কুয়েতের সেনা কর্মকর্তা

  • রিজেন্ট হাসপাতাল ও জেকেজি সম্পর্কে জানা ছিল না: স্বাস্থ্য অধিদপ্তর

  • রিজেন্ট চেয়ারম্যান সাহেদের পাসপোর্ট জব্দ

  • লাভের আশায় গরু পালন করে দাম নিয়ে দুশ্চিন্তায় খামারীরা

ভারতের পণ্য ট্রান্সশিপমেন্টে সড়ক ব্যবহারে কোনো মাশুল নির্ধারণ হয়নি

ভারতের পণ্য ট্রান্সশিপমেন্টে সড়ক ব্যবহারে কোনো মাশুল নির্ধারণ হয়নি

চট্টগ্রাম আর মোংলা বন্দর দিয়ে পরীক্ষামূলকভাবে ভারতের পণ্য ট্রান্সশিপমেন্ট শুরু হচ্ছে জানুয়ারিতে। এতে বন্দর দুটি তাদের নিজস্ব চার্জ পেলেও বাংলাদেশের সড়ক ব্যবহারে কোনো মাশুল নির্ধারণ হয়নি এখনও। বন্দর সংশ্লিষ্টরা বলছেন, অন্য দেশ থেকে আমদানি অথবা এক প্রদেশ থেকে অন্য প্রদেশে পণ্য প্রেরণে ভারতের যে ব্যয় হয় সে অনুযায়ী সড়কের মাশুল নির্ধারিত হওয়া প্রয়োজন। আবার বন্দর ও সড়কে সেবার মানের বিষয়েও খেয়াল রাখার কথা বলছেন কেউ কেউ।

বহুবছর ধরে নানা বিতর্ক আর পরীক্ষা-নীরিক্ষার পর চট্টগ্রাম আর মোংলা বন্দরের মাধ্যমে ভারত পরীক্ষামূলকভাবে ট্রান্সশিপমেন্ট পাচ্ছে জানুয়ারিতে। গত সপ্তাহে এমন সিদ্ধান্ত হয়েছে দুদেশের বৈঠকে।  

এই সুবিধার বড় অংশই হবে চট্টগ্রাম বন্দর ঘিরে। তাই এ নিয়ে চলছে বন্দরের প্রস্তুতিসহ নানা হিসাব-নিকাশ। টার্মিনাল অপারেটররা বলছেন, এই বন্দরের সক্ষমতা বেড়েছে। আছে প্রস্তুতিও। তবে ব্যবসায়ীদের মতে, বন্দর আর সড়ক দুটিকেই টেকসই সেবা নিশ্চিত করা না গেলে হোঁচট খাবে পুরো উদ্যোগ।   

চট্টগ্রাম বন্দর এখন বছরে গড়ে লাখ টন পণ্য হ্যান্ডলিং করে। ট্রান্সশিপমেন্ট শুরু হলে এ চাপ আরও বাড়বে। যা মোকাবেলায় বাড়তি প্রস্তুতির তাগিদ বন্দর ব্যবহারকারীদের।  

এদিকে, কথা উঠেছে বাংলাদেশের লাভক্ষতি নিয়েও। কেননা ইতিমধ্যে কেবল বন্দরের মাশুল পরিশোধের সিদ্ধান্ত হলেও বাংলাদেশের সড়ক ব্যবহার বাবদ ভারত কী দেবে তা নিয়ে হয়নি কূলকিনারা।

তবে সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন, সড়ক ব্যবহারের জন্য বাংলাদেশের পক্ষ থেকে টন প্রতি ২ টাকার বেশি আর কাস্টমসের পক্ষ থেকে প্রশাসনিক চার্জ প্রস্তাব করা হয়েছে।

সংশ্লিষ্ট সংবাদ

সর্বশেষ সংবাদ

চট্টগ্রাম 24 খবর