channel 24

সর্বশেষ

  • ডোপিংয়ে পৃষ্ঠপোষকতা: ৪ বছর আন্তর্জাতিক ক্রীড়ায় নিষিদ্ধ রাশিয়া...

  • অংশ নিতে পারবে না টোকিও অলিম্পিক ও কাতার বিশ্বকাপে

  • এসএ গেমস ক্রিকেটে শ্রীলঙ্কাকে ৭ উইকেটে হারিয়ে স্বর্ণ বাংলাদেশের

  • মানহীন সান্ধ্যকালীন কোর্সের কারণে বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে...

  • শিক্ষার পরিবেশ নষ্ট হচ্ছে: ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাবর্তনে রাষ্ট্রপতি

  • অর্থনৈতিক অঞ্চলে নারী উদ্যোক্তারা বিশেষ সুবিধা পাবেন: প্রধানমন্ত্রী

  • নেতৃত্বের দুর্বলতায় বিএনপি অস্তিত্ব সংকটে: ওবায়দুল কাদের

  • রাজনীতিতে আওয়ামী লীগের জায়গা নেই: মির্জা ফখরুল

  • ঝিনাইদহের মহেশপুর সীমান্ত দিয়ে অবৈধভাবে প্রবেশের সময়...

  • এক ভারতীয় নাগরিক ও ১২ বাংলাদেশি আটক

  • এসএ গেমস: ক্রিকেট: ফাইনালে শ্রীলঙ্কার দেয়া ১২৩ রানের টার্গেটে...

  • ব্যাট করছে বাংলাদেশ; স্কোর: শ্রীলঙ্কা ১২২ (হাসান মাহমুদ ৩/২০)

  • এসএ গেমস আর্চারিতে দশ স্বর্ণের সবকটি জিতলো বাংলাদেশ

  • একুশে পদকপ্রাপ্ত পদার্থবিজ্ঞানী অধ্যাপক অজয় রায় মারা গেছেন...

  • সর্বস্তরের শ্রদ্ধা জানাতে কাল সকালে নেয়া হবে শহীদ মিনারে...

  • মরদেহ দান করা হয়েছে বারডেম হাসপাতালকে

আধিপত্য বিস্তার নিয়ে রক্তে রঞ্জিত হচ্ছে সবুজ পাহাড়

আধিপত্য বিস্তার নিয়ে রক্তে রঞ্জিত হচ্ছে সবুজ পাহাড়

শান্তিচুক্তি স্বাক্ষরের প্রায় ২ যুগেও শান্তি প্রতিষ্ঠিত হয়নি পাহাড়ে। ফলে পাহাড়ি-বাঙালিদের মাঝে ফিরেনি আস্থা। বরং বেড়েছে সংঘাত। স্থানীয়দের কারো কারো মতে, চুক্তি বাস্তবায়নে সদিচ্ছার ঘাটতি আর সাম্প্রদায়িক রাজনীতির কারণে দূর হচ্ছে না সংকট। আর সাধারণের মতে, আধিপত্য বিস্তারেই সবুজ পাহাড় হচ্ছে রক্তে রঞ্জিত।

দীর্ঘ ২ যুগের সংঘাতের অবসান দরকার। তাই ১৯৯৭ সালের ২ ডিসেম্বর সাক্ষরিত হয় পার্বত্য শান্তিচুক্তি। বহুল আলোচিত এই চুক্তির পর অনেক কিছুই বদলেছে পাহাড়ে। কিন্তু দুই দশক পর এসেও বিশ্লেষণ আর হিসাব নিকাশ চলছে, আসলে কতটা শান্তির জনপদ হতে পেরেছে খাগড়াছড়ি, রাঙ্গামাটি আর বান্দরবান?

তবে মানুষ শান্তি চাইলেও বাস্তবে তেমন পরিস্থিতি নেই পাহাড়ে। কেননা চুক্তির আগে-পরে সবপক্ষই রক্তপাতে না জড়ানোর কথা বললেও বাস্তবে এই ২২ বছরে সংঘাতে ঝড়ে গেছে তাজা প্রাণ। মেটেনি ভূমির বিরোধ। কাটেনি মানুষের আস্থার সংকট।

পার্বত্য চট্টগ্রাম জুম্ম শরণার্থী কল্যাণ সমিতির সাধারণ সম্পাদক সন্তোষিত চাকমা বকুল বলেন, শান্তিচুক্তি স্বাক্ষরের প্রায় ২ যুগেও শান্তি প্রতিষ্ঠিত হয়নি পাহাড়ে। চুক্তি করা হয়েছে সেই সাথে দেয়া হয়েছে নানা প্রতিশ্রুতি। তবে কোনটিই কার্যকর হয়নি।

খাগড়াছড়ির সমাজকর্মী  মোহাম্মদ রফিক বলেন, শান্তিচুক্তি বাস্তবায়নে বর্তমান সরকারের অনেক বেশী আন্তরিক হতে হবে।

খাগড়াছড়ি প্রেস ক্লাবের সভাপতি জীতেন বড়ুয়া বলেন, শান্তিচুক্তি কতখানি বাস্তবায়ন হয়েছে তার প্রকৃত চিত্র তুলে ধরা উভয় পক্ষেরই দায়িত্ব।

হিসাব করছেন রাজনীতিবিদরাও। যাতে এখনও দূরত্ব কমেনি চুক্তির বড় দুই পক্ষ ক্ষমতাসীন দল আর জনসংহতি সমিতির। উঠছে, পাহাড়ে সাম্প্রদায়িক রাজনীতির উত্থানের কথাও।

রাঙামাটি জেলা বিএনপির সহসভাপতি সাইফুল ইসলাম চৌধুরী বলেন, যারা শান্তির জন্য কাজ করছে তারাই মূলত অশান্তির মধ্যে আছে।

রাঙামাটি জেলা আওয়ামী লীগ সভাপতি দীপংকর তালুকদার বলেন, বর্তমান সরকারের অসাম্প্রদায়িক নীতি পূর্ণরুপে বাস্তবায়িত হলে শান্তিচুক্তির বাস্তবায়নে ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে।

পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতির সিনিয়র সহসভাপতি ঊষাতন তালুকদার বলেন, পার্বত্য অঞ্চলের আঞ্চলিক দলগুলির সাথে সরকার এবং অন্যান্য রাজনৈতিক দলগুলির যদি সুসম্পর্ক বজায় থাকে তবে শান্তি চুক্তি বাস্তবায়ন প্রক্রিয়া অনেক খানি সহজ হবে।

শুধুমাত্র সংঘাতের কারণে বিপুল সম্ভাবনা থাকা সত্বেও পাহাড়ে পর্যটন খাতের বিকাশ আর উন্নয়নের সুফল পুরোপুরি দৃশ্যমান হচ্ছেনা বলেও মত স্থানীয় পর্যবেক্ষদের। 

সংশ্লিষ্ট সংবাদ

সর্বশেষ সংবাদ

চট্টগ্রাম 24 খবর