channel 24

সর্বশেষ

  • ফের উত্তপ্ত নির্বাচন কমিশন, কর্তৃত্ব নিয়ে সিইসি-কমিশনারদের বাকবিতণ্ডা

  • পাকিস্তানে ফিরলো টেস্ট ক্রিকেট

  • চ্যাম্পিয়ন্স লিগ: রাতে মুখোমুখি বায়ার্ন মিউনিখ-টটেনহ্যাম

  • আইসিজেতে মামলার এখতিয়ার নেই গাম্বিয়ার: মিয়ানমারের আইনজীবী

  • রাজ্যসভায়ও নাগরিকত্ব বিল পাশ; অগ্নিগর্ভ আসাম-ত্রিপুরায় সেনা মোতায়েন

  • বিজয়ীর বেশে দেশে ফিরলো দশ স্বর্ণজয়ী আর্চারি দল

  • খালেদা জিয়ার স্বাস্থ্য রিপোর্ট সুপ্রিম কোর্টে জমা; জামিন শুনানি কাল

  • গরু ছাগল চিনলেই চালক, দায়িত্বশীলদের কথা এমন হতে পারে না: হাইকোর্ট

  • আখাউড়া সীমান্তে নারী ও শিশুসহ ৯ রোহিঙ্গা আটক

  • বনানীতে মাটি চাপা অবস্থায় চীনা নাগরিকের মরদেহ উদ্ধার

  • চট্টগ্রাম-৮ আসনের উপ-নির্বাচনে বিএনপি প্রার্থীর মনোনয়নপত্র জমা

  • কেরানীগঞ্জে অগ্নিদগ্ধ ৩৩ জন ঢাকা মেডিকেলে ভর্তি, কয়েকজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক

  • খালেদা জিয়ার জামিন শুনানি ঘিরে আদালত প্রাঙ্গণে নিরাপত্তা জোরদার

  • ইলিয়াস কাঞ্চনের বিরুদ্ধে শ্রমিকদের আন্দোলন নোংরামি: হাইকোর্ট

  • শারীরিক প্রতিবন্ধকতা দমাতে পারেনি দুই ভাই-বোনকে

নদী দখলদার যখন প্রার্থী!

নদী দখলদার যখন প্রার্থী!

কক্সবাজারের মহেশখালী উপজেলার শাপলাপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আবদুল খালেক। একসময়ের আলোচিত বিএনপি নেতা। নদী দখলদার হিসেবে সরকারের বিভিন্ন তালিকায়ও রয়েছে তার নাম। তবে এই ব্যক্তিই এখন আওয়ামী লীগের মনোনয়ন নিয়ে আবারো প্রার্থী হয়েছেন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে। যা নিয়ে চলছে আলোচনা সমালোচনা।

এটি কক্সবাজার শহরের বাঁকখালী নদীর মোহনা। যার বিশাল অংশ দখল করে রেখেছেন মহেশখালীর শাপলাপুর ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান আবদুল খালেক। জেলা প্রশাসন, বিআইডব্লিউটিএ এবং নদী কমিশন-সবারই তালিকায় রয়েছে তার নাম।

উচ্চআদালতের নির্দেশনা রয়েছে নদী দখলদাররা নির্বাচনে অংশ নিতে পারবেন না। অথচ আবদুল খালেক আবারও নির্বাচনে অংশ নিচ্ছেন। এমনকি বৈধ হয়েছে তার মনোনয়নপত্রও। এতে হতবাক পরিবেশ সংগঠকরা।

কক্সবাজার বন ও পরিবেশ সংরক্ষণ পরিষদের সভাপতি দীপক শর্মা দীপু বলেন, নৌপরিবহনের অধিদপ্তরের যে তালিকা হচ্ছে সেই তালিকায় তার নাম রয়েছে, উপকূলীয় বন বিভাগের যে তালিকা রয়েছে সেখানেও তার নাম রয়েছে। সর্বশেষ জেলা প্রশাসনের তালিকায় তার নাম দুইবার রয়েছে। এরপরও সে কিভাবে নির্বাচন করছে এটা আমাদের কাছে প্রশ্ন দেখা দিয়েছে। আমরা তার প্রার্থীতা বাতিল চাই।

আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীরাই অভিযোগ করেছেন, খালেক এক সময় বিএনপি করলেও পড়ে ভিড়ে গেছেন আওয়ামী লীগে। এমনকি আসন্ন ইউপি নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে দলের মনোনয়নও ভাগিয়ে নিয়েছেন।  যাতে ভূমিকা রেখেছেন জেলা আওয়ামী লীগের এক শীর্ষনেতা।

এ বিষয়ে কথা বলেননি জেলা আওয়ামী লীগের শীর্ষ নেতারা। ক্যামেরার সামনে কথা বলতে রাজি হননি আবদুল খালেকও।

আগামী ১২ ডিসেম্বর অনুষ্ঠিত হবে মহেশখালীর শাপলাপুর ইউনিয়ন পরিষদের নির্বাচন।

 

সংশ্লিষ্ট সংবাদ

সর্বশেষ সংবাদ

চট্টগ্রাম 24 খবর