channel 24

সর্বশেষ

  • রিজেন্ট হাসপাতাল ও জেকেজি সম্পর্কে জানা ছিল না: স্বাস্থ্য অধিদপ্তর

  • রিজেন্ট চেয়ারম্যান সাহেদের পাসপোর্ট জব্দ

  • লাভের আশায় গরু পালন করে দাম নিয়ে দুশ্চিন্তায় খামারীরা

  • আগামী মাসে মাঠে গড়াচ্ছে ক্যারিবিয়ান প্রিমিয়ার লিগ

  • আবারও মনোবিদ আজহার আলীর ওপর আস্থা বিসিবির

  • আগস্টের প্রথম সপ্তাহ থেকে স্বাস্থ্যবিধি মেনে ফুটবল দলের আবাসিক ক্যাম্প

  • সাউদাম্পটন টেস্টে ৯৯ রানে পিছিয়ে ইংল্যান্ড

  • বিএফডিসিতে অসহায় শিল্পীদের সহায়তা করলেন অনন্ত-বর্ষা

  • সিলেটে বিষ খাইয়ে হত্যাচেষ্টা, মা-ছেলে কারাগারে

  • কুমিল্লায় ব্যবসায়ী আকতার হত্যার ঘটনায় মামলা

  • সাংবিধানিক কারণেই করোনার মধ্যে উপনির্বাচন: সিইসি

  • বানের জলে ডুবছে লোকালয়; সুরমা উপচে তলিয়েছে সুনামগঞ্জ শহর

  • এখনও অধরা রিজেন্ট কাণ্ডের নাটের গুরু সাহেদ

  • সাংবাদিকদের মাঝে করোনাকালীন সহায়তার চেক বিতরণ

  • অনলাইন থেকে গরু কিনলেন তিন মন্ত্রী

নদী দখলদার যখন প্রার্থী!

নদী দখলদার যখন প্রার্থী!

কক্সবাজারের মহেশখালী উপজেলার শাপলাপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আবদুল খালেক। একসময়ের আলোচিত বিএনপি নেতা। নদী দখলদার হিসেবে সরকারের বিভিন্ন তালিকায়ও রয়েছে তার নাম। তবে এই ব্যক্তিই এখন আওয়ামী লীগের মনোনয়ন নিয়ে আবারো প্রার্থী হয়েছেন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে। যা নিয়ে চলছে আলোচনা সমালোচনা।

এটি কক্সবাজার শহরের বাঁকখালী নদীর মোহনা। যার বিশাল অংশ দখল করে রেখেছেন মহেশখালীর শাপলাপুর ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান আবদুল খালেক। জেলা প্রশাসন, বিআইডব্লিউটিএ এবং নদী কমিশন-সবারই তালিকায় রয়েছে তার নাম।

উচ্চআদালতের নির্দেশনা রয়েছে নদী দখলদাররা নির্বাচনে অংশ নিতে পারবেন না। অথচ আবদুল খালেক আবারও নির্বাচনে অংশ নিচ্ছেন। এমনকি বৈধ হয়েছে তার মনোনয়নপত্রও। এতে হতবাক পরিবেশ সংগঠকরা।

কক্সবাজার বন ও পরিবেশ সংরক্ষণ পরিষদের সভাপতি দীপক শর্মা দীপু বলেন, নৌপরিবহনের অধিদপ্তরের যে তালিকা হচ্ছে সেই তালিকায় তার নাম রয়েছে, উপকূলীয় বন বিভাগের যে তালিকা রয়েছে সেখানেও তার নাম রয়েছে। সর্বশেষ জেলা প্রশাসনের তালিকায় তার নাম দুইবার রয়েছে। এরপরও সে কিভাবে নির্বাচন করছে এটা আমাদের কাছে প্রশ্ন দেখা দিয়েছে। আমরা তার প্রার্থীতা বাতিল চাই।

আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীরাই অভিযোগ করেছেন, খালেক এক সময় বিএনপি করলেও পড়ে ভিড়ে গেছেন আওয়ামী লীগে। এমনকি আসন্ন ইউপি নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে দলের মনোনয়নও ভাগিয়ে নিয়েছেন।  যাতে ভূমিকা রেখেছেন জেলা আওয়ামী লীগের এক শীর্ষনেতা।

এ বিষয়ে কথা বলেননি জেলা আওয়ামী লীগের শীর্ষ নেতারা। ক্যামেরার সামনে কথা বলতে রাজি হননি আবদুল খালেকও।

আগামী ১২ ডিসেম্বর অনুষ্ঠিত হবে মহেশখালীর শাপলাপুর ইউনিয়ন পরিষদের নির্বাচন।

 

সংশ্লিষ্ট সংবাদ

সর্বশেষ সংবাদ

চট্টগ্রাম 24 খবর