channel 24

সর্বশেষ

  • সংঘাত নয়, রোহিঙ্গাদের ফেরাতে আলোচনা চলছে: প্রধানমন্ত্রী

  • মিয়ানমারে রোহিঙ্গাদের ওপর নিপীড়ন আধুনিক সময়ের গণহত্যা...

  • নেদারল্যান্ডসের আন্তর্জাতিক আদালতে মামলার শুনানিতে গাম্বিয়া...

  • রোহিঙ্গা নির্যাতনের বিষয়ে মিয়ানমারের বক্তব্য মিথ্যা...

  • মিয়ানমারে রোহিঙ্গা গণহত্যা এখনও চলছে, রোধে ব্যবস্থা নিতে হবে

  • প্রধানমন্ত্রীকে হত্যার হুমকি: তারেক রহমান ও মির্জা ফখরুলসহ...

  • বিএনপির ১২ নেতার বিরুদ্ধে ফের মামলা

পেঁয়াজ আমদানির পর ৩-৫ বার হাত বদল, দাম বাড়ছে কয়েক গুণ

পেঁয়াজ আমদানির পর ৩-৫ বার হাত বদল, দাম বাড়ছে কয়েক গুণ

আমদানি পর্যায়ে যথাযথ তদারকি বা নজরদারি না থাকায় নিয়ন্ত্রণ করা যাচ্ছে না পেঁয়াজের বাজার। তাছাড়া আমদানির পর তিন থেকে পাঁচ স্তরে মধ্যস্বত্বভোগীর হাত ঘুরে ভোক্তার কাছে পৌঁছাতেই দাম বেড়ে যায় কয়েকগুণ। যারা সুযোগ নিচ্ছে সংকটের। পেঁয়াজের অস্বাভাবিক দামের পেছনে এসব বিষয়কে মূল কারণ বলছেন সংশ্লিষ্টরা। টেকনাফসহ বন্দরগুলোর আমদানি তথ্য পর্যালোচনা করে দাম নির্ধারণ করা হলে কারসাজি বন্ধ হবে বলেও মত তাদের।

দামের অস্বাভাবিক উত্থান পতনে টালমাটাল দেশের পেঁয়াজের বাজার। দেড়মাসেরও বেশী সময় ধরে উর্ধমুখি দামের রাশ টানা যাচ্ছেনা কোনভাবে।

বাজার সংশ্লিষ্টরা বলেছেন, বর্তমানে চাহিদার তুলনায় পেঁয়াজের সরবরাহ কম হলেও শুধুমাত্র এই কারণে দাম দুশো টাকা পার হওয়ার কোন যুক্তি নেই। কেননা, আমদানীমূল্য পড়ছে গড়ে কেজিপ্রতি ৫৫ থেকে ৬৫ টাকা।

অনুসন্ধান থেকে জানা যায়, আমদানীর পর তিন থেকে পাঁচহাত ঘুরে পেয়াঁজ যাচ্ছে ভোক্তার কাছে। যার প্রতিটি ধাপে দাম বাড়ছে দশ থেকে পনের টাকা করে। অথচ, পাইকার, আড়তদার ছাড়া মাঝখানের অনেকধাপই থেকে গেছে নজরদারির বাইরে। ফলে, আমদানিকারক থেকে কমিশন এজেন্ট পর্যন্ত কারসাজি হচ্ছে বেশি।

ভারত থেকে রপ্তানি বন্ধের পর সবচেয়ে বেশি পেঁয়াজ এসেছে মিয়ানমার থেকে টেকনাফ স্থলবন্দর হয়ে। কিন্তু সেখানেও তেমন হাত পড়েনি প্রশাসনের। তাই, চাক্তাই খাতুনগঞ্জ আড়তদার ব্যবসায়ী সমিতি সভাপতি জাহাঙ্গীর আলম বলেছেন, টেকনাফ বা চট্টগ্রাম বন্দরে আমদানীর নথি দেখে দাম বেধে দিলে কমতে পারে কারসাজি।

চট্টগ্রাম ও কক্সবাজারে পেঁয়াজের আমদানিকারক আছে ৫০ থেকে ৬০ জন। আর খাতুনগঞ্জকেন্দ্রিক আড়তদারের সংখ্যা দেড়শতাধিক।

সংশ্লিষ্ট সংবাদ

সর্বশেষ সংবাদ

চট্টগ্রাম 24 খবর