channel 24

সর্বশেষ

  • 'বন্দুকযুদ্ধে' নিহত ভারতের গ্যাংস্টার বিকাশ দুবে

  • করোনার চেয়ে বেশি মানুষ মারা যেতে পারে অনাহারে: অক্সফামের সতর্কতা

  • রংপুরে ৯৩ হাজার হতদরিদ্র পরিবার পায়নি প্রধানমন্ত্রীর ঈদ উপহার

  • করোনাকালে স্বাস্থ্যখাতের সবচেয়ে বড় দুর্নীতি রিজেন্ট কাণ্ড

  • বাংলাদেশসহ ১৩ দেশের ওপর ইতালির নতুন নিষেধাজ্ঞা

  • নেপালে বন্ধ ভারতের সব টেলিভিশন চ্যানেলের সম্প্রচার

  • চট্টগ্রামে হাসপাতাল বিমুখ রোগীরা

  • দেশের বিভিন্ন স্থানে বজ্রপাতে বাবা-ছেলেসহ ৮ জনের মৃত্যু

  • কোয়ারেন্টিনে ইতালি ফেরত ১৪৭ বাংলাদেশি, রাখা হয়েছে হজ ক্যাম্পে

  • করোনায় মারা গেছেন সাহেদের বাবা

  • সাহারা খাতুন মারা গেছেন

  • পশ্চিমবঙ্গের ক্যান্টনমেন্টে কড়া লকডাউন শুরু

  • ভেঙে ফেলা হচ্ছে স্মৃতি বিজড়িত এফডিসির ৩ ও ৪ নম্বর ফ্লোর

  • ইংল্যান্ডের সাথে টেস্ট সিরিজ বাতিল করতে যাচ্ছে বিসিসিআই

  • বাতিল হচ্ছে ভারত-ইংল্যান্ড ৫ ম্যাচের টেস্ট সিরিজ

২০২৩ সালের মধ্যে সব জাহাজ ভাঙা ইয়ার্ডকে গ্রিন ইয়ার্ডে পরিণত করতে হবে

২০২৩ সালের মধ্যে সব জাহাজ ভাঙা ইয়ার্ডকে গ্রিন ইয়ার্ডে পরিণত করতে হবে

২০২৩ সালের মধ্যে দেশের সব জাহাজ ভাঙা ইয়ার্ডকে গ্রিন ইয়ার্ডে পরিণত করার বাধ্যবাধকতা রয়েছে। তবে বাস্তবতা হলো, এখন পর্যন্ত শুধু একটি প্রতিষ্ঠান পেয়েছে এই স্বীকৃতি। অর্ধশত প্রতিষ্ঠান এ প্রক্রিয়ার মধ্যে থাকলেও অনেকেই এখনো পিছিয়ে। ফলে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে গ্রিন হতে না পেরে ব্যবসা হারানোর আশংকা দেখা দিয়েছে এসব প্রতিষ্ঠানের।

অনেকদিন ধরেই জাহাজ ভাঙা শিল্পে শ্রমিকবান্ধব আর দূষণমুক্ত পরিবেশ নিশ্চিতের দাবি জানিয়ে আসছে বিভিন্ন মহল। ২০০৯ সালে আইএমওর হংকং কনভেনশনেও জোর দেয়া হয় গ্রিন শিপ-রিসাইক্লিং ইন্ডাস্ট্রি গড়ে তোলার ওপর।

সেই কনভেনশনের আলোকে গেল বছর একটি বিধি তৈরি করে সরকার। যেখানে ২০২৩ সালের মধ্যে দেশের সব জাহাজভাঙার ইয়ার্ডকে গ্রিন ইয়ার্ডে পরিণত করার বাধ্যবাধকতা রয়েছে। তাতে এখন পর্যন্ত মাত্র একটি প্রতিষ্ঠান গ্রিন ইয়ার্ডের স্বীকৃতি পেয়েছে। অপেক্ষায় আছে আরো ৫ টি। আর স্বীকৃতির জন্য আবেদন করেছে প্রায় অর্ধশত।
 
শিল্পমন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব একে এম শামসুল আরেফীন বলেন, ৫২টা ইয়ার্ড আমাদের এসআরএফপি শিপ রিসাইক্লিনিং ফ্যাসিলিটিজ প্ল্যান এটা আমাদের কাছে সাবমিট করেছে। এটা আমরা পরীক্ষা-নিরীক্ষা করছি, আমরা ওদেরকে একটা মাস্টার প্লান দিচ্ছি যে, তোমরা তোমাদের পরিকল্পনা দিয়েছে ওটার আলোকে কখন কি কাজ করবা, মাস্টার প্লান কমপ্লানসটা আমাদের দিয়ে আস্তে আস্তে ৩ বছরের মধ্য আমরা গ্রিন ইয়ার্ডে পরিনত হতে পারবো।

আন্তর্জাতিক আইন অনুযায়ী, গ্রিন শিপ রিসাইক্লিংয়ে সংশ্লিষ্ট সব পক্ষেরই কিছু দায়িত্ব থেকে যায়। এক্ষেত্রে সফল এই উদ্যোক্তার মতে, সদিচ্ছা থাকলে সবই সম্ভব।

পিএইচপি ফ্যামিলির পরিচালক জহিরুল ইসলাম বলেন, আমরা প্রুফ করতে পেরেছি যে গ্রিন রিসাইক্লিনিং ইজ ভায়েবল, ফিজিবল এবং গ্রিন রিসাইক্লিনিং দুর্ঘটনা থেকে আমাদের ওর্য়াকারদের নিয়মিত সুরক্ষা দিতে পেরেছি, এবং পরিবেশকে সুরক্ষা দিতে পেরেছি।

তবে শিল্পমন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব একে এম শামসুল আরেফীন বলছেন, নির্ধারিত সময়ে গ্রিন না হওয়া শিপ রিসাইক্লিং ইয়ার্ডগুলোর জন্য অপেক্ষা করছে অশনি সংকেত।

চট্টগ্রামের সীতাকুন্ড উপকূলে দেশের একমাত্র জাহাজ ভাঙা এলাকায় ইয়ার্ডের সংখ্যা প্রায় ৮০। যেখান থেকে দেশের মোট ইষ্পাতের কাঁচামালের চাহিদা মেটানো হয় ৭০ শতাংশের বেশি।

 

সংশ্লিষ্ট সংবাদ

সর্বশেষ সংবাদ

চট্টগ্রাম 24 খবর