channel 24

সর্বশেষ

  • নোয়াবের সভাপতি নির্বাচিত হওয়ায় এ কে আজাদকে ফুলেল শুভেচ্ছা

  • চট্টগ্রামে রেলক্রসিংয়ে দুর্ঘটনার জন্য বাস চালক দায়ী: তদন্ত কমিটি

  • বিয়ের আগে যে বিষয়গুলো মাথায় রাখবেন

  • চাকরি দিচ্ছে বীরশ্রেষ্ঠ মুন্সী আব্দুর রউফ পাবলিক কলেজ

  • অ স্ত্র প্রতিযোগিতা নয়, শান্তিপূর্ণ বিশ্ব গড়তে সম্পদ ব্যবহার করুন: প্রধানমন্ত্রী

  • নির্বাচন নিয়ে সহিংসতা দিনের পর দিন চলতে পারে না: নির্বাচন কমিশনার

  • পেগাসাস স্পাইওয়্যারের কার্যক্রম বন্ধে হাইকোর্টের রুল

  • ভাইকে ফাঁসাতে গিয়ে নিজেই ফেঁসে গেল যুবক

  • স্বাস্থ্য সচিব-ডিজির বিরুদ্ধে আদালত অবমাননার রুল

  • নৌকার মনোনয়ন পাওয়ায় চেয়ারম্যানের ছেলের হাতবোমা বিস্ফোরণ করে উল্লাস

  • অর্থপাচারকারীদের পূর্ণাঙ্গ তালিকা তৈরিতে আইনের সংশোধন চায় দুদক

  • ঘূর্ণিঝড় ‘জাওয়াদ’: সমুদ্রবন্দরগুলোতে ৩ নম্বর সতর্ক সংকেত

  • পুলিশ হেফাজত থেকে পালাল রোহিঙ্গা কালাম

  • বিমানবন্দরে আটকে দেয়া হলো জ্যাকুলিনকে

  • দেশের অর্থনৈতিক চাকা সচল রাখতে অবদান রাখছে নাভানা গ্রুপ

গ্রাহক হয়রানি বন্ধে উদাসীন কেন্দ্রীয় ব্যাংক

গ্রাহক হয়রানি বন্ধে উদাসীন কেন্দ্রীয় ব্যাংক

ব্যাংকখাতের আকার বাড়ার সাথে সাথে বাড়ছে গ্রাহক হয়রানিও। কেন্দ্রীয় ব্যাংক কাগজ-কলমে গ্রাহক সুরক্ষার কথা বললেও বাস্তবে তা দেখা মেলা ভার। 

এই যেমন, জনতা ব্যাংক কর্মকর্তাদের খামখেয়ালিপনায় ২ যুগ আগের এক ঋনের দায়ে দিশেহারা অধ্যাপক খন্দকার তাবিন হাসান। সুদ, আসল সব শোধ করেও মিলছে না মুক্তি। তার মায়ের নামে জনতা ব্যাংক থেকে নেয়া ২০ লাখ টাকার ঋণের সবমিলিয়ে শোধ করেছেন ৬৬ লাখ টাকা। তবে ব্যাংক কর্তাদের অদ্ভুত সব অজুহাতে হচ্ছে না সমাধান। শেষ ভরসা কেন্দ্রীয় ব্যাংকে ধর্ণা। কিন্তু নির্বিকার বাংলাদেশ ব্যাংকও। 

আরও পড়ুন: সেই শিক্ষিকার বিরুদ্ধে শিক্ষার্থীদের চুল কাটার প্রমাণ পেয়েছে তদন্ত কমিটি 

তাবিন হাসান বলছেন, বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নরের বরাবর গত ১০ অক্টোবর সব প্রমাণসহ অভিযোগপত্র প্রেরণ করি। এখনও এর কোন উত্তর না পেলেও আশা করছি খুব শিগিগিরই পাবো।

দেশের ব্যাংকগুলোতে এমন বিভিন্ন সমস্যা নিয়ে যাওয়া তাবিন হাসানের মতো গ্রাহক নেহায়েত কম নয়। তবে কদাচিতই মিলে সমাধান। উলটো কখনো কখনো পোহাতে হয় ব্যাংক কর্মকর্তাদের দুর্ব্যবহার। 

গ্রাহক হয়রানি রোধে বহুদিন ধরেই কাজ করছে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের এফআইসিএসডি নামে আলাদা এক বিভাগ। তবে এর খোজই জানেন না বেশিরভাগ মানুষ। 

আরও পড়ুন: স্বামীর ১৫ মিনিট পর মা রা গেলেন স্ত্রীও

বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক ও মুখপাত্র সিরাজুল ইসলাম বলছেন, ব্যাংকগুলোতে গ্রাহকরা যদি কোন সমস্যায় পরেন, অথবা ব্যাংক কর্মকর্তারা গ্রাহকদের সাথে কোন রকমের দুর্ব্যবহার করলে সেটা সমধানের দায়িত্ব বাংলাদেশ ব্যাংকের উপর পরে।

গত এক বছরে বাংলাদেশ ব্যাংকের এই বিভাগে গ্রাহকদের অভিযোগ জমা পরে ১২ হাজার ৭৯৫টি। সমাধান পায়নি কেন্দ্রীয় ব্যাংকে অভিযোগ করা ৩৭ শতাংশ গ্রাহক। এছাড়াও ৬৩ শতাংশ সমাধান হয়েছে বলে দাবি কেন্দ্রীয় ব্যাংকের। এ বিষয়ে সিরাজুল ইসলাম বলছেন, করোনার কারণে ফোনে ফোনে যেহেতু সব সমস্যা সমাধান সম্ভব নয়। সে কারণেই দেরি হচ্ছে।

যদিও ব্যাংকগুলোতে ঝুলানো ১৬২৩৬ নম্বরে কেন্দ্রীয় ব্যাংক কর্মকর্তাদের খুঁজে পাওয়া ভার। 

এফএইচ/

সংশ্লিষ্ট সংবাদ

সর্বশেষ সংবাদ

বিজনেস 24 খবর