channel 24

সর্বশেষ

  • ফোর্বসের প্রভাবশালী নারীর তালিকায় ৪৩তম শেখ হাসিনা

  • টেস্টে দ্রুততম ৪০০০ রান ও ২০০ উইকেট সাকিবের

  • শুক্রবারের সাপ্তাহিক ছুটি বদলে ফেলল আমিরাত

  • কোটালীপাড়ায় আরও ৪ আ. লীগ নেতা বহিষ্কার

  • চাঁপাইনবাবগঞ্জ-সোনামসজিদ রেলপথ নির্মাণ কাজ চূড়ান্ত পর্যায়ে

  • পরকীয়া সন্দেহে সামাদকে পিটিয়ে খু ন করল বাবা-ছেলে

  • এসএসসি পাসে লাখ টাকা বেতনে চাকরি দিচ্ছে ইউএসএআইডি

  • ২০০ কোটির প্রতারণার মামলায় ইডির অফিসে জ্যাকুলিন

  • ভেঙে পড়ল ভারতের সামরিক কপ্টার, প্রাণে বাঁচলেন বিপিন রাওয়াত

  • বাকিদেরও ফাঁসি চাই: আবরারের মা

  • পাকিস্তানের বিপক্ষে খেলে রাতেই নিউজিল্যান্ড যাচ্ছে বাংলাদেশ

  • চট্টগ্রামে যাচ্ছেন পরীমণি

  • নোয়াখালীর কারাগারে হাজতির মৃত্যু

  • হিমাদ্রী বিশ্বাসের ‘চন্দ্রমুখ’

  • ক্যাটরিনার অজানা ৭ তথ্য

দেশে জনপ্রিয় হচ্ছে হেলিকপ্টারে ভ্রমণ

দেশে জনপ্রিয় হচ্ছে হেলিকপ্টারে ভ্রমণ

দেশে দ্রুত বড় হচ্ছে হেলিকপ্টারে ভ্রমণ বাণিজ্য। বছর দশেক আগের কল্পনাতীত স্বপ্নই আজ সহজলভ্য। হেলিকপ্টার ভোগান্তিহীন যাত্রা আর জরুরি প্রয়োজনে আকাশ ছুঁয়েছে যার জনপ্রিয়তা। করোনার কারণে হঠাৎ এর বাণিজ্যিক কাজে ধাক্কা লাগলেও নতুন করে বাড়তে শুরু করেছে এর ফ্লাইট সংখ্যা।

দেশে এখন সেবা দিচ্ছে ১০টি প্রতিষ্ঠানের ৩১টি হেলিকপ্টার। তবে করোনা মহামারিতে ধাক্কা লাগে এর বাণিজ্যিক কার্যক্রমে। এ সময়ে জরুরি মেডিকেল সেবা বাড়লেও কমে যায় করপোরেট ভিজিট ও ভ্রমণ পিপাসুদের আনাগোনা। স্বাভাবিক সময়ে প্রতি মাসে ৩৩৫টি ফ্লাইট ওঠানামা করলেও করোনার শুরুতে তা নেমে আসে ৩৪টিতে। অর্থাৎ ১০ ভাগের ১ ভাগে। সম্প্রতি আবারও বাড়ছে ফ্লাইটের সংখ্যা। যা বছর ব্যবধানে ৭৫ শতাংশ বেড়ে দাঁড়িয়েছে ২৫১টিতে।

আরও পড়ুন: সমুদ্র পথে ভাড়া বৃদ্ধিতে দীর্ঘমেয়াদে ক্ষতির আশঙ্কা

মেঘনা এভিয়েশনের চিফ অপারেটিং অফিসার আনোয়ারুল হক সরদার জানান, এয়ারপোর্টের মতো আমাদের একটা হেলিপোর্ট দরকার, কারণ এয়ারপোর্টে এতগুলো ফ্লাইট হ্যান্ডেল করা সম্ভব নয়। এছাড়া সমুদ্রে আমাদের হেলিকপ্টার উঠার ক্যাপাবেলিটি নাই।

এভিয়েশন অপারেটরস অ্যাসোসিয়েশন বাংলাদেশের মহাসচিব মফিজুর রহমান জানান, প্রতিদিন চলাচলের জন্য আমাদের হেলিকপ্টার প্রয়োজন, কিন্তু এয়ারপোর্টগুলো কর্মাশিয়াল ফ্লাইটগুলোকে প্রধান্য দিয়ে থাকে। এছাড়া সারা দেশে আমাদের পর্যটনের আকর্ষণীয় স্থানগুলোতে যদি হেলিকপ্টার ভ্রমণ সংযোগ করা যায় তাহলে একটা বিরাট সম্ভবনাময়ী বাজার তৈরি হবে।

সম্ভাবনাময় এই খাত সম্প্রসারণে সমস্যাও রয়েছে বেশ। ১৯৯৯ সালে বাণিজ্যিকভাবে যাত্রার পর এখনও তৈরি হয়নি হেলিপোর্ট। ফলে উড্ডয়ন-অবতরণ সবই চলছে সিভিল এভিয়েশনের জায়গাতেই। সেটিও রানওয়ের পাশে হওয়ায় রয়েছে দুর্ঘটনার ঝুঁকি। এছাড়াও রয়েছে হ্যাঙ্গার সমস্যা। তবে সম্প্রতি হেলিপোর্ট নির্মাণের খবরে নতুন আশা দেখছেন সংশ্লিষ্টরা।

১৫ শতাংশ ভ্যাটসহ দেশে হেলিকপ্টার ভাড়ায় ঘণ্টাপ্রতি গুনতে হচ্ছে ৫০ হাজার থেকে ১ লাখ টাকা। বুকিং দিতে হয় অন্তত ২৪ ঘণ্টা আগে।

একেএম/এম 

সংশ্লিষ্ট সংবাদ

সর্বশেষ সংবাদ

বিজনেস 24 খবর