channel 24

সর্বশেষ

  • রিজেন্ট কাণ্ডে সাবেক ডিজি আজাদের নামে চার্জশিট

  • ১৬৫০ কৃষি কর্মকর্তার যোগদানে বাধা নেই

  • চাকরি দিচ্ছে বিকাশ

  • চাঁদপুরে হ্যান্ডকাপসহ হাওয়া আসামি

  • সুপেয় পানি সরবরাহে ওয়াসার কর্মপরিকল্পনা আদালতে দাখিলের নির্দেশ

  • ই-কমার্সের রেগুলেটরি অথরিটি চেয়ে হাইকোর্টের রিট

  • স্বাস্থ্যের সাবেক ডিজিসহ ৬ জনের বিরুদ্ধে দুদকের চার্জশিট অনুমোদন

  • ছেলের জীবন বাঁচাতে নিজের কিডনি দিলেন মা

  • কক্সবাজারে ইউপি নির্বাচনে সহিংসতা নিহত ২, আহত ৩০

  • ব্রিটেন-আমেরিকার সাবমেরিন কিনছে অস্ট্রেলিয়া, ক্ষুব্ধ ফ্রান্স

  • ভারতীয় গ্র্যান্ডমাস্টারকে হারিয়ে নাসিরের চমক

  • মেসির সঙ্গে কোচের দ্বন্দ্ব?

  • বিগ বস: প্রতি সপ্তাহে ১২ কোটি পারিশ্রমিক বাড়ালেন সালমান খান

  • স্বাস্থ্যের গাড়িচালক মালেকের ৩০ বছরের জেল

  • কুমিল্লা-৭ আসনে প্রাণ গোপালকে বিজয়ী ঘোষণা

নতুন অর্থবছরের প্রথম মাসে কমেছে রেমিট্যান্স

নতুন অর্থবছরের প্রথম মাসে কমেছে রেমিট্যান্স

নতুন অর্থবছরের প্রথম মাস অর্থাৎ জুলাইয়ে কমেছে প্রবাসীদের পাঠানো রেমিট্যান্স। জুলাই মাসে দেশে ১৮৭ কোটি ১৪ লাখ ৯০ হাজার (১ দশমিক ৮৭ বিলিয়ন) মার্কিন ডলার রেমিট্যান্স পাঠিয়েছেন প্রবাসীরা।

এই অঙ্ক আগের মাস জুনের চেয়ে ৬ কোটি ৯৩ লাখ ডলার কম। জুনে রেমিট্যান্স এসেছিল ১৯৪ কোটি ৮ লাখ ডলার। গত বছরের জুলাইয়ের চেয়ে কম প্রায় ৩৯ শতাংশ। গত বছরের একই সময়ে এসেছিল ২৫৯ কোটি ৮২ লাখ ডলার।

সোমবার (০২ আগস্ট) অর্থমন্ত্রণালয় থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য জানানো হয়েছে।

বাংলাদেশ ব্যাংকের হালনাগাদ প্রতিবেদন থেকে দেখা যায়, জুলাই মাসে রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংকগুলোর মাধ্যমে রেমিট্যান্স আহরিত হয়েছে ৪৩ কোটি ১৮ লাখ ডলার। বিশেষায়িত দুটি ব্যাংকের মাধ্যমে ৩ কোটি ২২ লাখ ডলার রেমিট্যান্স এসেছে। এছাড়া বেসরকারি ব্যাংকগুলোর মাধ্যমে ১৪০ কোটি ১২ লাখ ডলার এবং বিদেশি ব্যাংকগুলোর মাধ্যমে ৬১ লাখ ডলার রেমিট্যান্স এসেছে।

সবচেয়ে বেশি রেমিট্যান্স আহরিত হয়েছে বেসরকারি খাতের ইসলামী ব্যাংকের মাধ্যমে। এ ব্যাংকটির মাধ্যমে রেমিট্যান্স এসেছে ৫৫ কোটি মার্কিন ডলার। এরপরে রয়েছে ডাচ বাংলা ব্যাংক। এ ব্যাংকটির মাধ্যমে রেমিট্যান্স এসেছে ২২ কোটি ৯১ লাখ ডলার। এছাড়াও রাষ্ট্রায়ত্ত অগ্রণী ব্যাংকের মাধ্যমে এসেছে ১৯ কোটি ৪৮ লাখ ডলার, সোনালী ব্যাংকের মাধ্যমে ১১ কোটি ৭৫ লাখ ডলার এবং জনতা ব্যাংকের মাধ্যমে এসেছে পাঁচ কোটি ৯২ লাখ ডলারের রেমিট্যান্স।

আরও পড়ুন: কারখানা খোলার দ্বিতীয় দিনে বেড়েছে শ্রমিক উপস্থিতি

নতুন অর্থবছরে প্রবাসী আয় কমে যাওয়ার বিষয়ে বাংলাদেশ ব্যাংকের সাবেক গভর্নর সালেহ উদ্দিন আহমেদ বলেন, করোনার তৃতীয় ঢেউয়ের কারণে বহির্বিশ্বের অনেক দেশে লকডাউন চলছে। এর ফলে অনেক প্রতিষ্ঠানে কাজ বন্ধ রয়েছে। এতে প্রবাসীদের আয় কমেছে। এসব কারণে রেমিট্যান্স পাঠানো কিছুটা কমেছে। তবে প্রবাসীদের কাজ ঠিক থাকলে আয়ও বেড়ে যাবে।

জুন শেষে বাংলাদেশ ব্যাংকের রিজার্ভের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ৪৬ দশমিক ৪২ বিলিয়ন ডলার বা প্রায় চার হাজার ৬৪২ কোটি ডলার; প্রতি মাসে চার বিলিয়ন ডলার আমদানি ব্যয় হিসেবে মজুত এ বৈদেশিক মুদ্রা দিয়ে সাড়ে ১১ মাসের আমদানি ব্যয় মেটানো সম্ভব।

রেমিট্যান্সে প্রবাহ বাড়াতে প্রবাসী আয়ে এক শতাংশ প্রণোদনা বাড়ানোর প্রস্তাব দিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক। বর্তমানে প্রবাসী আয়ে দুই শতাংশ প্রণোদনা দিচ্ছে সরকার। এটাকে তিন শতাংশ করতে সম্প্রতি বাংলাদেশ ব্যাংক এ সংক্রান্ত একটি চিঠি অর্থ মন্ত্রণালয়ের আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগে পাঠিয়েছে।

এসিএন/

সংশ্লিষ্ট সংবাদ

সর্বশেষ সংবাদ

বিজনেস 24 খবর