channel 24

সর্বশেষ

  • ভিয়েনায় এশিয়া-প্যাসিফিক গ্রুপের সভাপতির দায়িত্ব নিলেন মোহাম্মদ মুহিত

  • মহাখালীতে কৃষিবিদ ফাউন্ডেশন ফর হিউম্যানিটির উদ্যোগে সপ্তাহব্যপী খাবার বিতরণ

  • খ্যাতির মোহেই আলোচনায় থাকতেন হেলেনা: র‌্যাব

  • ব্যান্ডেজ খুলতে গিয়ে নবজাতকের আঙ্গুল কেটে ফেলল নার্স

  • এবার ১০ মিনিটে দু’বার টিকা নিয়ে ভাইরাল বাশারুজ্জামান

  • বেড না পেয়ে হাসপাতালের সামনে মৃত্যু

  • পলাশবাড়ীতে কাভার্ড ভ্যানের ধাক্কায় ৪ সিএনজি যাত্রী নিহত

  • হেলেনা জাহাঙ্গীরের তিন দিনের রিমান্ড মঞ্জুর

  • করোনায় বাড়ছে মৃত্যু, রাজধানীতে নেই সচেতনতা

  • মোবাইল চুরির অপবাদে হাত-পা বেঁধে শিশু নির্যাতন

  • একদিনে আরও ১৭০ জন ডেঙ্গু রোগী হাসপাতালে

  • উদ্দেশ্যহীন হেঁটেছিলেন বিদ্যা বালান!

  • গোবিন্দগঞ্জে মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় নিহত ২

  • ১ আগস্ট থেকে খুলছে রপ্তানিমুখী শিল্প-কারখানা

  • অনুমোদনহীন আইপি টিভির বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হবে: তথ্যমন্ত্রী

সুইস ব্যাংকে সুবিধা কমায় নতুন গন্তব্যে পাচার হচ্ছে টাকা

সুইস ব্যাংকে সুবিধা কমায় নতুন গন্তব্যে পাচার হচ্ছে টাকা

২০২০ সাল শেষে সুইজারল্যান্ডের ব্যাংকগুলোতে বাংলাদেশিদের জমা হওয়া অর্থের পরিমাণ দাড়িয়েছে ৫ হাজার ২০৩ কোটি টাকা। আগের বছরের চেয়ে যা ৩৬১ কোটি টাকা কম। তবে বাংলাদেশের কমলেও বেড়েছে প্রতিবেশি ভারত ও পাকিস্তানের। সুইস ব্যাংকগুলোতে ভারতীয়দের আমানত এখন গেল ১৩ বছরের মধ্যে সর্বোচ্চ আর পাকিস্তানের ক্ষেত্রে তা বছর ব্যবধানে হয়েছে দ্বিগুণ। বিশ্লেষকরা বলছেন, সুইস ব্যাংকগুলোতে বিভিন্ন রকম সুবিধা কমায় বাংলাদেশিদের পাচার করা টাকা অন্য কোথাও চলে যাচ্ছে।

কালো টাকার উৎস কিংবা সম্পূর্ণ পরিসংখ্যান, কিছুই নেই সরকারের কাছে। তবে বাস্তবতা হল প্রতিবছরই পাচার হচ্ছে দেশের টাকা। যার কিছুটা প্রমান মেলে সুইস ব্যাংকগুলোতে বাংলাদেশিদের জমা রাখা অর্থের পরিমাণে। বৃহস্পতিবার যার একটি তালিকা দেয় সুইজারল্যান্ডের কেন্দ্রীয় ব্যাংক। সেখানে দেখা যায় গেল বছর সুইস ব্যাংকগুলোতে বাংলাদেশিদের অর্থ রয়েছে ৫ হাজার ২০৩ কোটি টাকা। যা অবশ্য ২০১৯ সালের চেয়ে ৩৬১ কোটি টাকা কম।

২০০৬ সালে সুইজারল্যান্ডের ব্যাংকগুলোতে বাংলাদেশিদের আমানত ছিলো ৮৯৬ কোটি টাকা। এক বছরের মধ্যেই তা ১০৮ শতাংশ বেড়ে হয় ১ হাজার ৮৭৩ কোটি। এরপর ২০১২ সাল থেকে পরবর্তী ৫ বছরে সুইস ব্যাংকগুলোতে বাংলাদেশিদের আমানত হিসেবে যোগ হয় আরো ৪ হাজার ৭শ কোটি টাকা। সর্বোচ্চ ৬ হাজার ১০৮ কোটি টাকা জমা দেখানো হয়, ২০১৬ সালের শেষে। 

সুইস কেন্দ্রীয় ব্যাংকের হিসাবে দেখা যায়, দেশটিতে প্রতিবেশি ভারতীয় নাগরিকদের আমানত এখন ২০ হাজার ৫শ রুপী বা প্রায় ২৪ হাজার কোটি টাকা, যা গেল ১৩ বছরের মধ্যে সর্বোচ্চ। আর পাকিস্তানিদের ক্ষেত্রে যা বছর ব্যবধানে দ্বিগুণ হয়ে দাড়িয়েছে ৬৪ লাখ ফ্রাঙ্ক বা প্রায় ৬ হাজার কোটি টাকায়। তবে সুইস ব্যাংকগুলোতে সবচেয়ে বেশি অর্থ রয়েছে যুক্তরাজ্যের, এরপর যুক্তরাষ্ট্র ও ওয়েস্ট ইন্ডিজ। 

আরো পড়ুন: বিনিয়োগকারীদের টাকা আত্মসাৎ, বানকো সিকিউরিটিজের লেনদেন বন্ধ

গেল বছর পর্যন্ত সুইস ব্যাংকগুলোতে সবমিলিয়ে আমানতের পরিমান দাড়িয়েছে ২ ট্রিলিয়ন সুইস ফ্র্যাঙ্ক।   

পরের বছর আমানত কমে দেড় হাজার কোটি টাকার। তবে ২০১৮ ও ২০১৯ সালে সুইজারল্যান্ডের ব্যাংকগুলোতে বাংলাদেশিদের টাকা বাড়ে ১ হাজার ১২৩ কোটি টাকা। টানা দুই বছর ঊর্ধ্বমুখীর পর ২০২০ সাল শেষে ৩৬১ কোটি টাকা কমে জমার পরিমাণ নামে ৫ হাজার ২০৩ কোটি টাকায়।

সুইস ন্যাশনাল ব্যাংকের পরিসংখ্যান প্রকাশের পর আলোচনার ঝড় ওঠে জাতীয় সংসদে। তবে বিপুল পরিমাণ অর্থ দেশের বাইরে থাকার বিষয়ে কোনো সদুত্তর দিতে পারেননি অর্থমন্ত্রী।

সংশ্লিষ্ট সংবাদ

সর্বশেষ সংবাদ

বিজনেস 24 খবর