channel 24

সর্বশেষ

  • ভিয়েনায় এশিয়া-প্যাসিফিক গ্রুপের সভাপতির দায়িত্ব নিলেন মোহাম্মদ মুহিত

  • মহাখালীতে কৃষিবিদ ফাউন্ডেশন ফর হিউম্যানিটির উদ্যোগে সপ্তাহব্যপী খাবার বিতরণ

  • খ্যাতির মোহেই আলোচনায় থাকতেন হেলেনা: র‌্যাব

  • ব্যান্ডেজ খুলতে গিয়ে নবজাতকের আঙ্গুল কেটে ফেলল নার্স

  • এবার ১০ মিনিটে দু’বার টিকা নিয়ে ভাইরাল বাশারুজ্জামান

  • বেড না পেয়ে হাসপাতালের সামনে মৃত্যু

  • পলাশবাড়ীতে কাভার্ড ভ্যানের ধাক্কায় ৪ সিএনজি যাত্রী নিহত

  • হেলেনা জাহাঙ্গীরের তিন দিনের রিমান্ড মঞ্জুর

  • করোনায় বাড়ছে মৃত্যু, রাজধানীতে নেই সচেতনতা

  • মোবাইল চুরির অপবাদে হাত-পা বেঁধে শিশু নির্যাতন

  • একদিনে আরও ১৭০ জন ডেঙ্গু রোগী হাসপাতালে

  • উদ্দেশ্যহীন হেঁটেছিলেন বিদ্যা বালান!

  • গোবিন্দগঞ্জে মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় নিহত ২

  • ১ আগস্ট থেকে খুলছে রপ্তানিমুখী শিল্প-কারখানা

  • অনুমোদনহীন আইপি টিভির বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হবে: তথ্যমন্ত্রী

সূচকের ধারাবাহিকতায় গতি ফিরছে পুঁজিবাজারে

সূচকের ধারাবাহিকতায় গতি ফিরছে পুঁজিবাজারে

গেল ৩০ মে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের প্রধান সূচক ৬ হাজার পয়েন্টের মনস্তাত্তিক বাধা অতিক্রম করে। ডিএসইএক্স ৫ হাজার থেকে বেড়ে ৬ হাজার পয়েন্টে উঠতে সময় নেয় প্রায় ৬ মাস। এই উত্থানে গত বছর তালিকাভুক্ত হওয়া ওয়ালটন ও রবির অবদান এক তৃতীয়াংশ। আর যৌথভাবে ওয়ালটন, রবি, গ্রামীনফোন ও ব্রিটিশ অ্যামেরিকান টোবাক্যোর ভূমিকা ৪৭ শতাংশ বা ৪৭০ পয়েন্ট। বাজার বিশ্লেষকরা বলছেন, আস্থার বৃদ্ধির সাথে সাথে অর্থপ্রবাহ বেড়েছে পুঁজিবাজারে। যা বাজারকে গতিশীল করেছে। এ ধারা ধরে রাখতে বাজারে শৃঙ্খলার ওপর জোর দেন তারা।

২০২০ এর মার্চ। তারল্য সংকট, দেশে করোনা শনাক্তের খবর ও সর্বোপরি আস্থাহীনতা। পুঁজিবাজারের এই অস্থির সময়ে ধারাবাহিক দরপতনে ১৮ মার্চ ডিএসইএক্স নামে ৩ হাজার ৬০০ পয়েন্টে। পরবর্তীতে নিয়ন্ত্রক সংস্থা বিএসইসিতে পরিবর্তন ও নানা সংস্কারে আস্থা ফিরতে শুরু করে পুঁজিবাজারে। ঘুরে দাঁড়ায় পুঁজিবাজার। এই উত্থানে ২০২০ এর ৬ ডিসেম্বর ডিএসইর প্রধান সূচক ৫ হাজার পয়েন্টের মনস্তাত্তিক বাধা অতিক্রম করে। এর প্রায় ৬ মাস পর গেলো ৩০ মে ডিএসইএক্স পার করে ৬ হাজার পয়েন্ট।

হাজার পয়েন্টের এই উত্থান বিশ্লেষণ করে দেখা যায়, সর্বোচ্চ ২৩ শতাংশ বা ২৩০ পয়েন্ট অবদান রেখেছে প্রকৌশল খাত। এরপরই অবস্থান ৩ টি কোম্পানি নিয়ে গঠিত টেলিকম খাতের। অবদান ২০০ পয়েন্ট। এরপর আছে ব্যাংক, খাদ্য ও ফার্মাসিউটিক্যালখাত। তবে সবচেয়ে আলোচিত বীমা খাতের অবদান মাত্র ৫ শতাংশ।।

সূচকের এই উর্ধ্বগতিতে সবচেয়ে বেশি ভূমিকা রেখেছে গত বছর তালিকাভুক্ত কোম্পানি ওয়ালটন হাইটেক ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেড এবং রবি আজিয়াটা লিমিটেড। একক প্রতিষ্ঠান হিসেবে সর্বোচ্চ ১৯৯ পয়েন্ট যোগ করে ওয়ালটন। আর রবি যোগ করে ১৩০। গ্রামীনফোন ও ব্রিটিশ অ্যামেরিকান টোবাক্যোর অবদান যথাক্রমে ৭৪ ও ৬৮ পয়েন্ট। অর্থাৎ হাজার পয়েন্টের উত্থানে এই চারটি প্রতিষ্ঠানের অবদান ৪৭২ পয়েন্ট।।

বিশ্লেষকরা বলছেন, বিনিয়োগকারীদের আস্থা ফিরেছে। সেই সাথে পুঁজিবাজারে অর্থের প্রবাহ বেড়েছে। যার ফলে দীর্ঘদিন স্থবির থাকা বাজার গতিশীল হচ্ছে। বাজারের এই ধারা ধরে রাখতে শৃঙ্খলা বজায় রাখার আহ্বান পুঁজিবাজার সংশ্লিষ্টদের।

সংশ্লিষ্ট সংবাদ

সর্বশেষ সংবাদ

বিজনেস 24 খবর