channel 24

সর্বশেষ

  • লিবিয়া উপকূলে নৌকাডুবি, ৩৩ বাংলাদেশি উদ্ধার

  • ন্যায়বিচার পাওয়ার আশ্বাস আইনমন্ত্রীর

  • কোয়ারেন্টিন শেষে অনুশীলনে সাকিব-মোস্তাফিজ

  • নরসিংদীর রায়পুরায় দু’পক্ষের সংঘর্ষে নিহত ৩

  • করোনাকালেও সোয়া দুই লাখ কোটি টাকার এডিপি!

  • খিলক্ষেত ফ্লাইওভারে ‘বন্দুকযুদ্ধে দুই ছিনতাইকারী’ নিহত

  • বাংলাদেশের ভ্যাক্সিন তৈরিতে কিউবা বা ইরানের মডেল ফলো

  • নেত্রকোনায় বজ্রপাতে ৭ জনের মৃত্যু

  • রোজিনার মুক্তি দাবি সাংবাদিক অধিকার সংগঠন সিপিজের

  • দপ্তর বদল করা হয়েছে স্বাস্থ্য সেবা বিভাগের উপসচিবের

  • করোনাভাইরাসে দেশে আরও ৩০ মৃত্যু

  • আমলার মামলায় কারাগারে সাংবাদিক রোজিনা

  • রাঙ্গামাটিতে প্রাণহানি রোধে ঝুঁকিপূর্ণ এলাকা চিহ্নিত প্রশাসনের

  • চট্টগ্রাম বন্দরে বাড়ছে কন্টেইনার খালাসের সংখ্যা

  • বান্দরবানে পাহাড়িদের ৭০ বসতঘর পুড়ে ছাই

কঠোর লকডাউনে কারখানা চালু রাখতে চান রপ্তানিকারকরা

কঠোর লকডাউনে কারখানা চালু রাখতে চান রপ্তানিকারকরা

সঠিকভাবে স্বাস্থ্যবিধি মেনে আসছে কঠোর লকডাউনেও কারখানা খোলা রাখতে চান দেশের রপ্তানিকারকরা। তাদের দাবি, তা করা না হলে মুখ থুবড়ে পড়বে দেশের শিল্পখাত। ভুগতে হবে শ্রমিক, কর্মচারীদের। বিশ্লেষকদের মতে, প্রান্তিক মানুষের জীবন জীবিকার ব্যবস্থা না করে পরিকল্পনাহীন লকডাউন শুধু ভোগান্তিই বাড়াবে।

দেশের অর্থনীতিতে গত বছরের লকডাউনের প্রভাবই কাটেনি এখনো। নিম্ন থেকে মধ্যবিত্ত প্রতিনিয়তই বয়ে বেড়াচ্ছে সেই দুর্দশার ক্ষত।এর মাঝেই তুঙ্গে থাকা করোনা সংক্রমণ সামাল দিতে আগামী ১৪ই এপ্রিল থেকেই আবারো কঠোর নিয়ন্ত্রনে যেতে চায় সরকার। যার আওতায় থাকবে জরুরি সেবা বাদে বাকি সবকিছুই, ঘুরবে না গাড়ির চাকা এমনকি বন্ধ রাখার প্রস্তাবে আছে রপ্তানিমুখী কলকারখানাও। 

গত বছরের লকডাউনে মুখ থুবড়ে পড়ে দেশের রপ্তানি খাত। এপ্রিলে আয় কমে প্রায় ৮৩ শতাংশ আর মে'তে ৬৩ শতাংশের মত। তৈরি পোশাকে স্থগিত কিংবা বাতিল হয় ৩১৮ কোটি ডলারের বেশি ক্রয়াদেশ। সবচেয়ে বেশি ক্ষতিতে পড়ে অতিক্ষুদ্র, ক্ষুদ্র ও মাঝারী শিল্পগুলো।

বিভিন্ন রকম গবেষণায় দেখা যায়, সেসময় কর্মসংস্থান হারানো মানুষদের একটি বড় অংশই এখনো কাজের সন্ধানে। বেশিরভাগেরই ব্যবসা বাণিজ্য কিংবা আয় হচ্ছে না আগের মত।

সংশ্লিষ্ট সংবাদ

সর্বশেষ সংবাদ

বিজনেস 24 খবর