channel 24

সর্বশেষ

  • যুক্তরাষ্ট্রে জর্জ ফ্লয়েড হত্যায় অভিযুক্ত পুলিশ কর্মকর্তা দোষী সাব্যস্ত

  • লকডাউনের মধ্যেই অভ্যন্তরীণ রুটে বিমান চলাচল শুরু

  • লকডাউনে গলি মহল্লার ভিড় এখন মূল সড়কে

  • শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকায় অনিশ্চয়তায় কোটি শিক্ষার্থীর জীবন, বেড়েছে বাল্যবিবাহ

  • শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে টস জিতে ব্যাট করছে বাংলাদেশ

  • দাতাদের সাথে আলোচনার পর ভাসানচরে অর্থায়নের সিদ্ধান্ত: জাতিসংঘ

  • ভারতে আরও ভয়াবহ হচ্ছে করোনা, একদিনে সর্বোচ্চ মৃত্যু ২০২১

  • লঙ্কানদের বিরুদ্ধে প্রথম টেস্টে আজ মাঠে নামছে বাংলাদেশ

  • জামালপুরে সুজন নামে এক ব্যক্তিকে গলা কেটে হত্যা

  • খুলনায় ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের মামলায় এনটিভির সাংবাদিক আবু তৈয়ব গ্রেপ্তার

  • চালু হচ্ছে অভ্যন্তরীণ ফ্লাইট

  • মহানগর ছাত্রলীগ সভাপতির বিরুদ্ধে ধর্ষণ ও গর্ভপাতের অভিযোগ

  • ফেভারিট শ্রীলঙ্কার সামনে স্বপ্ন দেখছে বাংলাদেশও

  • কচুরিপানায় ভাগ্য বদলেছে দুই শতাধিক নারীর

  • মামুনুলের নজর ছিলো ধর্মকে পুঁজি করে ক্ষমতা দখলে: পুলিশ

করোনাঘাতেও গতিশীল ব্যাংক খাত

করোনাঘাতেও গতিশীল ব্যাংক খাত

করোনায় স্থবির যখন পুরো বিশ্ব, বন্ধ আমদানি-রপ্তানি আর অর্থ সংকটের মুখে পুরো দেশ, তখন অর্থনীতির গতি ধরে রাখতে অনন্য ভূমিকা রাখে ব্যাংকিং খাত। স্বাস্থ্য ঝুঁকির মধ্যেও পিছপা হননি কর্মীরা। ক্রমাগত বাড়তে থাকা রেমিট্যান্স ও প্রণোদনা প্যাকেজের ঋণ বিতরণ চাপের মধ্যেও অনেকটা বীরদর্পে এগিয়েছে দেশের ব্যাংকিং খাত। কিছুটা কম গতির অভিযোগ ছিলো কৃষি ও ক্ষুদ্র ঋণ বিতরণে। কেন্দ্রীয় ব্যাংকের দিক-নির্দেশনায় নিয়ন্ত্রণে ছিলো খেলাপিও। তবে ঋণ আদায় কার্যক্রমকে এই খাতের জন্য ভবিষ্যতের বড় চ্যালেঞ্জ হিসেবে দেখছেন বিশেষজ্ঞরা।

করোনার ভয়াবহতায় থমকে যায় বিশ্ব। ৮ মার্চ দেশে প্রথম শনাক্ত হয় করোনা রোগী। এর ১৮ দিনের মাথায় লকডাউনে যায় দেশ। স্থবির হয়ে পড়ে দেশের ব্যবসা বাণিজ্য। তবে মানুষের হাতে নগদ অর্থ নিশ্চিতসহ অর্থনীতির চাকা চালু রাখতে সীমিত আকারে চালু রাখা হয় ব্যাংকিং সেবা। 

দেশের অর্থনীতিকে সচল রাখতে বেশ কিছু উদ্যোগ নেয় বাংলাদেশ ব্যাংক। ১০ এপ্রিল নির্দেশনা জারি করে ২০২০ সালের জুন পর্যন্ত কোন ঋণ খেলাপি করা যাবে না। একই সাথে ব্যাংকগুলোকে টিকিয়ে রাখতে প্রভিশন সংরক্ষণের বাধ্যবাধকতা সিথিল করে কেন্দ্রীয় ব্যাংক।

শ্রমিকদের বেতন ভাতা পরিশোধসহ অর্থনীতিকে সচল রাখতে এপ্রিল মাসে পণোদনা প্যাকেজ ঘোষণা করে সরকার। মোট এক লাখ ২১ হাজার কোটি টাকার পণোদনা প্যাকেজ বাস্তবায়নের গুরুদায়িত্ব পড়ে ব্যাংক খাতের ওপরই। 

তবে ঋণ বিতরণে বড় ব্যবসায়ীদের সন্তুষ্ট করা গেলেও কপালে ভাঁজ ছিলো ছোট ব্যবসায়ী ও কৃষকদের। 

অর্থনীতির অনেকগুলো সূচক যখন নিম্নমুখী, তখন ইতিবাচক ধারা অব্যাহত ছিলো বৈদশিক মুদ্রা আহরণে। একের পর এক রেকর্ড ভেঙ্গেছে রেমিট্যান্স ও রিজার্ভ। 

দুর্যোগে বিনিয়োগ চাহিদা না থাকায় বেসরকারিখাতে ঋণ প্রবৃদ্ধি নেমে যা প্রক্ষেপণের চেয়ে অনেক নিচে। তাই স্বাভাবিক নিয়মেই বেড়েছে ব্যাংকের তারল্য। বর্তমানে ব্যাংক খাতে বিনিয়েগযোগ্য অতিরিক্ত তারল্য রয়েছে প্রায় চার লাখ কোটি টাকা।

সংশ্লিষ্ট সংবাদ

সর্বশেষ সংবাদ

বিজনেস 24 খবর