channel 24

সর্বশেষ

  • অনিশ্চিত হয়ে পড়ছে ইউরোপিয়ান সুপার লিগের ভবিষ্যৎ

  • বাংলাদেশকে ভ্যাকসিন দিতে দ্রুত সিদ্ধান্ত চায় চীন

  • ফুরিয়ে আসছে করোনার টিকা, বিকল্প উৎসের খোঁজে সরকার

  • হেফাজত নেতা কোরবান আলী ৭ দিনের রিমান্ডে

  • বাংলাদেশিদের ইউরোপ-আমেরিকা যাবার বাধা কাটলো

  • ঠাকুরগাঁওয়ের শিশু জান্নাত এখন পুরোপুরি সুস্থ

  • এবছর সর্বনিম্ন ফিতরা ৭০ টাকা

  • বিএনপিকে জনগণের পাশে দাঁড়ানোর আহ্বান কাদেরের

  • জয় দিয়ে জিম্বাবুয়ে সিরিজ শুরু পাকিস্তানের

  • ব্যর্থতার বৃত্ত ভেঙে আলোয় উজ্জ্বল শান্ত

  • বিদায় মুখ ঢেকে যায় বিজ্ঞাপনের কবি শঙ্খ ঘোষ

  • শান্তর সেঞ্চুরিতে রাঙানো ক্যান্ডি টেস্টের প্রথমদিন

  • জীবিকার তাগিদ বোঝে না করোনা আতঙ্ক, বোঝে না লকডাউন

  • সুপার লিগে ভাঙনের সুর, চুক্তি অনুযায়ী খেলতে বাধ্য- দাবি পেরেজের

  • ক্যারিয়ারের প্রথম শতক তুলে নিলেন শান্ত

ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানের লভ্যাংশ নির্ধারণে ক্ষুব্ধ সাধারণ বিনিয়োগকারীরা

ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানের লভ্যাংশ নির্ধারণে ক্ষুব্ধ সাধারণ বিনিয়োগকারীরা

ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠান ১৫ শতাংশের বেশি নগদ লভ্যাংশ দিতে পারবে না, কেন্দ্রীয় ব্যাংকের এমন সিদ্ধান্তে ব্যাংক ও আর্থিক খাতের শেয়ার দামে নেতিবাচক প্রভাব পড়েছে। এতে ক্ষুব্ধ সাধারণ বিনিয়োগকারীরা। বিষয়টি ভালোভাবে নেয়নি পুঁজিবাজার নিয়ন্ত্রক সংস্থা- বিএসইসিও। অর্থনীতিবিদ ও পুঁজিবাজার বিশ্লেষকরা বলছেন, দীর্ঘদিন পর পুঁজিবাজার গতিশীলতার পথে কিছুটা এগিয়েছে। এমন সময় কেন্দ্রীয় ব্যাংকের এই সিদ্ধান্ত পুঁজিবাজারে ক্ষতির কারণ হতে পারে।

গেলো কয়েক মাস ধরে কিছুটা চাঙা দেশের পুঁজিবাজার। লেনদেন যেমন বেড়েছে তেমনি সূচকেও এসেছে সুবাতাস। কিন্তু এ উত্থানের সাথে সেভাবে বাড়েনি ব্যাংক খাতের কোনো শেয়ারের দাম। আর্থিক প্রতিষ্ঠানের শেয়ারের দামে সাময়িক প্রভাব পড়লেও তা চুপসে গেছে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের লভ্যাংশ প্রদান সংক্রান্ত সিদ্ধান্তে।

গেলো ২৪ ফেব্রুয়ারি আর্থিক প্রতিষ্ঠানের সর্বোচ্চ লভ্যাংশের সীমা বেঁধে দেয় বাংলাদেশ ব্যাংক। প্রজ্ঞাপনে বলা হয় লাভ যতই হোক ১৫ শতাংশের বেশি নগদ লভ্যাংশ দিতে পারবে না কোনো প্রতিষ্ঠান। আর যেসব প্রতিষ্ঠানের খেলাপি ঋণ ১০ শতাংশের বেশি তারা কোনো লভ্যাংশই দিতে পারবে না। এর আগে ৭ ফেব্রুয়ারি ব্যাংকের ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ নগদ লভ্যাংশ ১৫ শতাংশ বেঁধে দেয় কেন্দ্রীয় ব্যাংক।

পুঁজিবাজার ও অর্থনীতি বিশ্লেষকরা মনে করেন, কেন্দ্রীয় ব্যাংকের এ ধরণের সিদ্ধান্ত পুঁজিবাজারে হস্তক্ষেপের সামিল। একই সাথে রয়েছে সমন্বয়হীনতা।

বিষয়টিকে ভালোভাবে নেয়নি পুঁজিবাজার নিয়ন্ত্রক সংস্থা- বিএসইসিও। প্রতিষ্ঠানটির চেয়ারম্যান বলছেন, এমন সিদ্ধান্ত নেয়ার আগে কমিশনের সাথে পরামর্শ করলে অনাহুত সমস্যা এড়ানো যেতো।

এ বিষয়ে কথা বলতে রাজি হননি বাংলাদেশে ব্যাংকের মুখপাত্র। ২ মার্চ প্রজ্ঞাপনটি প্রত্যাহারের দাবিতে স্মারকলিপি দিয়েছে বিনিয়োগকারিদের একটি সংগঠন।

সংশ্লিষ্ট সংবাদ

সর্বশেষ সংবাদ

বিজনেস 24 খবর