channel 24

সর্বশেষ

  • সুপার লিগ নিয়ে রিয়ালের পাশে বার্সেলোনা

  • একদিনে ভারতে করোনায় প্রাণহানি ২২৬৩

  • করোনায় দেশে আরো ৮৮ জনের মৃত্যু

  • লঙ্কান ঘাঁটিতে প্রথম আঘাত মিরাজের

  • ঈদকে সামনে রেখে ঝুঁকি নিয়ে দোকান খুলছেন গোপালগঞ্জের ব্যবসায়ীরা

  • একক দেশের সাথে ভ্যাকসিনের চুক্তি ছিল বোকামি

  • করোনার দুঃসময়ে অসুস্থতার প্রতি মুহূর্ত কাটে অজানা আতঙ্কে

  • বোরোর ফলন ভালো হলেও শ্রমিক সংকটে দুঃশ্চিন্তায় সুনামগঞ্জ ও নওগাঁর কৃষকরা

  • ২৫ এপ্রিল খুলছে দোকানপাট ও শপিংমল

  • ৪০ লাখ টাকায় মিলবে 'পাবনার বস'

  • করোনায় খেয়ে না খেয়ে দিন কাটছে পথশিশুদের

  • ভারতে ভয়াবহ হচ্ছে করোনা পরিস্থিতি, ভেঙ্গে পড়েছে স্বাস্থ্য ব্যবস্থা

  • ক্যান্ডিতে ৫০০ রানের কোটা পেরিয়েছে বাংলাদেশ

  • নানা সংকটে নাটোর সদর হাসপাতাল, নেই আইসিইউ ও সেন্ট্রাল অক্সিজেন

  • ধর্ষণ মামলার পর আত্মগোপনে বরিশাল মহানগর ছাত্রলীগ সভাপতি

একুশে গ্রন্থ মেলায় বিক্রি নিয়ে শঙ্কায় প্রকাশক-লেখক

একুশে গ্রন্থ মেলায় বিক্রি নিয়ে শঙ্কায় প্রকাশক-লেখক

করোনা পরিস্থিতির মধ্যে শঙ্কা আর সম্ভাবনা নিয়ে আলোচনার পর প্রথমবারের মতো মার্চের মাঝামাঝিতে শুরু হচ্ছে একুশে গ্রন্থ মেলা। তবে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ ও বৈরি আবহাওয়ায় পাঠক উপস্থিতি নিয়ে শঙ্কায় আছেন প্রকাশক ও লেখকরা। গতবারের চেয়ে ৪০ শতাংশ কম বই ছাপানোর ইঙ্গিত তাদের কণ্ঠে। প্রকাশকদের কিছুটা স্বস্তি দিতে বাঙ্গালির প্রাণের মেলায় স্টল ভাড়া অর্ধেকে নামানোর ঘোষণা দিয়েছে বাংলা একাডেমি।

জাভেদ রহমান, অমর একুশে গ্রন্থমেলায় প্রকাশের উদ্দেশ্যে অনুবাদ করেছেন হিন্দি-উর্দু-ফারসি ভাষার তিনটি বই। এখন প্রকাশনার কাজ চললেও নানা কৌতুহলেই সময় কাটছে তার। তার এই ভাবনার কারণ চলমান করোনা পরিস্থিতি। যার প্রভাবে ফেব্রুয়ারিতে স্থগিত হলো আয়োজন। দেড় মাস পিছিয়ে প্রথমবারের মতো মার্চে শুরু হচ্ছে বাঙালির প্রাণের মেলা। চলছে স্টল তৈরির কাজ।

মেলাকে কেন্দ্র করে প্রায় এক বছর পর গতি ফিরেছে ছাপাখানায়। আবারও চালু হচ্ছে করোনায় বন্ধ থাকা ৫শ এর বেশি ছাপাথানা। কাজে যোগ দেয়ার আশায় অন্তত ৫ হাজার কর্মী।

আসন্ন বই মেলায় আঁচড় কাটতে পারে বৈরি আবহাওয়া। বিশ্ববিদ্যালয়গুলো বন্ধ থাকায় শঙ্কা রয়েছে বিক্রি কমার। সে আশঙ্কা থেকে বছর ব্যবধানে কম বই ছাপাচ্ছে প্রকাশনীগুলো। পাঠ্যপুস্তক ও সৃজনশীল সমিতির আশঙ্কা গেলো বছরের তুলনায় এবছর বই প্রকাশেরও হার কমতে পারে প্রায় ৪০ শতাংশ।

বাংলা একাডেমির হিসাবে গেলো বছর মেলায় বিক্রি হয় ৮০ কোটি টাকার বই; যেখানে ২০১৬ সালে বিক্রি ছিলো ৪০ কোটি টাকার। পাঁচ বছরের ব্যবধানে বিক্রি দ্বিগুন হলেও মিশ্র প্রতিক্রিয়া বাংলা একাডেমির। তাই লেখক-প্রকাশকের আর্থিক সংকট মোকাবিলায় স্টল ভাড়া নামানো হয়েছে অর্ধেকে।

দেরিতে হলেও মৌনতা ভাঙবে বাংলা একাডেমি প্রাঙ্গণের। নতুন বইয়ের মলাটের সুবাসে ফের সঞ্চারিত হবে লেখক-প্রকাশক-পাঠকের প্রাণ।

সংশ্লিষ্ট সংবাদ

সর্বশেষ সংবাদ

বিজনেস 24 খবর