channel 24

সর্বশেষ

  • অনিশ্চিত হয়ে পড়ছে ইউরোপিয়ান সুপার লিগের ভবিষ্যৎ

  • বাংলাদেশকে ভ্যাকসিন দিতে দ্রুত সিদ্ধান্ত চায় চীন

  • ফুরিয়ে আসছে করোনার টিকা, বিকল্প উৎসের খোঁজে সরকার

  • হেফাজত নেতা কোরবান আলী ৭ দিনের রিমান্ডে

  • বাংলাদেশিদের ইউরোপ-আমেরিকা যাবার বাধা কাটলো

  • ঠাকুরগাঁওয়ের শিশু জান্নাত এখন পুরোপুরি সুস্থ

  • এবছর সর্বনিম্ন ফিতরা ৭০ টাকা

  • বিএনপিকে জনগণের পাশে দাঁড়ানোর আহ্বান কাদেরের

  • জয় দিয়ে জিম্বাবুয়ে সিরিজ শুরু পাকিস্তানের

  • ব্যর্থতার বৃত্ত ভেঙে আলোয় উজ্জ্বল শান্ত

  • বিদায় মুখ ঢেকে যায় বিজ্ঞাপনের কবি শঙ্খ ঘোষ

  • শান্তর সেঞ্চুরিতে রাঙানো ক্যান্ডি টেস্টের প্রথমদিন

  • জীবিকার তাগিদ বোঝে না করোনা আতঙ্ক, বোঝে না লকডাউন

  • সুপার লিগে ভাঙনের সুর, চুক্তি অনুযায়ী খেলতে বাধ্য- দাবি পেরেজের

  • ক্যারিয়ারের প্রথম শতক তুলে নিলেন শান্ত

করোনাকালে চা উৎপাদনে ঈর্শ্বনীয় সাফল্য

করোনাকালে চা উৎপাদনে ঈর্শ্বনীয় সাফল্য

করোনাকালে সব কিছু স্থবির থাকলেও সচল ছিলো কৃষি খাত। দেশজুড়ে বেড়েছে উৎপাদন। অন্যতম রপ্তানি পণ্য চা উৎপাদনেও দেখা গেছে, ঈর্শ্বনীয় সাফল্য। গেলো বছর পৌনে ৭৫ হাজার টন উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রার বিপরীতে সংগ্রহ করা হয়েছে ৮৬ হাজার ৩৯০ টন চা পাতা। বছর ব্যবধানে রপ্তানি প্রবৃদ্ধি ৩ গুণের বেশি।

করোনায় প্রায় সব খাতই যখন মুখ থুবড়ে পড়ে তখন জয়জয়কার ছিলো অর্থকরী ফসল চা খাতে।

২০২০ সালে একদিনের জন্যও বন্ধ হয়নি দেশের কোনো চা বাগান। স্বাস্থ্য ঝুঁকির মধ্যেই নিয়মিত কাজ করেছেন, শ্রমিকরা। ফলে গেলো বছরে উৎপাদন হয় ৮৬ হাজার ৩৯০ টনের বেশি চা। যদিও লক্ষ্যমাত্রা ছিলো পৌনে ৭৫ হাজার টনের।

উৎপাদনের মতোই সফলতা আসে রপ্তানিতেও। গেলো বছরে বিদেশে পাঠানো হয় ২ হাজার ১শ টনের বেশি চা; যা ২০১৯ সালে ছিলো ৬শ টন। অর্থাৎ বছর ব্যবধানে প্রবৃদ্ধি ৩ গুণেরও বেশি। রপ্তানিতে সোনালী দিন ফেরাতে চা এর গুণগত মানোন্নয়নের দিকে নজর খাত সংশ্লিষ্টদের।

২০০১ থেকে ২০১০ সাল পর্যন্ত চা রপ্তানিতে বাংলাদেশের গড় আয় ছিলো ৭৩ কোটি টাকার বেশি। সর্বোচ্চ সাড়ে ৯৭ কোটি টাকা আসে ২০০৮ সালে। গেলো দশকে এই খাতের গড় আয় নামে ২২ কোটি টাকায়। সর্বোচ্চ ৩৭ কোটি ৭৩ লাখ টাকা আসে ২০১৭ সালে।

সংশ্লিষ্ট সংবাদ

সর্বশেষ সংবাদ

বিজনেস 24 খবর