channel 24

সর্বশেষ

  • লঙ্কান ঘাটিতে প্রথম আঘাত মিরাজের

  • ঈদকে সামনে রেখে ঝুঁকি নিয়ে দোকান খুলছেন গোপালগঞ্জের ব্যবসায়ীরা

  • একক দেশের সাথে ভ্যাকসিনের চুক্তি ছিল বোকামি

  • করোনার দুঃসময়ে অসুস্থতার প্রতি মুহূর্ত কাটে অজানা আতঙ্কে

  • বোরোর ফলন ভালো হলেও শ্রমিক সংকটে দুঃশ্চিন্তায় সুনামগঞ্জ ও নওগাঁর কৃষকরা

  • ২৫ এপ্রিল খুলছে দোকানপাট ও শপিংমল

  • করোনায় খেয়ে না খেয়ে দিন কাটছে পথশিশুদের

  • ভারতে ভয়াবহ হচ্ছে করোনা পরিস্থিতি, ভেঙ্গে পড়েছে স্বাস্থ্য ব্যবস্থা

  • ক্যান্ডিতে ৫০০ রানের কোটা পেরিয়েছে বাংলাদেশ

  • নানা সংকটে নাটোর সদর হাসপাতাল, নেই আইসিইউ ও সেন্ট্রাল অক্সিজেন

  • ধর্ষণ মামলার পর আত্মগোপনে বরিশাল মহানগর ছাত্রলীগ সভাপতি

  • চট্টগ্রামে ব্যাংক কর্মকর্তার আত্মহত্যা: বিচার না পাওয়ার শঙ্কায় স্বজনরা

  • মেসির জোড়া গোলে গোল উৎসব কাতালানদের

  • ৩০ এপ্রিল মাঠে ফিরছে দেশের ফুটবল

  • নারায়ণগঞ্জে গ্যাস লিকেজ থেকে আগুনে শিশুসহ দগ্ধ ১১

অতিরিক্ত মাশুলে কমছে তামাবিলের ডাম্পিং ইয়ার্ডের ব্যবহার

অতিরিক্ত মাশুলে কমছে তামাবিলের ডাম্পিং ইয়ার্ডের ব্যবহার

অতিরিক্ত মাশুলের কারণে সিলেটের তামাবিল স্থলবন্দরের ডাম্পিং ইয়ার্ড ব্যবহার করছেন না আমদানিকারকরা। বিকল্প হিসেবে ব্যক্তিগত ডাম্পিং ইয়ার্ড কিংবা বন্দরের বাইরে যত্রতত্র কয়লা ও চুনাপাথর মজুদ করা হচ্ছে। ফলে কোটি টাকার রাজস্ব হারাচ্ছে সরকার। সেই সাথে বিপর্যস্ত আশপাশের পরিবেশ। স্বল্প সময়ের মধ্যেই এ সমস্যা সমাধানের আশ্বাস, নৌ-পরিবহন প্রতিমন্ত্রীর।

ভারতের উত্তর-পূর্বাঞ্চলীয় রাজ্যগুলোর সাথে আমদানি-রপ্তানি ও যোগাযোগ সুবিধা বাড়াতে ২০১৭ সালে যাত্রা শুরু করে সিলেটের প্রথম পূর্ণাঙ্গ স্থলবন্দর, তামাবিল। এ বন্দর দিয়ে মূলত কয়লা ও পাথর আমদানি করেন দেশের ব্যবসায়িরা।

কিন্তু অতিরিক্ত মাশুল চার্জের কারণে তামাবিলের ডাম্পিং ইয়ার্ড ব্যবহারে আগ্রহী নন আমদানিকারকরা। ফলে বন্দরের বাইরে রাস্তায় কিংবা বনবিভাগের খালি জায়গায় যত্রতত্র কয়লা-পাথর ডাম্পিং করেন তারা। এতে বিপর্যস্ত আশপাশের পরিবেশ।

ব্যবসায়ীরা বলছেন, প্রতি ট্রাকে দুই হাজার টাকা মাশুল চার্জের কারণে প্রতি ফুটে পাথরের দাম বাড়ে ৮-৯ টাকা। এছাড়া স্থলবন্দরের যথাযথ সেবা না পাওয়ার কথাও জানান তারা।

দ্রুত সময়ের মধ্যেই বাড়তি শুল্ক বিষয়ক সমস্যা সমাধানের আশ্বাস দিয়েছেন নৌপরিবহন প্রতিমন্ত্রী খালিদ মাহমুদ চৌধুরী।

শুল্ক জটিলতা কাটিয়ে তামাবিল স্থলবন্দর সচল রাখা গেলে এ বন্দর দিয়ে ভারত ও ভুটান থেকে নতুন আরো অনেক পণ্য আমদানি সম্ভব বলে মনে করেন ব্যবসায়ীরা।

সংশ্লিষ্ট সংবাদ

সর্বশেষ সংবাদ

বিজনেস 24 খবর