channel 24

সর্বশেষ

  • উত্তাল মিয়ানমারে বেপরোয়া পুলিশ, নিহত আরও ১৩

  • প্রথম দফায় ভ্যাকসিন জুন-জুলাই পর্যন্ত: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

  • ভারতে সাম্প্রদায়িকতা বাড়ায় উদ্বেগ

  • সালিশের মাধ্যমে বিয়ে দেয়া বেআইনী: হাইকোর্ট

  • শ্রদ্ধা-ভালবাসায় বুদ্ধিজীবী করবস্থানে শায়িত হলেন সাংবাদিক শাহীন রেজা নুর

  • নীলফামারীতে কলেজছাত্রী রিমুর মৃত্যু নিয়ে রহস্য, পরিবারের হত্যা মামলা

  • কারাগারে নির্যাতনের শিকার রুপম কান্তি নাথের জামিন মঞ্জুর

  • প্রথম দফার ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন ১১ এপ্রিল

  • সাতকানিয়া ইউপি চেয়ারম্যান আবদুল হক হত্যাকাণ্ডে গৃহকর্মী জড়িত

  • চট্টগ্রামে ডাকাতির সময় নারীকে হত্যা মামলায় ৪ আসামীর মৃত্যুদণ্ড

  • সম্মিলিত প্রচেষ্টায় করোনা মোকাবিলায় সরকার সফল: প্রধানমন্ত্রী

  • রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যকে দ্রুত অপসারণ দাবি শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের

  • সাত বছর বয়স থেকেই পত্রিকা বিক্রি করে সংসার চালান মরিয়ম

  • কক্সবাজারে পুলিশের বিরুদ্ধে ছিনতাই ও ইয়াবা বাণিজ্যের অভিযোগ

  • ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন বাতিলে নাগরিক সমাজের আল্টিমেটাম

জাহাজ সংকটে এখনো পরীক্ষামূলক পর্যায়ে সীমাবদ্ধ বাংলাদেশ-ভারত নৌ রুট

জাহাজ সংকটে এখনো পরীক্ষামূলক পর্যায়ে সীমাবদ্ধ বাংলাদেশ-ভারত নৌ রুট

বাংলাদেশ-ভারতের মধ্যে সড়ক ও বিমানের পাশাপাশি ২০১৯ সালে শুরু হয় নৌপথে যাত্রী বাহন। তবে পরীক্ষামূলক পর্যায়েই সীমাবদ্ধ থাকে দুই দেশের সে উদ্যোগ। ক্রুজ স্বল্পতার কারণেই সফলতা আসেনি বলে জানান, নৌ-পরিবহন প্রতিমন্ত্রী খালিদ মাহমুদ চৌধুরী। বলেন, মানসম্মত ক্রুজ সংগ্রহের পর এই রুটে নিয়মিত চলবে যাত্রীবাহী নৌ-যান। এক্ষেত্রে বেসরকারি প্রতিষ্ঠানকে এগিয়ে আসার আহ্বান প্রতিমন্ত্রীর।

দীর্ঘ সত্তর বছর বন্ধ থাকার পরে ২০১৯ সালের ২৯ মার্চ পরীক্ষামূলকভাবে চালু হয় ঢাকা-কলকাতা নৌযান যাত্রীসেবা। বাংলাদেশের এমভি মধুমতি ও কলকাতার মেসার্স আরভি বেঙ্গল গঙ্গা জাহাজ দুটি বরিশাল, বাগেরহাটের মোংলা, সুন্দরবন, খুলনার আন্টিহারা ও ভারতের হলদিয়া রুট হয়ে কলকাতা ও নারায়ণগঞ্জে যাত্রী পরিবহন করে। যার উদ্দেশ্য ছিলো দুই দেশের প্রকৃতি ও দর্শনীয় স্থান দেখা।

কিন্তু দুই দেশের ক্রুজ মাত্র একবার যাতায়াতের পর বন্ধ হয়ে যায়। দ্বিতীয়বার আর চলাচল করেনি যাত্রীবাহী জাহাজ। কেন বন্ধ হলো এই উদ্দ্যোগ তা জানতে চাইলে নৌ-পরিবহন প্রতিমন্ত্রী বলেন, সরকারি সংগ্রহে কোন ক্রুজ না থাকায় আপাতত বন্ধ রয়েছে এই সেবা। তবে বিআইডব্লিউটিসি'র মাধ্যমে ক্রুজ সংগ্রহের প্রক্রিয়া চলছে বলে জানান তিনি।

আর ভারতীয় আরভি বেঙ্গল গঙ্গার এজেন্ট তাদের অভিজ্ঞতা থেকে জানান, আবারো শুরু করার ক্ষেত্রে নজর দিতে হবে সেবার মান ও ইমিগ্রেশন পদ্ধতির ওপর। এছাড়া যুক্ত করতে হবে বেসরকারি ট্যুর অপারেটরদের।

জাহাজে বাংলাদেশের ৪২ ও ভারতের ১৯ জন যাত্রী ভ্রমণ করে দুই দেশ। যেখানে নদী পথে এক দেশ থেকে অন্য দেশে পৌঁছাতে সময় লাগে ৭২ঘন্টা। বাংলাদেশ-ভারত নৌপ্রটোকল চুক্তির আওতায় পর্যটকদের যাতায়েত সুবিধার্থে এই সেবা চালু করা হয়।

 

সংশ্লিষ্ট সংবাদ

সর্বশেষ সংবাদ

বিজনেস 24 খবর