channel 24

সর্বশেষ

  • যুক্তরাষ্ট্রে করোনার টিকা প্রদান শুরু হতে পারে ১১ ডিসেম্বর

করোনায় মুখ থুবড়ে পড়েছে মানি এক্সচেঞ্জ ব্যবসা

করোনায় মুখ থুবড়ে পড়েছে মানি এক্সচেঞ্জ ব্যবসা

করোনায় প্রায় বন্ধের পথে দেশের মানি এক্সচেঞ্জ-ব্যবসা। মার্চের পর এই খাতের দৈনিক ব্যবসা নামে শূন্যের কোটায়। লকডাউন উঠে যাবার পরেও মানুষজনের ভ্রমন বন্ধ থাকায় যা বাড়েনি আর। ফলে বন্ধের শঙ্কায় বহু প্রতিষ্ঠান। এমন অবস্থায় ব্যবসা টিকিয়ে রাখতে সরকারের পক্ষ থেকে নীতি সহায়তা দেয়ার পরামর্শ বিশ্লেষকের।

গেল ৮ বছরেই এতটা খারাপ সময় আর আসেনি শামিম হোসেনের। রাজধানীর অভিজাত পাড়া গুলশানে মুদ্রা বিনিময়ের ব্যবসা তার। করোনার আগের দৈনিক ২০ থেকে ২৫ হাজার ডলারের বেচা-কেনা এখন নেমেছে প্রায় শূন্যে। 

রাজধানীর প্রায় সব মানি এক্সচেঞ্জ প্রতিষ্ঠানেই। এমনকি দিলকুশার যেই রাস্তার নামই মানুষের মুখে মুখে ডলারের গলি সেখানেও ক্রেতার দেখা নেই। বিক্রেতাদের সময় কাটে গল্পে-আড্ডায়। লোকসান বাড়তে থাকায় বেশিরভাগেরই এখন ব্যবসা টিকিয়ে রাখাই দায়। অবশ্য চাহিদা কমলেও বাজারে কমছে না বৈদেশিক মুদ্রার বিনিময় মূল্য। প্রতি ডলারের জন্য গ্রাহকদের গুনতে হচ্ছে ৮৬ টাকার বেশি। 

বিশ্লেষকরা বলছেন, দাম স্থিতিশীল রাখতেই ডলার কিনছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক। মানি এক্সচেঞ্জের ব্যবসা টিকিয়ে রাখতে তাদের পরামর্শ সরকারি সহায়তার।

১৯৯৭ সালে দেশে প্রথম মানি চেঞ্জার প্রতিষ্ঠানের নিবন্ধন দেয় বাংলাদেশ ব্যাংক। বর্তমানে এই নিবন্ধন রয়েছে ২৩৪টি প্রতিষ্ঠানের।

 

সংশ্লিষ্ট সংবাদ

সর্বশেষ সংবাদ

বিজনেস 24 খবর