channel 24

সর্বশেষ

  • ডিআরইউ'র নতুন সভাপতি মুরসালিন নোমানী, সাধারণ সম্পাদক মসিউর

  • শিগগিরই ভাসানচরে যাচ্ছে ৫০০ রোহিঙ্গা পরিবার

  • ভারতে অমিত শাহ'র শর্ত নাকচ করে বিক্ষোভ চালিয়ে যাওয়ার ঘোষণা কৃষকদের

  • নদীতে 'খাঁচায় মাছ চাষ' করে স্বাবলম্বী সাইফুল

  • পি কে হালদারকে দেশে ফেরাতে ইন্টারপোলে দুদকের চিঠি

  • সশস্ত্র বাহিনী বিভাগের নবনিযুক্ত প্রিন্সিপাল স্টাফ অফিসারকে র‍্যাংক ব্যাজ পরিধান

  • ১০ বছর ধরে সবজি বিক্রি করে সংসার চালান লিপিকা

  • নাইজেরিয়ায় বোকো হারামের হামলায় নিহতের সংখ্যা বেড়ে ১১০ জনে

  • মানহানী মামলায় বোয়ালখালী থানার ওসিসহ ১১ জনের বিরুদ্ধে সমন জারি

  • কক্সবাজারে ডাকাত দলের ৬ সদস্য গ্রেপ্তার

  • করোনায় দেশে আরও ৩৫ জনের মৃত্যু, আক্রান্ত ২৫২৫

  • পোল্যান্ডে বাড়ছে করোনা সংক্রমণ, আক্রান্ত হচ্ছেন বহু বাংলাদেশি

  • আয়কর রিটার্ন দেয়ার সময় এক মাস বাড়লো

  • অপরাজেয় থাকার লক্ষ্যে বরিশালের মুখোমুখি চট্টগ্রাম

  • আসানসোলে গ্রামের একমাত্র হিন্দুর শেষকৃত্য করলেন মুসলিম প্রতিবেশীরা

মিনিয়েচার খেলনা খাতে বাড়ছে বিদেশি বিনিয়োগ, রপ্তানি হচ্ছে ইউরোপ-আমেরিকায়

মিনিয়েচার খেলনা খাতে বাড়ছে বিদেশি বিনিয়োগ, রপ্তানি হচ্ছে ইউরোপ-আমেরিকায়

তুলনামূলক বেশি কর্মসংস্থান আর বিশ্ববাজারে ঊর্ধ্বমুখী চাহিদার কারণে বাংলাদেশে বিনিয়োগের বড় ক্ষেত্র মিনিয়েচার খেলনা। এরই মধ্যে এই খাতে মোটা বিনিয়োগ করেছে একাধিক বিদেশি প্রতিষ্ঠান। যারা রপ্তানি করছে ইউরোপ, আমেরিকা, জাপানের মতো দেশে। এ নিয়ে সামনের দিনগুলোতেও তাদের পরিকল্পনা আরো বড়। আর সম্ভাবনা কাজে লাগাতে অর্থনৈতিক অঞ্চলগুলোতে বাড়তি সুযোগ তৈরির পক্ষে বেজা।

২০১৭ সালে শুরু আনুষ্ঠানকি যাত্রা। এরপর তিন বছরে প্রতিষ্ঠানটিতে যুক্ত হয়েছেন ১২শ' কর্মী। যারা ইউরোপ, আমেরিকা, জাপানের মতো বিশ্বসেরা অর্থনীতির দেশগুলোর জন্য তৈরি করছেন যুদ্ধ বিমান, গাড়ি থেকে শুরু করে ডাইনোসর, কিংকংয়ের মতো জনপ্রিয় সব চরিত্র। 

হাতের কারুকাজ থেকে শুরু করে নকশা কিংবা নির্মাণ প্রক্রিয়া এতোটাই নিখুঁত যে বোঝার উপায় নেই এগুলো খেলনা নাকি সত্যিকারের। বেসরকারি অর্থনৈতিক অঞ্চল বে ইকোনোমিক জোনে ২০০ কোটি টাকার বেশি বিনিয়োগে গড়ে উঠেছে মেইগো বাংলাদেশ নামের কারখানা। নিজ দেশের বাইরে ইন্দোনেশিয়া, এরপর তৃতীয় উৎপাদন ইউনিট বাংলাদেশে বসিয়েছে চীনা প্রতিষ্ঠানটি। যারা বিশ্ববাজার দখলেও রয়েছে প্রথম দশের মধ্যে। 

তৈরি পোশাক, চামড়া কিংবা অন্যান্য পণ্যের সাথে খেলনাও এখন বাংলাদেশের অন্যতম রপ্তানি পণ্য। সবশেষ অর্থবছরেও এই পণ্য থেকে আয় হয়েছিল সোয়া তিন কোটি ডলারের বেশি। যদিও বাজার দখলে তা একেবারেই কম। কারণ টয় অ্যাসোসিয়েশনের হিসেবে, ২০১৯ সালে সারা বিশ্বের খেলনা বিক্রি হয়েছিল ৯০০০ কোটি ডলারের ওপরে।

বে ছাড়াও একাধিক অর্থনৈতিক অঞ্চলে তৈরি হচ্ছে মূল্য সংযোজনী এসব রপ্তানি পণ্য। আরো সম্ভাবনার জায়গা হলো, এই খাতে কর্মসংস্থানের আনুপাতিক হার তুলনামূক বেশি।

সংশ্লিষ্ট সংবাদ

সর্বশেষ সংবাদ

বিজনেস 24 খবর