channel 24

সর্বশেষ

  • প্রবাসী আয়ে প্রণোদনা দ্বিগুণের প্রস্তাব

  • নেপালে ভয়াবহ আকারে বাড়ছে করোনা সংক্রমণ

  • হতদরিদ্রদের মাঝে স্বেচ্ছাসেবক লীগের ঈদ উপহার বিতরণ

  • পশ্চিমবঙ্গে নির্বাচন পরবর্তী সহিংসতায় ১৬ জন নিহত

  • আইপিএল মাঠে ফেরাতে উঠেপড়ে লেগেছে বিসিসিআই

  • শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে অনিশ্চিত কোয়ারেন্টিনে থাকা সাকিব-মোস্তাফিজ

  • অনিশ্চয়তায় বসুন্ধরা কিংসের এএফসি কাপ অভিযান

  • মেয়াদের শেষ দিনে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে শতাধিক নিয়োগ উপাচার্যের

  • শর্তের বেড়াজালে খালেদা জিয়ার বিদেশে চিকিৎসা

  • করোনায় আরও ৪১ জনের মৃত্যু, নতুন শনাক্ত ১৮২২

  • ২২ দিন পর রাজধানীতে চালু হলো বাস

  • ঈদ বাজারে উপেক্ষিত সামাজিক দুরত্ব

  • স্থগিত হতে পারে এএফসি কাপ

  • বরিশালে ভাসমান মানুষকে এক বেলা খাবার দিচ্ছেন গণমাধ্যমকর্মীরা

  • গ্রাহক সেবা নিশ্চিতে সচেতন বিমা উন্নয়ন ও নিয়ন্ত্রণ কতৃপক্ষ

এলএনজি দিয়ে বিদ্যুৎ উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা বাড়াচ্ছে সরকার

এলএনজি দিয়ে বিদ্যুৎ উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা বাড়াচ্ছে সরকার

কয়লা থেকে সরে এলেও, আরো দামি জ্বালানি এলএনজি দিয়ে বিদ্যুৎ উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা বাড়ছে সংশোধিত মহাপরিকল্পনায়। বিদ্যুৎ প্রতিমন্ত্রী বলছেন, পরিবেশ বান্ধব এবং তুলনামূলক কম সময়ে উৎপাদনে আসে বলে এর বিকল্প নেই সরকারের হাতে। যদিও পুরোপুরি এই যুক্তির পক্ষে নন বিশেষজ্ঞরা। তাদের মতে, এমনিতেই বাড়তি বিদ্যুৎ আছে সরকারের হাতে। তাই, নতুন বড় প্রকল্পের চিন্তা বাদ দিয়ে বরং মনোযোগী হওয়া দরকার নবায়নযোগ্য উৎসের ব্যবহারে।

এই মুহূর্তে সরকারের হাতে বাড়তি যে বিদ্যুৎ আছে, তাতে প্রয়োজন নেই নতুন কেন্দ্রের। তবু পিডিবির হিসাবে, চলতি বছরে যুক্ত হওয়ার কথা আড়াই হাজার মেগাওয়াট; পরের বছরও একই পরিমাণ। এমন বাস্তবতায়, কয়লা থেকে সরে পরিকল্পনা করা হচ্ছে আরো দামী, আমদানি করা এলএনজি দিয়ে উৎপাদনের।

মহাপরিকল্পনায়, কয়লা থেকে যে পরিমাণ বিদ্যুৎ আসার কথা ছিল, তাই সরকার আনবে এলএনজি পুড়িয়ে। সেক্ষেত্রে, ২০২৫ সাল পর্যন্ত পরিকল্পনায় থাকা সাড়ে চার হাজার মেগাওয়াটের সাথে নতুন যুক্ত হবে আরো সাড়ে ১৪ হাজারের বেশি। আর এসব কেন্দ্র চালাতে প্রতি বছর জ্বালানি আমদানি বাবদ ব্যয় করতে হবে বিপুল অর্থ। তাহলে কেনো এই সিদ্ধান্ত?

এলএনজির বাইরে বড় বিকল্প হতে পারতো নবায়নযোগ্য জ্বালানি। কারণ, হিসাব বলছে, কেবল পরিকল্পনায় থাকা কয়লা বিদ্যুতের জন্য নির্ধারিত জায়গা ব্যবহার করেই উৎপাদন সম্ভব প্রায় সাড়ে ছয় হাজার মেগাওয়াট সৌর বিদ্যুৎ। যদিও, দীর্ঘমেয়াদে সরকারি লক্ষ্যমাত্রাই অনেকখানি ছোট। এছাড়া, নেপাল, ভূটানে বিনিয়োগ বাড়িয়েও আমদানি করা যেতো তুলনামূলক সস্তা বিদ্যুৎ। যাতে সাশ্রয় হতে পারতো মোটা অঙ্কের অর্থ।

সারাদেশে জরিপ করে প্রায় ৪০ হাজার মেগাওয়াট নবায়নযোগ্য বিদ্যুৎ উৎপাদনের হিসেব পেয়েছে সরকারি সংস্থা স্রেডা এবং ইউএনডিপি। বিশেষজ্ঞরা মনে করেন, গ্যাস, তেল কিংবা কয়লার চেয়ে বরং মনোযোগী হওয়া দরকার সেদিকে।

সংশ্লিষ্ট সংবাদ

সর্বশেষ সংবাদ

বিজনেস 24 খবর