channel 24

সর্বশেষ

  • মধ্যরাত থেকে যেসব এলাকায় মোটরসাইকেল চলাচল বন্ধ

  • যশোরে স্বতন্ত্র প্রার্থীর কর্মীদের হামলায় নৌকার ২০ কর্মী আহত

  • পান্থপথে ময়লার গাড়ির ধাক্কায় মৃত্যু : ডিএনসিসির সেই চালক গ্রেপ্তার

  • রোহিঙ্গা ক্যাম্পের ক্রমবর্ধমান সহিংসতা সীমান্তের বাইরেও ছড়িয়ে পড়তে পারে: প্রধানমন্ত্রী

  • আমতলীতে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় চেয়ারম্যান রাফেজা বেগম

  • ২২ কোটি টাকা লোকসানের বোঝা মাথায় নিয়ে আখ মাড়াই শুরু

  • শেরপুরে আ.লীগ নেতাকে বহিষ্কারের দাবিতে মহাসড়ক অবরোধ

  • করোনার নতুন ধরন ‘ভয়ংকর’, দেশে দেশে সতর্কতা

  • আকর্ষণীয় বেতনে চাকরি দিচ্ছে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়

  • নতুন সময়ে মাঠে গড়াবে দ্বিতীয় দিনের খেলা

  • সন্ত্রাসীদের কোনো ধর্ম নেই: ভারতের হাইকমিশনার

  • চরের অবশিষ্ট মানুষকে দ্রুত বিদ্যুৎ দিতে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশ

  • যাদের কারণে হুমকির মুখে শোয়েবের ১৮ বছরের রাজত্ব

  • পাকিস্তান ম্যাচ শুরুর আগে ভয়ে কাঁপছিলেন কোহলিরা: ইনজামাম

  • মারা গেলেন পৃথিবীর প্রবীণতম নারী

কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎ উৎপাদন থেকে সরে আসছে সরকার

কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎ উৎপাদন থেকে সরে আসছে সরকার

বেসরকারি খাতে কাঙ্ক্ষিত অগ্রগতি না হওয়ায়, কয়লা বিদ্যুৎ উৎপাদন থেকে সরে আসছে সরকার। পরিকল্পনায় থাকা ২২ প্রকল্প নামিয়ে আনা হচ্ছে ৭টিতে। প্রতিমন্ত্রী বলছেন, এই মুহূর্তেই সিদ্ধান্ত না নিলে, সঙ্কটে পড়তে হবে দীর্ঘমেয়াদে। তবে, কাজ বন্ধ হবে না চলমানগুলোর। বিশেষজ্ঞরা মনে করেন, পরিবেশ কিংবা অবকাঠামো বিবেচনায়, যৌক্তিক সিদ্ধান্ত নিচ্ছে সরকার।

দ্বীপ উপজেলা মহেশখালির মাতারবাড়ি এলাকা এখন চেনাই কঠিন। সমুদ্রপৃষ্ঠের প্রায় সমতলে থাকা জলাভূমিকে; দশ মিটার উঁচু করে নির্মিত হচ্ছে ১৩শ ২০ মেগাওয়াট ক্ষমতার কয়লা বিদ্যুৎকেন্দ্র। যা উৎপাদনে আসবে ২০২৪ সালে। এমন আরো কয়েকটি প্রকল্প ঘিরে বাস্তবায়ন হওয়ার কথা ছিল বিদ্যুৎখাতের মহাপরিকল্পনা। কিন্তু, সেখানেই বড় বদল আনতে হচ্ছে মাঝপথে গিয়ে।

২০৪১ সাল নাগাদ সরকারি বেসরকারি মিলিয়ে নির্মাণের কথা ছিল ২২টি কয়লা বিদ্যুৎকেন্দ্র। যার উৎপাদন ক্ষমতা সোয়া ২৩ হাজার মেগাওয়াট। এর মধ্যে বেসরকারি ৭টি থেকে লক্ষ্যমাত্রা  ছিল সাড়ে চার হাজারের বেশি। অথচ, কাজ শুরু করতে পারেনি কোনোটিই। এমনকি প্রত্যাশিত গতি নেই সরকারি পর্যায়েও। সেই অজুহাতে কয়লার পরিকল্পনা ছোট করছে সরকার।

কয়লা থেকে উৎপাদন কমানোর আরো বড় অজুহাত পরিবেশ। যা নিয়ে আগে সমালোচনা হলেও, কান দেয়নি সরকার। তবে, এই ব্যবস্থা থেকে সরে আসলে আগামী পাঁচ বছরে বড় ঘাটতি তৈরি হবে উৎপাদনের। যা মেটাতে নির্ভরতা বাড়বে অন্য জ্বালানিতে। এছাড়া, কয়লা অবকাঠামো নির্মাণ করে আমদানি ও সরবরাহ ব্যবস্থা উন্নত করতে, আনতে হবে বড় বিনিয়োগ। যেখানে আগ্রহ কমেছে বেসরকারি খাতের। তাই, সেই চাপও একা কাঁধে নিতে চাইছে না সরকার।

বর্তমানে সাড়ে ৪২ হাজার কোটি টাকা খরচে, কাজ চলছে ১০টি কয়লা বিদ্যুৎকেন্দ্রের। এই মুহূর্তেই একাধিক প্রকল্পের নির্মাণ থেকে সরে এলেও সাশ্রয় হবে বিপুল অর্থ।

সংশ্লিষ্ট সংবাদ

সর্বশেষ সংবাদ

বিজনেস 24 খবর