channel 24

সর্বশেষ

  • যাবজ্জীবন সাজা: বিয়ে করলেই মিলবে জামিন- হাইকোর্ট

  • এক টুর্নামেন্ট দিয়ে ক্রিকেটারদের মূল্যায়ন সম্ভব নয়: কোচ ডমিঙ্গো

  • শুরু হলো দুর্গাপূজা, স্বাস্থ্যবিধি মেনে ভক্তদের আরাধনা

  • কাল শুরু ফুটবল দলের ক্যাম্প

  • বৃষ্টির শঙ্কায় দুদিন পিছিয়ে প্রেসিডেন্টস কাপের ফাইনাল রোববার

  • রোনালদো ফের করোনা পজিটিভ

  • সেন্টমার্টিনে আটকা পড়লো সাড়ে চারশো পর্যটক

  • বরের বয়স ৯৫, কনের ৮০!

  • টাঙ্গাইলে কলেজ ছাত্রী গণধর্ষণ মামলায় এখনও কেউ গ্রেপ্তার হয়নি

  • রোহিঙ্গাদের জন্য ৩৫ কোটি ডলার সহায়তার প্রতিশ্রুতি

  • গাজীপুরে পোশাক শ্রমিককে গণধর্ষণের ঘটনায় আটক ৫

  • খোরাকি ভাতা মেনে নেয়ার প্রতিশ্রিতেত নৌ-ধর্মঘট প্রত্যাহার

  • পরীক্ষা ছাড়া উপরের শ্রেণিতে উঠার সিদ্ধান্ত মন্দের ভালো, বলছেন শিক্ষাবিদরা

  • জলপাইয়ের তেল বা অলিভ অয়েলের উপকারিতা

  • মালচিং পদ্ধতিতে চাষাবাদ

মালয়েশিয়ার শ্রমবাজারে অনিয়ম

মালয়েশিয়ার শ্রমবাজারে অনিয়ম

দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার দেশ মালয়েশিয়ায় মোট জিডিপির ১২ শতাংশই আসে কৃষি খাত। যেখানে কাজ করেন বাংলাদেশ, ভারত, মিয়ানমারসহ এশিয়ার অসংখ্য শ্রমিক। কিন্তু অভিযোগ আছে, এই খাতে কাজ করা শ্রমিকদের বড় একটা অংশই আনা হয় পাচারের মাধ্যমে। এমনকি, শর্ত থাকার পরও দেয়া হয় না নিয়মিত বেতন-ভাতা। এসব নিয়ে পুলিশে অভিযোগ করলেও, মেলে না সমাধান।

পাম অয়েল উৎপাদনে এশিয়ায় নেতৃত্ব দিচ্ছে মালয়েশিয়া। ২০১৯ সালে যাদের মোট উৎপাদন ছিল প্রায় ২ কোটি টন। দেশটির রপ্তানি আয়ের বড় একটা অংশও আসে এই খাত থেকে। তেলের পাশাপাশি অভ্যন্তরীণ অর্থনীতিতে বড় অবদান রাখছে রাবার ও কোকো চাষ। দেশটির হিসেবে, জিডিপির ১২ শতাংশই আসে এই তিন কৃষি পণ্য থেকে।

তবে দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার দেশটির অর্থনৈতিক উজ্জ্বলতার পেছনে লুকিয়ে আছে ভিন্ন এক চিত্র। এসব খাতে কাজ করা শ্রমিকদের অভিযোগ, বড় একটা অংশই আসেন পাচারের মাধ্যমে। আছে, জোরপূর্বক নিয়োগের অভিযোগও।

রেইনফরেস্ট অ্যাকশন নেটওয়ার্কের গেমা তিলক বলেন, এখানে কৃষি কাজের আড়ালে বেশ সক্রিয় মানবপাচারকারীরা। ভিসা ও কাজের প্রলোভনে বিভিন্ন দেশ থেকে অবৈধ পথে মানুষ ঢোকানো হচ্ছে প্রতি বছর। পর্যটকদের আটকে রেখেও টাকা হাতিয়ে নেয় মানবপাচারকারীরা। জোরপূর্বক নিয়োগ দেয়া হয় চাষের কাজে। অধিকাংশ ক্ষেত্রে পরিত্যক্ত জমিতে কৃষি কাজ করায় প্রচুর শ্রম দিতে হয় তাদের।

নিয়োগের বাইরেও বড় অভিযোগ আছে নিয়মিত পারিশ্রমিক নিয়ে। অনেকের অভিযোগ, জমি মালিকের সাথে চুক্তি থাকার পরও দেয়া হয় না বেতন-ভাতা।

গেমা তিলক বলেন, উৎপাদিত কৃষি পণ্য বিক্রির মাধ্যমে প্রতি বছরই ভূমি মালিকদের মুনাফার পরিমাণ বাড়ছে। তবে বছরের পর বছর শ্রমিকদের নিয়মিত বেতন পরিশোধ করেন না তারা।

ভ্যানাক আনুন নামে পাম বাগানের এক কর্মী বলেন, পাম বাগানে কৃতদাসের মতোই কাজ করতাম। সকাল থেকে সন্ধ্যা থেকে পর্যন্ত কঠোর শ্রম দিলেও পারিশ্রমিক পাইনি। পুলিশের কাছে অভিযোগ করেও কোনো সমাধান হয়নি।

করিম নামে এক বাংলাদেশি কর্মী বলেন, প্রতি মাসেই পারিশ্রমিক চেয়েছি। বেতনের পরিবর্তে বার বার হুমকি দেন তারা।

বর্তমানে মালয়েশিয়ায় কৃষি খাতে কাজ করছেন বাংলাদেশ, ভারত, নেপাল, ফিলিপাইন্স, কম্বোডিয়া, মিয়ানমারসহ এশিয়ার বেশ কয়েকটি দেশের মানুষ।

সংশ্লিষ্ট সংবাদ

সর্বশেষ সংবাদ

বিজনেস 24 খবর