channel 24

সর্বশেষ

  • রোহিঙ্গা পুনর্বাসনে বাড়তে পারে জয়েন্ট রেসপন্স প্ল্যানের মেয়াদ

  • ময়মনসিংহ সদর থানায় পুলিশের বিশেষ সেবা চালু

  • দ্বিতীয় দিনের মতো চলছে পণ্যবাহী নৌযান শ্রমিকদের ধর্মঘট

  • রায়হান হত্যায় এখনও ধরাছোঁয়ার বাইরে অভিযুক্ত এসআই আকবর

  • তেজগাঁওয়ে এপেক্সের টায়ার কারখানায় আগুন নিয়ন্ত্রণে

  • বাইডেন ক্ষমতায় এলে যুক্তরাষ্ট্রের জ্বালানি শিল্প ধ্বংস হয়ে যাবে: ট্রাম্প

  • রাজধানী জুড়ে সকাল থেকে বৃষ্টি, দুর্ভোগে মানুষ

  • করোনার হানায় স্থগিত যুব দলের ক্যাম্প

  • ৩৬ সদস্যের বাংলাদেশ ফুটবলের প্রাথমিক দল ঘোষণা

  • প্রেসিডেন্টস কাপে কাল তামিমের বাঁচা-মরার লড়াই

  • সম্রাটের বিরুদ্ধে মাদক ও অস্ত্র মামলায় চার্জ গঠন ৩০ নভেম্বর

  • বিশ্বে এক একর জায়গার মধ্যে সবচেয়ে বেশি মানুষের বসবাস লালবাগে

  • এজেন্ট না দিয়ে ভোটকে বিতর্কিত করার চেষ্টা করে বিএনপি: কাদের

  • পেয়ারা ও পেঁপে বাগান করে স্বাবলম্বী প্রতিবন্ধী কৃষক এরশাদ

  • পাবনার চলনবিলে চলছে শামুক নিধনের মহোৎসব

দেশের তিন ব্যাংকে সন্দেহজনক ৮ লাখ ডলারের বেশি লেনদেন

দেশের তিন ব্যাংকে সন্দেহজনক ৮ লাখ ডলারের বেশি লেনদেন

২০১৪ থেকে ২০১৬ সালের মধ্যে বাংলাদেশের সরকারি-বেসরকারি একাধিক ব্যাংকের মাধ্যমে ৮টি লেনদেনকে সন্দেহজনক হিসেবে চিহ্নিত করেছে অনুসন্ধানী সাংবাদিক জোট আইসিআইজে। যার মাধ্যমে লেনদেন হয়েছে আট লাখ ৩২ হাজার ৯৩৭ ডলার।

বিশ্বের বিভিন্ন দেশের ব্যাংকের মাধ্যমে দুই ট্রিলিয়ন ডলারের বেশি সন্দেজনক আর্থিক লেনদেনের তথ্য দিয়েছে অনুসন্ধানী সাংবাদিকদের জোট ইন্টারন্যশনাল কনসোর্টিয়াম অব ইনভেস্টিগেটিভ জার্নালিস্ট- আইসিআইজে। এরমধ্যে বাংলাদেশ থেকে যাওয়া এবং আসা আটটি লেনদেনের তথ্য দেয় সংগঠনটি। যার পরিমাণ আট লাখ ৩২ হাজার ৯৩৭ ডলার। লেনদেনগুলো হয় ২০১৪ থেকে ২০১৬ সালে।

আইসিআইজের তথ্য অনুযায়ী, এই সময়ে অন্য দেশ থেকে বাংলাদেশের ব্যাংকগুলোতে এসেছে তিন লাখ ৩৭ হাজার ৭৩৩ ডলার। যার তিন লাখ ৩৬ হাজার ১৩৩ ডলারই ঢুকেছে ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশের অ্যাকাউন্টে। একই রকমের সন্দেহ রয়েছে সোশ্যাল ইসলামি ব্যাংকের ১৬০০ ডলারের একটি লেনদেনে। অন্যদিকে চারটি লেনদেনে বাংলাদেশের রূপালী ব্যাংক থেকে জার্মানির ডয়চে ব্যাংকের অ্যাকাউন্টে চার লাখ ৯৫ হাজার ডলার স্থানান্তর হয়েছিল।

বাংলাদেশ ব্যাংকের সাবেক ডেপুটি গভর্নর খোন্দার ইব্রাহিম খালেদ বলছেন, এই ঘটনা দেশের অর্থ পাচার ঠেকানোর দায়িত্বে থাকা সংস্থাগুলোর অবহেলার পরিচয়।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ব্যাংকিং অ্যান্ড ইন্স্যুরেন্স বিভাগের চেয়ারম্যান বলছেন, দেশে যে পরিমাণ অর্থ পাচার হয়, তার তুলনায় এ অর্থ সামান্য। তাই, পূর্ণাঙ্গ তদন্ত করে দোষিদের নাম প্রকাশসহ বিচারের মুখোমুখি করার পরামর্শ তার।

অর্থ পাচার রোধে ব্যাংকসহ নিয়ন্ত্রণ সংস্থাগুলোকে আরো সজাগ থাকারও তাগিদ দেন তিনি।

বিস্তারিত দেখুন ভিডিও লিংকে:

সংশ্লিষ্ট সংবাদ

সর্বশেষ সংবাদ

বিজনেস 24 খবর