channel 24

সর্বশেষ

  • ক্রীড়াবিদদের চাকরির কোটা ফেরাতে বাণিজ্য মন্ত্রীর ইতিবাচক সাড়া

  • নারায়ণগঞ্জে মান্নার গাড়ি বহরে হামলা, আহত ২০

  • বাফুফে সহসভাপতি নির্বাচনে কাজের মূল্যায়নে কাউন্সিলরদের সমর্থন চান তাবিথ-মহী

  • দাঁতের চিকিৎসা দেন তৃতীয় শ্রেণি পাশ শ্বশুর, সহকারী তার জামাই!

  • রাজধানীতে কিশোর গ্যাং-পারভেজ গ্রুপের ৭ সদস্য গ্রেপ্তার

  • রাজধানীর পাইকারি বাজার থেকে আলু উধাও

  • নির্যাতনে রায়হানের মৃত্যু: ৩ পুলিশ সদস্যের আদালতে জবানবন্দি

  • আলু উৎপাদনে খরচ কমায় 'পটাটো হার্ভেস্টর'

  • মানবদেহে রক্ত চলাচল স্বাভাবিক রাখে করমচা

  • পাঁচ দফার বন্যায় রংপুরে ফসলের ক্ষতি ৩২৫ কোটি টাকা

  • শিগরই ভেঙে দেওয়া হচ্ছে চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির কমিটি

  • শিখা থেকে আসছে ইমরানের দুটি বই

  • বান্দরবানে যুবতীকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের অভিযোগে গ্রেপ্তার ২

  • দেশে করোনায় আরও ২১ জনের মৃত্যু

  • সুবিধাবঞ্চিত শিশুদের দুই টাকায় পোশাক দিচ্ছে 'যাত্রী ছাউনি'

দফায় দফায় সংশোধনীতে বাড়ছে প্রকল্প খরচ

দফায় দফায় সংশোধনীতে বাড়ছে প্রকল্প খরচ

কোনোমতে প্রকল্প অনুমোদন করিয়ে দফায় দফায় সংশোধনের প্রবণতা বাড়ছে বাস্তবায়নকারী সংস্থাগুলোর। ফলে, খরচ গিয়ে ঠেকছে কয়েকগুণ বেশিতে। লাগছে বাড়তি সময়ও। এই বাস্তবতাকে স্বীকার করে পরিকল্পনা মন্ত্রী ও কমিশন বলছে, দক্ষতার সাথে যাচাই বাছাই না করে প্রকল্প নেয়ায় তৈরি হয়েছে এমন অবস্থা। যার কারণে গচ্চা যাচ্ছে বিপুল অর্থও।

জাহাজ থেকে আমদানি করা তেল খালাসের সময় ও খরচ বাঁচাতে ২০১৫ সালে হাতে নেয়া হয় গভীর সমুদ্রে সিঙ্গেল পয়েন্ট মুরিং স্থাপন প্রকল্প। প্রায় পাঁচ হাজার কোটি টাকার এই প্রকল্প ২০১৮ সালে শেষ হওয়ার কথা থাকলেও আটকে যায় নানা জটিলতায়। ফলে, দুই দফায় বাস্তবায়ন মেয়াদ বাড়ে ২০২২ সাল পর্যন্ত। সেই সাথে সবশেষ সংশোধনীতে ৩৩ শতাংশ খরচ বেড়ে দাঁড়ায় সাড়ে ছয় হাজার কোটির ওপরে।

বাংলাদেশে প্রকল্প নেয়ার পর তা কয়েক দফা সংশোধনের ইতিহাস পুরোনো। কিন্তু, সেই প্রবণতা বাড়ছে সময়ের সাথে পাল্লা দিয়ে। যেমন, চলতি অর্থবছরের প্রথম দুই মাসে অনুষ্ঠিত একনেক সভাগুলোর পর্যালোচনা বলছে, মোট অনুমোদিত ৫২টি প্রকল্পের মধ্যে ২২টিই ছিল সংশোধিত। যেগুলোর মূল ব্যয় সোয়া ১৮ হাজার কোটি টাকা থাকলেও, তা বেড়ে দাঁড়ায় ৩১ হাজার কোটির ওপরে।

করোনার কারণে, চলতি অর্থবছরে এডিপি থেকে কমানো হয় প্রকল্পের সংখ্যা। কিন্তু, তার মধ্যেও বড় একটা অংশ ঝুলছে বছরের পর বছর। অন্যদিকে, দেড় হাজারের ওপরে প্রকল্প থাকলেও, অর্থবছর শেষে সমাপ্ত হওয়ার লক্ষ্যমাত্রা চারশর নিচে। উন্নয়ন কাজের এমন অব্যবস্থাপনা আর পরিকল্পনার অদক্ষতার কথা স্বীকার করছে সরকারও। তবে, বিশেষজ্ঞরা বলছেন, অতিরিক্ত খরচ আর বাড়তি সময়ের কারণে, প্রকল্প থেকে আসে না প্রত্যাশিত প্রাপ্তি।

এমন বাস্তবতায়, সামনের দিনগুলোতে প্রকল্প যাচাই বাছাইয়ে আরো সতর্ক হতে চায় সরকার।

সংশ্লিষ্ট সংবাদ

সর্বশেষ সংবাদ

বিজনেস 24 খবর