channel 24

সর্বশেষ

  • চাঁপাইনবাবগঞ্জে ভূমি অফিসের দুর্নীতিতে অতিষ্ঠ সেবা গ্রহিতারা

  • মৌলভীবাজারে অবৈধ মজুদকৃত ৭০ টন পলিথিন জব্দ

  • কুষ্টিয়ায় শতকোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত বাঁধেও থামানো যাচ্ছে না নদীভাঙন

  • মহাখালীতে হচ্ছে ১০০০ শয্যার আইসোলেশন সেন্টার

  • সরকারি চাকরি যেন আলাদিনের চেরাগ

  • গাইবান্ধায় ১৭৪ বস্তা সরকারি চালসহ আটক ২

  • ট্রান্সকম গ্রুপের চেয়ারম্যান লতিফুর রহমানের দাফন সম্পন্ন

  • দেশে করোনার ভ্যাকসিন আবিষ্কারের দাবি গ্লোব বায়োটেকের

  • এন 95 মাস্ক সরবরাহে দুর্নীতি, ৫ জনকে দুদকে তলব

  • শতবর্ষে পদার্পণের দিনে বিশ্বে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সুনাম ফেরানোর আশা

  • শেখ হাসিনা মেডিকেল কলেজে জমি দিয়ে ৫ বছরেও ক্ষতিপূরণ পায়নি মুক্তিযোদ্ধা আব্দুর রশীদ

  • 'হলি আর্টিজান হামলার পর হাজারের বেশি জঙ্গি আইনের আওতায়'

  • বিদায় বিজনেস টাইকুন লতিফুর রহমান

  • কলা গাছের পানামা রোগ দমনের কৌশল

  • বৈজ্ঞানিক পদ্ধতিতে মাশরুম চাষ

করোনা মহামারিতেও থেমে নেই রূপপুর পরমাণু বিদ্যুৎ প্রকল্পের কাজ

করোনা মহামারিতেও থেমে নেই রূপপুর পরমাণু বিদ্যুৎ প্রকল্পের কাজ

সময়মতো শেষ না করা মানে বহুগুণ বেড়ে যাবে প্রকল্প ব্যয়। তাই করোনা মহামারিতে কঠোর স্বাস্থ্যবিধি মেনে, রূপপুর পরমাণু বিদ্যুৎ প্রকল্পে কাজ করছেন ৮ হাজার দেশি-বিদেশী প্রকৌশলী আর শ্রমিক। বিজ্ঞানমন্ত্রী বলছেন, সময়মতো কাজ শেষ করার জন্যই মহামারিতেও নিয়ন্ত্রিতভাবে কাজ চলছে। অন্যদিকে প্রকল্প পরিচালক জানান, এই বছরের শেষেই, বসবে পরমাণু চুল্লির প্রধান প্রযুক্তিগত যন্ত্র- রিয়াক্টর ভেসেল।

এই মহামারিতেও, চলতি মাসের মাঝামাঝি ১৯৩ জন নির্মাণ প্রকৌশলী, বিশেষজ্ঞ আর শ্রমিক রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ প্রকল্পের কাজে এসেছেন রাশিয়া থেকে। যেখানে কাজ করেন

দেশি-বিদেশি ৮ হাজার জন। এখন যারা বাইরে থেকে আসেন, তাদের থাকতে হয় ১৪ দিনের কোয়ারেন্টিনে।

মার্চ থেকে মে, তিন মাসে পরিকল্পনা অনুযায়ী এগিয়েছে চুল্লির কাজ। নিউক্লিয়ার আইল্যান্ডে দুটি ইউনিটের একটিতে মাটি থেকে ৩৫ মিটারের বেশি অবকাঠামো এখন দৃশ্যমান।

বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিমন্ত্রী স্থপতি ইয়াফেস ওসমান বলছেন, মহামারীতেও নির্ধারিত সময়ে কাজ শেষের চ্যালেঞ্জ নিতে হচ্ছে তাদের।

এরইমধ্যে ভৌত কাঠামোর বাইরে যন্ত্রপাতি নির্মাণ কাজ পুরোদমে চলছে রাশিয়ায়। পরমাণু চুল্লির প্রধান যন্ত্র রিয়াক্টর ভেসেলের অবকাঠামো প্রায় প্রস্তুত। শেষ হয়েছে ভেসেলের ভেতরের অংশ, কোর ব্যারেলের নির্মাণ।

প্রকল্প পরিচালক ড. মো. শৌকত আকবর বলছেন, এ বছরেই প্রথম ইউনিটের চুল্লিতে স্থাপন করা হবে রিয়াক্টর ভেসেল।

রাশিয়ায় যেসব যন্ত্রাংশ তৈরি হচ্ছে, তা দেখভালে দেশটিতে অবস্থান করছেন পরমাণু শক্তি কমিশনের একটি দল। দেশটি এই মুহূর্তে করোনাভাইরাসের হটস্পট। ওই প্রকৌশলী ও কর্মকর্তাদের এখনও ফেরানোর পরিকল্পনা নেয়নি সরকার।

সবকিছু ঠিক থাকলে পরীক্ষামূলকভাবে রূপপুর থেকে বিদ্যুৎ উৎপাদন শুরু হবে ২০২৩-২৪ সালে। এখানকার দুটি ইউনিট থেকে বিদ্যুৎ মিলবে ২ হাজার ৪ শ মেগাওয়াট।

সংশ্লিষ্ট সংবাদ

সর্বশেষ সংবাদ

বিজনেস 24 খবর