channel 24

সর্বশেষ

  • সরকারি প্রণোদনা পেতে করোনার সনদ জালিয়াতি

  • চাঁপাইনবাবগঞ্জে ভূমি অফিসের দুর্নীতিতে অতিষ্ঠ সেবা গ্রহিতারা

  • মৌলভীবাজারে অবৈধ মজুদকৃত ৭০ টন পলিথিন জব্দ

  • কুষ্টিয়ায় শতকোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত বাঁধেও থামানো যাচ্ছে না নদীভাঙন

  • মহাখালীতে হচ্ছে ১০০০ শয্যার আইসোলেশন সেন্টার

  • সরকারি চাকরি যেন আলাদিনের চেরাগ

  • গাইবান্ধায় ১৭৪ বস্তা সরকারি চালসহ আটক ২

  • ট্রান্সকম গ্রুপের চেয়ারম্যান লতিফুর রহমানের দাফন সম্পন্ন

  • দেশে করোনার ভ্যাকসিন আবিষ্কারের দাবি গ্লোব বায়োটেকের

  • এন 95 মাস্ক সরবরাহে দুর্নীতি, ৫ জনকে দুদকে তলব

  • শতবর্ষে পদার্পণের দিনে বিশ্বে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সুনাম ফেরানোর আশা

  • শেখ হাসিনা মেডিকেল কলেজে জমি দিয়ে ৫ বছরেও ক্ষতিপূরণ পায়নি মুক্তিযোদ্ধা আব্দুর রশীদ

  • 'হলি আর্টিজান হামলার পর হাজারের বেশি জঙ্গি আইনের আওতায়'

  • বিদায় বিজনেস টাইকুন লতিফুর রহমান

  • কলা গাছের পানামা রোগ দমনের কৌশল

এক্সিম ব্যাংকের এমডিকে হত্যাচেষ্টা, জানেনা কেন্দ্রীয় ব্যাংক

এক্সিম ব্যাংকের এমডিকে হত্যাচেষ্টা, জানেনা কেন্দ্রীয় ব্যাংক

এক্সিম ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক হায়দার আলী মিয়াকে হত্যাচেষ্টা ও অতিরিক্ত ব্যবস্থাপনা পরিচালককে প্রায় সাড়ে ৫ ঘণ্টা আটকে রেখে মানসিক নির্যাতনের ঘটনাটি জানে না বাংলাদেশ ব্যাংক। এসব অপকর্মে অভিযোগের তীর, বেসরকারি ন্যাশনাল ব্যাংকের দুই পরিচালকের দিকে। বিশ্লেষকরা বলছেন, ব্যাংকখাতে অরাজকতার পাশাপাশি যে লুট চলছে, এ ঘটনা তার জ্বলজ্যান্ত উদাহরণ।

বেসরকারি এক্সিম ব্যাংক লিমিটেড। সম্প্রতি যার ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও অতিরিক্ত ব্যবস্থাপনা পরিচালককে হত্যাচেষ্টার অভিযোগে একটি মামলা হয়েছে গুলশান থানায়। মামলার এজহারে বলা হয়, বন্ধকী জমির দাম কমের কারণে ঋণ দিতে রাজি না হওয়ায় ব্যাংকটির ব্যবস্থাপনা পরিচালক হায়দার আলী

মিয়াকে গুলি করে হত্যাচেষ্টা করেন ন্যাশনাল ব্যাংকের পরিচালক রণ হক শিকদার। রাজধানীর তিন'শ ফিট সড়ক এলকায় তাকে গুলি করা হয় তাকে। লক্ষ্যভ্রষ্ট হওয়ায় প্রাণে বেঁচে যান তিনি।

পরে তাকে ও অতিরিক্ত ব্যবস্থাপনা পরিচালক মোহাম্মদ ফিরোজ হোসেনকে অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে নিয়ে যাওয়া হয় বনানীর শিকদার হাউসে। সেখানে প্রায় সাড়ে ৫ ঘণ্টা আটকে রেখে, তাদের চালানো হয় মানসিক নির্যাতন। এ সময় তাদের ফের হত্যার হুমকি দেন রণ হক শিকদার ও তার ভাই দিপু হক শিকদার। এমনকি জোর করে সাদা কাগজে নেয়া হয় সই।

ব্যাংক কোম্পানি আইন অনুযায়ী, ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালকদের নিরাপত্তার দায়িত্ব কেন্দ্রীয় ব্যাংকের। তবে কেন্দ্রীয় ব্যাংক বলছে, বিষয়টি তারা জানে না। অভিযোগ পেলে ব্যবস্থা নেয়া হবে।

বাংলাদেশ ব্যাংকের সাবেক ডেপুটি গর্ভনর খোন্দকার ইব্রাহীম খালেদ মনে করেন, দেশে ব্যাংক খাতে যে অরাজকতা চলছে এ ঘটনা তারই  জ্বলন্ত উদাহরণ।

তবে এক্সিম ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালকের মুঠো ফোন বন্ধ থাকায় তার সাথে যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি।

সংশ্লিষ্ট সংবাদ

সর্বশেষ সংবাদ

বিজনেস 24 খবর