channel 24

সর্বশেষ

  • ঈদের তৃতীয় দিনেও শূন্যতা নগরীতে

  • রাজধানীতে ফিরছে মানুষ, ৩০ মে'র পর বাড়ছে না ছুটি

  • দুর্যোগে নিরাপদ দুরত্বে অবস্থান করাই বিএনপির রাজনীতি: কাদের

  • নিজের করোনা রিপোর্টে স্বাক্ষর করলেন নিজেই!

  • ৩০ মে'র পর বাড়ছে না সাধারণ ছুটি

  • এক্সিম ব্যাংকের এমডিকে হত্যাচেষ্টা, জানেনা কেন্দ্রীয় ব্যাংক

  • ঈদে থানায় প্রীতি ভোজ: সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে সমালোচনার ঝড়

  • ডলফিনের সবচেয়ে বড় বিচরণক্ষেত্র হালদা নদীই যেন এখন মৃত্যুকুপ

  • করোনায় দেশে আরও ২২ জনের মৃত্যু, নতুন শনাক্ত ১৫৪১

  • শুরু থেকে লকডাউন দিলে পরিস্থিতি এতোটা ভয়োবহ হতো না: ফখরুল

  • তামিম ইকবালের সাথে একান্ত আলাপচারিতায় চ্যানেল ২৪

  • আম্পানে বাঁধ ভেঙ্গে ভেসে গেছে ৪ হাজারেরও বেশি চিংড়ি ঘের

  • মুন্সিগঞ্জে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে মাইক্রোবাস খাদে পড়ে নিহত ৩

  • কৃষি বিজ্ঞানী ও কর্মকর্তাদের প্রণোদনার কথা ভাবছেন কৃষিমন্ত্রী

  • দিনাজপুরে বিষাক্ত মদপানে ৪ জনের মৃত্যু, অসুস্থ ১

টিসিবির ট্রাকের সামনে লম্বা লাইনে দাড়িয়েও পণ্য না পাওয়ার অভিযোগ

টিসিবির ট্রাকের সামনে লম্বা লাইনে দাড়িয়েও পণ্য না পাওয়ার অভিযোগ

সারা দেশে সাড়ে ৩শোর মতো ট্রাকে তেল, ডাল ও চিনি বিক্রি করছে, ট্রেডিং করপোরেশন অব বাংলাদেশ-টিসিবি। তবে, লম্বা লাইনে দাঁড়িয়েও কাঙ্খিত পণ্য না পাওয়ার অভিযোগ, ক্রেতাদের। টিসিবি বলছে, সরবরাহ কম থাকায়; সবাইকে মশুরের ডাল দেয়া সম্ভব হচ্ছে না। পরিস্থিতি বিবেচনায় সরকারিভাবে ত্রাণ কার্যাক্রম আরও বাড়ানোর পরামর্শ অর্থনীতিবিদের।

প্রতিবছরের মতো রমজানকে ঘিরে এবারও ট্রাকে ন্যায্যমূল্যে পণ্য বিক্রি শুরু করেছে টিসিবি। সারাদেশে ৩৫০ টি ট্রাকে বিক্রি করা হচ্ছে তেল, ডাল ও চিনি।

কিন্তু করোনার প্রভাবে এবারে পণ্য বিক্রির চিত্র খানিকটা আলাদা। নিম্নআয়ের মানুষের সাথে দীর্ঘ সারিতে দাড়িয়ে পণ্য কিনছে সব শ্রেণির লোক।

তবে দীর্ঘলাইনে দাড়িয়েও ক্রেতারা অনেকেই পাচ্ছেন না কাঙ্খিত পণ্য। অভিযোগ, তেল ও চিনি চাহিদা মতো পেলেও ডাল পাচ্ছেন না। সেইসাথে পণ্য বিক্রির ধীরগতি নিয়েও অভিযোগ তাদের।

বিক্রির সাথে সংশ্লিষ্টরা বলছেন, ডালের সরবরাহ কম থাকায় প্রথম আসা ক্রেতারাই শুধু ডাল পাচ্ছেন।

গেলো কয়েকদিনের চেয়ে টিসিবির পণ্য বিক্রি এখন অনেকটাই সুশৃংখল। সামাজিক দূরত্ব রক্ষায় কাজ করছে আইনশৃংখলা বাহিনী।

শেরে বাংলানগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা জানে আলম বলেন, মানুষের ভিড় এত বেশি হচ্ছে যে এই ভিড় সামাল দিতেই আমাদের অনেক কষ্ট হয়ে যাচ্ছে। কিছুক্ষন পরপর আমাদের এটা পর্যবেক্ষন করতে হয় যেন লোকজন জরো না হয়ে যায়।

করোনা পরিস্থিতিতে টিসিবির কার্যক্রম খুব একটা কাজে দেবে না নিম্নআয়ের মানুষদের। তাই সরকারিভাবে বড় পরিসরে ত্রাণ দেয়ার পরামর্শ এই অর্থনীতিবিদের।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতি বিভাগের অধ্যাপক  ড. মোহাম্মদ হেলাল উদ্দিন বলেন, আমরা যে টিসিবির জিনিসের কথা বলি সেখানেও কিন্তু একটা নির্দিষ্ট পরিমাণ টাকা লাগে। কিন্তু কিছুদিন পরে হয়তো দেখা যাবে যে ১০টাকা দরে কেজি চাল কিনার মতও টাকা থাকবে না মানুষের কাছে। তাই আমি মনে করি এই খেটে কাওয়া মানুষকে সর্বাত্মক সহযোগিতা করা।

রোজা উপলক্ষে ১ এপ্রিল থেকে শুরু হওয়া টিসিবির এই কার্যক্রম চলবে আগামী ২০ মে পর্যন্ত।

সংশ্লিষ্ট সংবাদ

সর্বশেষ সংবাদ

বিজনেস 24 খবর