channel 24

সর্বশেষ

  • এবার ঢাকা ছাড়ছেন জাপানি নাগরিকরা

  • করোনায় আক্রান্ত দুধের বাজারও, বিক্রি হচ্ছে পানির দামে

  • ডিজিটাল প্লাটফর্মে চলছে বসুন্ধরা কিংসের অনুশীলন

  • ১১ এপ্রিল পর্যন্ত বন্ধ সরকারি-বেসরকারি অফিস, প্রজ্ঞাপন জারি

  • ৩ হাজার কয়েদিকে মুক্তির প্রস্তাব কারা অধিদপ্তরের

  • ভাড়া মওকুফ ও চাল-ডাল দিয়ে বিপদগ্রস্তদের পাশে নারায়ণগঞ্জের শান্তা

  • করোনা আক্রান্তদের পাশে জস বাটলার, নিলামে বিশ্বকাপ ফাইনালের জার্সি

  • ভোলায় সাংবাদিক নির্যাতন: ছাত্রলীগকর্মী নাবিল গ্রেপ্তার

  • জ্বর-সর্দি ও শাসকষ্টে ৩ জনের মৃত্যু

  • যুক্তরাষ্ট্রে মারা যেতে পারে প্রায় আড়াই লাখ মানুষ: হোয়াইট হাউস

  • করোনায় মানুষের পাশে ক্রিকেটার্স ওয়েলফেয়ার অ্যাসোসিয়েশন

  • দেশে করোনা আক্রান্তের অর্ধেকই এখন সুস্থ: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

  • অ্যাপে যোগ হচ্ছে ফার্মেসি ও নিত্যপণ্যের দোকান; ব্যবসায় নতুন সম্ভবনা

  • মশার কামড়ে অতিষ্ঠ নওগাঁর পৌর এলাকার মানুষ

  • বঙ্গবন্ধু মেডিকেলে মাত্র ৪ ঘণ্টায় মিলবে করোনা পরীক্ষার ফল

'বৈষম্য বাড়লেও বঙ্গবন্ধুর দেখানো পথেই দেশের অর্থনীতি'

'বৈষম্য বাড়লেও বঙ্গবন্ধুর দেখানো পথেই দেশের অর্থনীতি'

নতুন দেশ গড়তে স্বকীয়তা বজায় রেখেই উন্নয়ন পরিকল্পনা নেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান। দীর্ঘ দিনের অভিজ্ঞতায় বৈষম্য কমানোর নীতিই ছিল তাঁর মূল ভাবনা। প্রধানমন্ত্রীর অর্থনৈতিক বিষয়ক উপদেষ্টা বলছেন, নানা রকম বিচ্যুতি ঘটলেও বঙ্গবন্ধুর দেখানো পথেই হাঁটছে সরকার। অন্যদিকে অর্থনীতিবিদ আতিউর রহমান মনে করেন বৈষম্য কমানোর বঙ্গবন্ধুর নীতি থেকে বেশ দূরে এখন বাংলাদেশ।

পুরো জীবদ্দশায় নিপীড়িত-বঞ্চিত মানুষকে নিয়েই রাজনীতি করেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান। স্বাধীনতার পর সংবিধানেও যুক্ত করেন বঞ্চিতমানুষের মুক্তির দিশা সমাজতন্ত্র। প্রায় শূন্য রাজকোষ নিয়ে দেশ গড়তে গড়ে তোলেন নানা প্রতিষ্ঠান।

প্রধানমন্ত্রীর অর্থনৈতিক বিষয়ক উপদেষ্টা ড. মসিউর রহমান বলছেন, বঙ্গবন্ধুর অর্থনৈতিক নীতি ছিলো এই মাটির একান্ত নিজস্ব ধরনের। তিনি আরও বলেন, তাৎক্ষনিক অগ্রাধিকার ভিত্তিক কাজগুলো করতে গিয়ে যেন আমাদের স্বকীয়তা নষ্ট না হয় এবং আমরা যেন কোন বিশেষ গোষ্ঠির দিকে ঝুকে না পরি সেদিকেও উনি খেয়াল রাখতেন।

স্বাধীনতার মাত্র তিন বছরের মাথায় ৭৪-এ দুর্ভিক্ষও মোকাবেলা করতে হয় বঙ্গবন্ধু সরকারকে। মুক্তিযুদ্ধের বিরোধীতাকারী মার্কিন নেতৃত্বাধীন আন্তর্জাতিক জোটের সাহায্য না পাওয়ায়, এমনটা ঘটে।

সবকিছু বিচার বিশ্লেষণ করে, দেশের নিজস্ব চরিত্র অনুধাবন করে, সবদলকে একীভূত করে নতুন শাসনতান্ত্রিক কাঠামো বাকশাল ঘোষণা করেন বঙ্গবন্ধু।

নতুন এক অর্থনীতির দিক এগুতে চাইলেন শেখ মুজিবুর রহমান। কী ছিল এর মধ্যে? কোন পথে তিনি নিতে চাইলেন দেশকে?

অর্থনীতিবিদ ও বাংলাদেশ ব্যাংক সাবেক গভর্নর ড. আতিউর রহমান বলেন, দেশটাকে আবার ফিরিয়ে এনেছিলেন তিনি। এবং প্রতিটি ইঞ্চি জমিতে যাতে ধানের উৎপাদন হয় সে আহ্বানও তিনি করেছিলেন। সেই আহ্বানে কৃষকরা সাড়াও দিয়েছিল। সেই কারণেই আমরা ৭৫এর শেষদিকে যে আমন ফসল হয় সেখানে আমরা বাম্পার ফলন দেখতে পাই। কিন্তু তিনি তা দেখে যেতে পারেন নাই।

যে বৈষম্য বিলোপের অর্থনীতি গড়তে চেয়েছিলেন বাংলাদেশের স্থপতি সেই পথে কতোদূর এগিয়েছি আমরা। বিশ্বে ধনী-গরীবের সম্পদের ব্যবধানে বৈশ্বিক সূচকে বেশ বাজে অবস্থানেই বাংলাদেশ। নব্য ধনী সৃষ্টিতেও অনেককেই টেক্কা দিচ্ছে এখানকার গুটিকয়েক মানুষ।

ড. আতিউর রহমান বলেন, ধনীদের যে বাড়াবাড়ি সেটা বঙ্গবন্ধু চাইতেন না। ঐ জায়গাটা হয়তো আমরা পারিনি। কিন্তু কৃষকের যে উন্নতি, খাদ্যে যে আমরা স্বয়ংসম্পুর্ণ সবগুলোই কিন্তু বঙ্গবন্ধুর সেই অন্তর্ভুক্তিমূলক গরীব হৈতিষী উন্নয়ন কৌশল সেটারই প্রতিফলন।  

আবার ড. মসিউর রহমান বলছেন, কিছু হয়তো ডান দিকে বা বামদিকে যাচ্ছে কিন্তু আমাদের যে চলার দিক নির্দেশনা এটা আমরা বিচ্যুত হয়নি। বঙ্গবন্ধুর দেখানো যে আদর্শ সেই পথেই আমরা চলছি।

যেই পাকিস্তানের কাছ থেকে স্বাধীন হলো বাংলাদেশ, তাদের চেয়ে অর্থনীতির প্রায় সব সূচকেই ঢের এগিয়ে বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের সোনার বাংলা।

সংশ্লিষ্ট সংবাদ

সর্বশেষ সংবাদ

বিজনেস 24 খবর