channel 24

সর্বশেষ

  • 'সাহারা খাতুন ছিলেন রাজপথে আন্দোলনের বলিষ্ঠ কণ্ঠ'

  • মিরপুরে সেপটিক ট্যাংক থেকে শিশুর মরদেহ উদ্ধার

  • প্লেব্যাক সম্রাট এন্ড্রু কিশোর ৮ বার পেয়েছেন জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার

  • রাজস্ব আদায়ে অশনিসংকেত; সামষ্টিক অর্থনীতিতে বড় ধরণের প্রভাব পড়ার আশঙ্কা

  • রাস্তায় নারীর মরদেহ; সিসি ক্যামেরার ফুটেজে মিললো খুনির হদিস

  • মৌলভীবাজারে চুরির অপবাদে দুই শিশুকে নির্যাতন

  • হাটহাজারীতে করোনা আক্রান্তদের পাশে তরুণরা

  • সুনামগঞ্জে নদীর পানি বাড়ায় বন্যা পরিস্থিতির অবনতি

  • সাহেদের প্রধান সহযোগী তারেক শিবলী ৫ দিনের রিমান্ডে

  • ঝিনাইদহে ঐতিহ্যবাহী তেঁতুল গাছ রক্ষার দাবিতে মানববন্ধন

  • 'সাহেদের অপকর্ম সম্পর্কে জানতে সময় লাগলেও ছাড় নয়'

  • কেন্দ্রীয় ব্যাংক থেকে ইএক্সপি যাচ্ছে অনলাইনে; চট্টগ্রাম কাস্টমসে শুল্কায়ন শুরু

  • ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগে ছুটছে ম্যান ইউ'র জয়রথ

  • করোনার ভুয়া সনদকাণ্ডে ইতালিতে বিপাকে বাংলাদেশিরা

  • দেশে করোনায় আরও ৩৭ জনের মৃত্যু, নতুন শনাক্ত ২৯৪৯

ফুরিয়ে যাচ্ছে দেশের গ্যাস, অনুসন্ধানে নেই অগ্রগতি

ফুরিয়ে যাচ্ছে দেশের গ্যাস, অনুসন্ধানে নেই অগ্রগতি

ফুরিয়ে যাচ্ছে দেশের গ্যাস। অন্যদিকে গত ১০ বছরে স্থলভাগে গ্যাস অনুসন্ধানে নেই কোন অগ্রগতি। জ্বালানি প্রতিমন্ত্রী বলছেন, সমন্বিত পরিকল্পনা নিয়ে গ্যাস অনুসন্ধানের পরিধি বাড়াতে চাচ্ছেন তারা। একজন বিশেষজ্ঞ বলছেন, সুষ্ঠু পরিকল্পনার অভাবেই মুখ থুবড়ে পড়েছে গ্যাসের অনুসন্ধান কার্যক্রম।

দেশের ২২টি ক্ষেত্রের ১১৩টি কূপ থেকে তোলা হচ্ছে গ্যাস। এগুলোর অবস্থান মূলত সিলেট ও চট্টগ্রাম বিভাগে।

২০০৯ সাল থেকে স্থলভাগে গ্যাস অনুসন্ধান ও উত্তোলন কার্যক্রমের দায়িত্বভার দেয়া হয়, রাষ্ট্রায়ত্ত প্রতিষ্ঠান বাপেক্সকে। এক দশকে ১টি ক্ষেত্রে অনুসন্ধান কার্যক্রম চালিয়েছে প্রতিষ্ঠানটি। সাফল্য মাত্র দুটিতে। এরমধ্যে সুন্দলপুর, গাজীপুরের কাপাসিয়া, সুনেত্র, রূপগঞ্জ কিংবা পাবনার মোকারকপুর ক্ষেত্র সম্পর্কে পেট্রোবাংলার প্রথম দিকের কথা পরে পরিণত হয় নিরাশায়।

বিদ্যুৎ ও জ্বালানি প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ বলছেন, এই হতাশা কাটাতে নতুন করে ভাবতে চান তারা।

দেশের উত্তর-পূর্ব, হাওর এলাকা আর পার্বত্য অঞ্চলে কোনো অনুসন্ধান কার্যক্রমই সেভাবে চালায়নি পেট্রোবাংলা। এমনকি সিলেটের ছাতক গ্যাসফিল্ডের পূর্ব দিকেও রয়েছে সম্ভাবনা।

বিশেষজ্ঞ এবং বাপেক্সের সাবেক ব্যবস্থাপনা পরিচালক মর্তুজা আহমেদ ফারুক বলছেন, খুব জোরেশোরে এসব এলাকায় অনুসন্ধান কার্যক্রম হাতে নেয়া উচিত।

আবিষ্কৃত ক্ষেত্রগুলো থেকে দৈনিক তিন হাজার মিলিয়ন ঘনফুটের কিছু বেশি গ্যাস উত্তোলন করা হয়। এভাবে তুলতে থাকলে, নতুন ক্ষেত্র আবিষ্কার না হলে, এক দশকেই ফুরিয়ে যাবে সব গ্যাস।

বাপেক্সের সাবেক ব্যবস্থাপনা পরিচালক মর্তুজা আহমেদ ফারুক বলেন, কাজ করতে হলে সুষ্ঠ পরিকল্পনা দরকার। সেই পরিকল্পনার ভিত্তিতেই এগুতে হবে। বাপেক্সের সক্ষমতা অনুযায়ী কার্যক্রম নেওয়াটাই এখানে সুষ্ঠু পরিকল্পনা।

বারবার উদ্যোগ নিলেও, পার্বত্য অঞ্চলে তেল-গ্যাস অনুসন্ধানে কোনো সহযোগী খুঁজে পাচ্ছে না বাপেক্স।

সংশ্লিষ্ট সংবাদ

সর্বশেষ সংবাদ

বিজনেস 24 খবর