channel 24

সর্বশেষ

  • জ্বর ও শ্বাসকষ্ট শুনে গ্রামে ঢুকতে বাঁধা, তরুণের মৃত্যু হয়েছে

  • চুক্তির বাইরে থাকা ক্রিকেটারদের আর্থিক সহায়তার করবে বিসিবি

  • পোশাক খাতে ২৪ ঘন্টায় ১৩ কোটি মার্কিন ডলারের ক্রয়াদেশ বাতিল

  • নতুন কেউ করোনায় আক্রান্ত হয়নি, সুস্থ হয়েছেন ১৫ জন

  • শিবচরে লকডাউনের ১০ দিনে নতুন সংক্রমিত না হওয়ায় জনমনে স্বস্তি

  • ঠাকুরগাঁওয়ে একই পরিবারের ৫ জন আইসোলেশনে

  • বরিশাল মেডিকেলে করোনা ইউনিটে থাকা একজনের মৃত্যু

  • দেশে করোনা মোকাবিলায় নেই পর্যাপ্ত অবকাঠামো সুবিধা: বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা

  • ইতালিতে প্রাণহানি ছাড়ালো ১০ হাজার, সংক্রমণের শীর্ষে যুক্তরাষ্ট্র

  • করোনা প্রতিরোধে সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখার নির্দেশনা মানছেন না অনেকেই

  • রাস্তায় পড়ে থাকা ফিনল্যান্ডের নাগরিককে হাসপাতালে নিলো পুলিশ

  • করোনায় শুধু মানুষই নয় বিপাকে পশু-পাখিও

  • বিশ্বজুড়ে ৩০ হাজারের বেশি মানুষের প্রাণহানি

  • পর্যটকদের স্বর্গরাজ্যগুলো আজ জনমানবহীন

  • ক্রমেই অসহায় হয়ে উঠছে বিশ্ব

করোনাভাইরাসের কারণে ঝুঁকির মুখে বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাত

করোনাভাইরাসের কারণে ঝুঁকির মুখে বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাত

করোনাভাইরাসের কারণে ঝুঁকিতে পড়তে যাচ্ছে বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতের মেগা প্রকল্পগুলো। বেশ কয়েকটি বড় প্রকল্পে চীনা ঋণ আর শ্রমিকের সরবরাহ নিয়ে চিন্তায় সরকার।

প্রায় সাড়ে ৫ হাজার কোটি টাকা চীনের ঋণে সমুদ্রের নিচে পাইপ লাইন বসাচ্ছে বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশন। এই মুহূর্তে প্রকল্পটিতে কাজ করছে তিনশতাধীক চীনা প্রকৌশলী আর শ্রমিক। তবে কয়েক মাসের মধ্যে এখানে দরকার আরও তিনশো শ্রমিক।

করোনা ভাইরাসে জেরবার চীন। তাই সেখান থেকে নতুন শ্রমিক আনা নিয়ে বেশ দুঃশ্চিন্তায় ঠিকাদার।

পটুয়াখালীতে পায়রা তাপ বিদ্যুৎ কেন্দ্রের দুইটি ইউনিটে কাজ করছিলেন প্রায় ৩ হাজার চীনা শ্রমিক। নববর্ষের সময় বেড়াতে গিয়ে করোনার প্রাদুর্ভাবে, এদের অর্ধেকই আটকে আছেন নিজ দেশে। কবে ফিরবেন সে নিয়ে এখনও সংশয়ে কর্মকর্তারা।

পায়রা তাপ বিদ্যুৎ কেন্দ্রের প্রকল্প পরিচালক শাহ আব্দুল মওলা বলেন, এই সমস্যা যদি বেশিদিন থাকে তাহলে বড় রকমের সমস্যা হতে পারে।

এখাতের আরও কয়েকটি প্রকল্প চলছে চীনের টাকায়। আসছে শ্রমিকও। এরমধ্যে ডিপিডিসির মাটির নিচে তার ও সাব-স্টেশন স্থাপনের কাজ করছে উহানের একটি কোম্পানি। যাদের প্রায় সবাই নববর্ষের ছুটিতে গিয়ে আর ফিরতে পারেননি। স্থবির হয়ে গেছে প্রকল্পের ভবিষ্যত।

অন্যদিকে সঞ্চালন লাইন নির্মাণে প্রায় ১৪ হাজার কোটি টাকার একটি প্রকল্প চূড়ান্ত পর্যায়ে। করোনার জন্য চীনে যোগাযোগ রাখতেই, হিমশিম খাচ্ছেন পিজিসিবি'র কর্মকর্তারা। সরকারের ভাবনা, আরও কিছুদিন করোনার প্রাদুর্ভাব চললে প্রকল্প শেষ করতে বাড়বে সময়।

বিদ্যুৎ ও জ্বালানি প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ বলেন, কিছুদিনের মধ্যে এই ভাইরাস নিয়ন্ত্রণে না এলে বিলম্বিত হতে পারে বিলিয়ন ডলারের প্রকল্পগুলো।

তবে চীনা শ্রমিক কাজ করলেও করোনা ঝুঁকিতে তেমন একটা পড়েনি বড়পুকুরিয়া কয়লা খনি ও বিদ্যুৎ কেন্দ্রের উৎপাদন। ছুটি কাটিয়ে কয়েকজন ফিরে এসে আবারও যোগ দিয়েছেন কাজে।

সংশ্লিষ্ট সংবাদ

সর্বশেষ সংবাদ

বিজনেস 24 খবর