channel 24

সর্বশেষ

  • জামালপুরের মেলান্দহ ও শেরপুরের শ্রীবরদীতে ৩ জন করোনা রোগী শনাক্ত

  • ইতালিতে কমছে দৈনিক মৃতের সংখ্যা

  • বিসিজি টিকা দেয়া দেশে করোনায় আক্রান্ত ও মৃত্যু হার কম

  • বিশ্বব্যাপী করোনায় প্রাণহানির সংখ্যা ৬৯ হাজার ছাড়িয়েছে

  • এন্টি ভাইরাল ড্রাগ এর প্রথম ব্যাচ তৈরি করেছে বীকন ফার্মাসিউটিক্যালস

  • করোনার মাঝেই সুন্দরবনে মধু সংগ্রহ

  • বিশ্বজুড়ে প্রাণহানি প্রায় ৬৭ হাজার, যুক্তরাষ্ট্রে মৃত্যু বাড়ার শঙ্কা

  • বিদেশি ফুটবলারদের চুক্তি নিয়ে শঙ্কায় বসুন্ধরা, সিদ্ধান্তহীনতায় আবাহনী

  • করোনা মোকাবিলায় বিমানের ক্রুদের নার্সিং প্রশিক্ষণ দিচ্ছে সুইডেন

  • মহামারির ইতিহাস

  • 'প্রধানমন্ত্রীর ঘোষিত প্রণোদনা প্যাকেজ বাস্তবায়ন চ্যালেঞ্জিং'

  • হঠকারী একটি সিদ্ধান্তে ভোগান্তি পোহাতে হলো হাজারো মানুষকে

  • দিনাজপুরে অসহায়দের নিত্য প্রয়োজনীয় খাদ্য সামগ্রী দিলেন হুইপ ইকবালুর রহিম

  • মানবিক কারণে কয়েকটি দেশ থেকে প্রবাসীদের ফিরিয়ে আনার সিদ্ধান্ত

  • চট্টগ্রামে করোনার চিকিৎসা হবে ১২টি হাসপাতালে

ব্যবসায়ী মহলে করোনার নেতিবাচক প্রভাব

ব্যবসায়ী মহলে করোনার নেতিবাচক প্রভাব

করোনার নেতিবাচক প্রভাব পড়তে শুরু করেছে ব্যবসায়ী মহলে। এরই মধ্যে, আমদানির ক্ষেত্রে বিকল্প বাজার খুঁজতে শুরু করেছেন কেউ কেউ। তবে, দুশ্চিন্তা বাড়ছে ন্যায্য দামে মানসম্মত পণ্যের নিশ্চয়তা নিয়ে। ফলে, এই প্রভাব দীর্ঘমেয়াদি হলে সার্বিক বাণিজ্যে বড় ক্ষতির আশঙ্কা করছেন বিশেষজ্ঞরাও। তবে বিদেশি ঋণ কিংবা কারিগরি সহায়তায় প্রকল্প বাস্তবায়ন নিয়ে এখনই চিন্তিত নয় সরকার।

দেশের বস্ত্র ও পোশাক খাতের বড় প্রতিষ্ঠান ম্যাক্সনস গ্রুপ। দেড় দশক ধরে যারা, আমদানি-রপ্তানিসহ কর্মসংস্থান বাড়াতে ভূমিকা রাখছে ধারাবাহিকভাবে। কিন্তু, করোনা ভাইরাসের প্রভাব এখন কমিয়ে দিচ্ছে সার্বিক কর্মকাণ্ড। কারণ, আমদানিতে বড় নির্ভরতা চীন।

গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক এবং বিটিএমএর সভাপতি মোহাম্মদ আলী খোকনের মতে, এই সঙ্কট শিগগিরই না কাটলে, নতুন সমস্যায় পড়তে হবে পোশাক খাতকে।

বিটিএমএর সভাপতি বলেন, আমাদের চাহিদার ১৭ বিলিয়ন ডলারের কাপড়ের মধ্যে ৭-৮ বিলিয়ন ডলারের কাপড়ই আসে চায়না থেকে। তো এখানে একটা বিশাল মার খেতে পারে। এদিকে ঢাকা চেম্বারের সাবেক সভাপতি বলেন, যখন আমার আমদানীতে আঘাত হানছে তাহলে আমাদের রপ্তানীতেও আঘাত হানবে। দূর্ভাগ্যবশত এটাই হতে যাচ্ছে।

চীনের সাথে দ্বিপাক্ষিত বাণিজ্য এখন প্রায় ১৫ বিলিয়ন ডলারের। এর মধ্যে, সবশেষ অর্থবছরে কেবল আমদানিই হয়েছে সাড়ে বিলিয়ন ডলারের বেশি। যা মোট আমদানির চার ভাগের একভাগ। তাই এই কার্যক্রম বাধাগ্রস্ত হলে, দুরবস্থায় থাকা রপ্তানি খাতে নেমে আসতে পারে আরো বড় বিপর্যয়।

সিপিডির সম্মানীয় ফেলো ড. মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, বিশ্ব বাণিজ্যের ১৩ শতাংশই চীনের সাথে কোন না কোন ভাবে সংযুক্ত। রপ্তানীখাতে যেখানের কাঁচামাল বেশিরভাগই আসে চীন থেকে সেসব জায়গাতেই এই প্রভাব দৃশ্যমান হচ্ছে।

আমদানি রপ্তানির বাইরে, দেশের উন্নয়ন কাজের বড় সহযোগী দেশ এখন চীন। টাকার যোগান থেকে শুরু করে কারিগরি সহায়তা- সবই আসে বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম অর্থনীতির দেশটি থেকে। ফলে, সেখানকার প্রভাব বাংলাদেশের জন্যও হয়ে উঠতে পারে বিপদের কারণ।

যদিও, এখনই এ নিয়ে চিন্তিত নয় সরকার। সদ্য বিদায়ী ইআরডি সচিব বলেন, পুরো বিশ্ব যদি প্রভাবিত তবে বাংলাদেশ তো বিশ্বের বাইরে নয়। যেহেতু আমাদের সব কাজে চীনারা জড়িত আছে সেক্ষেত্রে অনেক ক্ষেত্রেই বাস্তবায়ন ব্যহত হবে।

এরই মধ্যে করোনার প্রভাবে, বাংলাদেশ থেকে রপ্তানি বন্ধ হয়ে গেছে বেশ কয়েকটি পণ্যের।

সংশ্লিষ্ট সংবাদ

সর্বশেষ সংবাদ

বিজনেস 24 খবর