channel 24

সর্বশেষ

  • 'ওবায়দুল কাদের করোনায় আক্রান্ত' এমন গুজব ছড়ানোর অভিযোগে যুবক আটক

  • অবশেষে জামিন পেলেন রোনালদিনহো

  • জ্বর-শ্বাসকষ্ট নিয়ে বিভিন্ন স্থানে প্রবাসীসহ ৫ জনের মৃত্যু

  • দেশে করোনায় ২৪ ঘণ্টায় ৩ জনের প্রাণহানি, নতুন শনাক্ত ৫৪

  • র‍্যাবের মহাপরিচালক হলেন চৌধুরী আব্দুল্লাহ আল-মামুন

  • বেনজীর আহমদকে পুলিশ মহাপরিদর্শক করে প্রজ্ঞাপন

  • করোনা সংক্রমণ রোধে ঢাকার ৫০টির বেশি এলাকার ও বাড়ি লক ডাউন

  • করোনায় ঘরবন্দি বেশিরভাগ মানুষ, সুস্থ থাকতে সুষম খাদ্যাভাস ও শরীর চর্চার পরামর্শ

  • দেশে করোনার সামাজিক সংক্রমণ শুরু, ১৫ জেলায় মিলেছে রোগী

  • মহামারি সংক্রমণ আইন প্রথমবারের মতো কার্যকর, তবে মানছেন না কেউ

  • ঢাকা মেডিকেলে আইসোলেশনে চিকিৎসাধীন যুবকের মৃত্যু

  • বঙ্গবন্ধুর খুনি ক্যাপ্টেন (বরখাস্ত) মাজেদের মৃত্যু পরোয়ানা জারি

  • টাঙ্গাইলে করোনা রোগী শনাক্ত, আশেপাশের ৩৫ টি বাড়ি লকডাউন

  • বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার অর্থ তহবিল বন্ধের হুঁশিয়ারি ট্রাম্পের

  • চীনের উহানে খুলে দেওয়া হয়েছে বিমানবন্দর ও রেল স্টেশন

বিদ্যুতের ভর্তুকি কমাতে, দাম বাড়ানোর কোনো বিকল্প নেই: বিদ্যুৎ প্রতিমন্ত্রী

বিদ্যুতের ভর্তুকি কমাতে, দাম বাড়ানোর কোনো বিকল্প নেই: বিদ্যুৎ প্রতিমন্ত্রী

আবারো বিদ্যুতের দাম বাড়ানোর ইঙ্গিতে দুশ্চিন্তায় ব্যবসায়ী মহল। তাদের মতে, ক্রেতাদের সাথে যেখানে দরকষাকষি নিয়ে লড়াই করতে হয় প্রতিনিয়ত, সেখানে এমন সিদ্ধান্ত তৈরি করবে নতুন সঙ্কট। আর বিশেষজ্ঞরা বলছেন, বিদ্যুৎ খাতের অযৌক্তিক ব্যয় না কমিয়ে দাম বাড়ানোর সিদ্ধান্ত অন্যায়। গত ১০ বছরে এই খাতে ভর্তুকি গেছে ৫২ হাজার কোটি টাকা। বিদ্যুৎ প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ জানান, এই অঙ্ক কমাতে, দাম সমন্বয়ের কোনো বিকল্প নেই।

সিমেন্ট, রড, পাট, বস্ত্রসহ ২২ টি প্রতিষ্ঠান এখন আনোয়ার গ্রুপের অধীনে। যাতে কাজ করছেন ১২ হাজার মানুষ। সেবা, উৎপাদনসহ ভিন্নধর্মী ব্যবসা চালাতে বছরে তাদের মোট খরচের ১২ থেকে ১৫ শতাংশ ব্যয় করতে হয় বিদ্যুৎ জ্বালানিতে। যা গেলো দশ বছরে বেড়ে গেছে উল্লেখযোগ্য হারে। গ্রুপের একাধিক প্রতিষ্ঠানের ব্যবস্থাপনা পরিচালক এবং ঢাকা চেম্বারের নেতৃত্ব দেয়া ব্যবসায়ী নেতা হোসেন খালেদ, নতুন করে বিদ্যুতের দাম বাড়ানোর ইঙ্গিতকে যৌক্তিক মনে করতে পারছেন না কোনোভাবেই।

হোসেন খালেদ বলেন, 'গত বছরে গ্যাসের প্রভাবে বিদ্যুতের দাম বেড়ে গিয়েছে। এই আলোচনা আবারও ফেরত এসেছে। শোনা যাচ্ছে, বিদ্যুতের দামকে দ্বিগুণ করা চিন্তা করা হচ্ছে। এতে আমাদের উৎপাদন ব্যয় অনেক বেড়ে জাবে যা পুরো ইন্ডাস্ট্রিতে প্রভাব ফেলবে।'

বিদ্যুতের উৎপাদন ক্ষমতা এখন প্রয়োজনের চেয়ে বেশি। যার পেছনে বিনিয়োগ করেছে সরকারি এবং বেসরকারি খাত। অথচ, উৎপাদনে না থাকলেও বহু কেন্দ্রের ভাড়া বাবদ সরকারকে গুণতে হয় বিপুল পরিমাণ টাকা। সাথে, অন্যান্য অব্যবস্থাপনা সামলাতে, সবশেষ অর্থবছরে পিডিবির মাধ্যমে ভর্তুকি দিতে হয়েছে ৮ হাজার কোটি টাকা। ১০ বছরে যা ছাড়িয়েছে ৫২ হাজার কোটি।  আর এই ভর্তুকি কমিয়ে আনতেই দাম বাড়ানোর পক্ষে শক্ত যুক্তি প্রতিমন্ত্রীর।

বিদ্যুৎ প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ বলেন, সরকারত চাইবেই এই ভর্তুকি থেকে আগামী ৫ বছরের মধ্যে বেরিয়ে আসতে। আমরা বার বার বলছি ৫-৬ বছর আরও লাগবে। আমাদের লাইফ লাইনে এক কোটি গ্রাহক আছে যারা দুই টাকা করে দেয়। যে কারণে সরকার চাচ্ছে ভর্তুকি থেকে কিছু অংশ কমে আসবে। কিছু অংশ কমাতে হলেই স্বাভাবিকভাবে আমাদের দামটা সমন্বয় করতে হবে।

ক্যাবের জ্বালানি উপদেষ্টা ড. শামসুল আলম বলেন, 'উৎপাদনে ৮ হাজার কোটি টাকা, বিতরণে ২ হাজার কোটি টাকা মোট ১০ হাজার কোটি টাকা অযৌক্তিক ব্যয় আছে। সরকারের ঘাটতি আছে ৭ হাজার ২৫৩ কোটি টাকা। তাহলে কেন এই অযৌক্তিক ব্যয়ের কারণে বিদ্যুতের দাম বাড়াতে হবে। সরকারকেই কেন ভর্তুকি দিতে হবে।'

পিডিবির তথ্য বলছে, উৎপাদন ক্ষমতা বছরে ১০ থেকে ১৫ শতাংশ হারে বাড়লেও, বড় গ্রাহক, বিশেষ করে শিল্প কারখানার সংযোগ বৃদ্ধির হার ছিল এক রকম স্থির।

সংশ্লিষ্ট সংবাদ

সর্বশেষ সংবাদ

বিজনেস 24 খবর