channel 24

সর্বশেষ

  • নারীকে দাফনের পর জানা গেলো করোনা আক্রান্ত; ১০০ পরিবার লকডাউনে

  • মক্কা-মদিনায় কারফিউ জারি

  • করোনাভাইরাসে বিশ্বে প্রাণহানি ৫০ হাজার ২৩০

  • সুনামগঞ্জে হোম কোয়ারেন্টিনে থাকা ওমানফেরত একজনের মৃত্যু

  • রাঙ্গামাটি জেলা প্রশাসকের ব্যতিক্রম ত্রাণ বিতরণ

  • করোনা শনাক্তে বিনামূল্যে নমুনা পরীক্ষা শুরু

  • দরকার ছাড়া বেরুলেই ফেরত পাঠানো হচ্ছে ঘরে

  • সপ্তাহ না পেরুতেই ধৈর্যহারা নগরবাসী; দরকার ছাড়াও বেরুচ্ছেন বাইরে

  • পিপিই পরে সাঈদ খোকনের ত্রাণ বিতরণ

  • মুখে মাস্ক পরে ফ্লিমি স্টাইলে ফার্মেসিতে ডাকাতি

  • স্পেনে একদিনে প্রাণহানি ৯৫০, মৃতের সংখ্যা ১০ হাজার ছাড়িয়েছে

  • করোনা গিলে খাচ্ছে গোটা বিশ্ব; প্রাণহানি ৫০ হাজার ছাড়িয়েছে

  • গ্রামীণ জনপদে দূরত্ব বজায় রেখে চলাচল কতটা সম্ভব?

  • চট্টগ্রামে সরকারি-বেসরকারি হাসপাতালে কমেছে রোগী, বন্ধ প্রাইভেট চেম্বারও

  • গত ২৪ ঘণ্টায় ১৪১ জনের নমুনা পরীক্ষা: আইইডিসিআর

শঙ্কার কারণেই বাজারে বাড়ছে আদা-রসুনের দাম

শঙ্কার কারণেই বাজারে বাড়ছে আদা-রসুনের দাম

দেশে পর্যাপ্ত আদা রসুনের মজুত থাকলেও চীনের করোনাভাইরাসের প্রভাবে দাম বাড়াচ্ছিলো ব্যবসায়ীরা। তবে গত সপ্তাহ থেকে দাম কিছুটা কমতির দিকে। আমদানিকারক ও আড়তদাররা বলছেন, পর্যাপ্ত মজুত ও বাজারে সরবরাহ ঠিক থাকলেও শুধু শঙ্কার কারণেই দাম বেড়েছে। তবে সমস্যা দীর্ঘমেয়াদী হলে, বিকল্প বাজার থেকে পণ্য আমদানি করা হবে জানিয়েছেন বাণিজ্য মন্ত্রী।

বাংলাদেশ ট্যারিফ কমিশনের হিসাবে, দেশে বছরে রসুনের চাহিদা প্রায় ৬ লাখ টন। যার সিংহভাগই দেশে উৎপাদিত হয়। আমদানি হয় প্রায় ৭৮ হাজার টন। এরমধ্যে ২০১৯-২০ অর্থবছরের জুলাই থেকে ডিসেম্বর পর্যন্ত প্রথম ৬ মাসেই আমদানি হয়েছে, ৫২ হাজার ৪৬১ টন রসুন।

মসলাজাতীয় আরেকটি পণ্য আদার চাহিদা বছরে প্রায় ৩ লাখ টন। যার মধ্যে দেশে উৎপাদন হয়, প্রায় ১ লাখ ৭৩ হাজার টন। চলতি অর্থবছরের প্রথম ছয়মাসে আমদানি করা হয়েছে ৬৯ হাজার ৪৮১ টন।

যাকে স্বাভাবিক পরিস্থিতি বলছেন, পাইকার ও আড়তদাররা। কিন্তু চীনের করোনাভাইরাসের সংক্রমণের পর জানুয়ারি থেকে বাড়তে শুরু পণ্য দুটির দাম। ট্রেডিং করপোরেশন অব বাংলাদেশ-টিসিবির তথ্যমতে, এই এক মাসে খুচরা বাজারে আমদানি করা রসুনের দাম বেড়েছে ৪৪ দশমিক ৪৪ শতাংশ। আর আদার দাম বাড়ে ৭ দশমিক ৬৯ শতাংশ। যদিও গত সপ্তাহ থেকে কিছুটা কমেছে দরের এই উর্ধ্বমুখি প্রবণতা।

খুচরা বিক্রেতারা জানান, দাম আগে বাড়তে ছিলো এখন একটু কম।

আমদানিকারক ও আড়তদাররা বলছেন, পর্যাপ্ত মজুত ও বাজারে সরবরাহ ঠিক থাকলেও শুধু শঙ্কার কারণেই দাম বেড়েছে। যাকে যৌক্তিক মনে করেন না তারা।

মেসার্স সুরমা বাণিজ্যলয়ের স্বস্তাধিকারী ঝুটন সাহা জানান, রসুনতো আমার মনে হয় ১০ দিন পর থেকে আমদানির সম্ভাবনা নাই। ওখানে এমন অবস্তা গোডাউন ওয়্যারহাউজ সব বন্ধ।

আমদানিকারক মোসারফ সিকদার বলেন, আদা-রসুন আমাদের যে চায়না থেকে আসতেছে এটা এখন আপাতত আসা বন্ধ রয়েছে। আমরা আগে যে আমদানি করেছি বা যেগুলো লাইনে আছে সেগুলো বিক্রি করতেছি।

বাংলাদেশ চায়না চেম্বার অফ কমার্স এন্ড ইন্ডাষ্ট্রির যুগ্মসাধারণ সম্পাদক আল মামুন মৃধা বলেন, আমাদের কাছে যথেষ্ট পরিমান মজুদ আছে। তারপরও কেন আমাদের এখানে দাম বাড়বে? বাংলাদেশে যে শুধুমাত্র মজুদ না থাকার কারণে দাম বাড়ে তানা এখানে আরও অনেক কারণে দাম বাড়ে। এ ব্যাপারে আমাদের সবাইকে সচেতন করতে হবে।

সম্প্রতি এক অনুষ্ঠানে বাণিজ্যমন্ত্রী জানান, চীনে করোনাভাইরাসের সমস্যা দীর্ঘমেয়াদী হলে, বিকল্প বাজার থেকে পণ্য আমদানি করা হবে।

 

সংশ্লিষ্ট সংবাদ

সর্বশেষ সংবাদ

বিজনেস 24 খবর