channel 24

সর্বশেষ

  • শনিবার নিউজিল্যান্ডের মুখোমুখি বাংলাদেশ নারী দল

  • ওয়ানডে সিরিজের জন্য প্রস্তুত সিলেট, বাংলাদেশ-জিম্বাবুয়ের অনুশীলন

  • ফুটবল ফেডারেশন নির্বাচন ২০ এপ্রিল

  • চসিক নির্বাচনের দিন অফিস খোলার রাখার বিষয়টি বিবেচনা করা হচ্ছে: ইসি রফিকুল

  • মগবাজার দিলু রোডে আগুনে দগ্ধ দুজনের অবস্থা সংকটাপন্ন

  • রক্তপাত না বাড়িয়ে সমস্যার দ্রুত সমাধান করবে ভারত; আশা কাদেরের

  • কক্সবাজারে ভূমি অধিগ্রহণের ক্ষতিপূরণ নিয়ে ভোগান্তিতে ক্ষতিগ্রস্তরা

  • চাঁপাইনবাবগঞ্জে জলবায়ুর বিরূপ প্রভাবে দুশ্চিন্তায় আম চাষীরা

  • দোষারোপের রাজনীতিতে মেতে আছেন ভারতের রাজনীতিকরা

  • ব্রেক্সিট বাণিজ্য চুক্তি আলোচনায় যুক্তরাজ্যের প্রস্তাবে ইইউ'র সম্মতি

  • করোনাভাইরাসের প্রভাবে ধস নেমেছে বিশ্ব পুঁজিবাজারে

  • প্রযুক্তি পণ্যের বাজারেও করোনাভাইরাসের প্রভাব

  • রাজধানীতে ১২তম এশিয়া ফার্মা এক্সপো শুরু

  • শিক্ষা ব্যবস্থার আমূল পরিবর্তন নিয়ে সরকার ভাবছে: পরিকল্পনামন্ত্রী

  • দিল্লিতে সহিংসতা আঞ্চলিক শান্তি-সৌহার্দ্যের অন্তরায়: ফখরুল

একযুগ পেরুলেও আমানতের টাকা ফেরত পাননি যুবকের প্রতারিত গ্রাহকরা

একযুগ পেরুলেও আমানতের টাকা ফেরত পাননি যুবকের প্রতারিত গ্রাহকরা

দেশের আর্থিক খাতে প্রথম বড় প্রতারণার ঘটনা যুব কর্মসংস্থান সোসাইটি- যুবকের নিয়মবহির্ভুত আর্থিক লেনদেন। যেখানে টাকা রেখে প্রতারিত হয়েছেন ৩ লাখের বেশি গ্রাহক। ২০০৬ সালে প্রতিষ্ঠানটিকে ক্ষতিগ্রস্থ বিনিয়োগকারিদের সকল পাওনা পরিশোধ করে কার্যক্রম বন্ধের নির্দেশনা দেয় বাংলাদেশ ব্যাংক। এক যুগের বেশি পেরুলেও প্রতারিত গ্রাহকরা ফেরত পাননি আমানতের টাকা। বিশ্লেষকদের মতে, এ ব্যাপারে নজর না দেয়াতেই সুযোগ হয়েছে অন্যান্য আর্থিক কেলেঙ্কারির।

টাকা ফেরতের আশায় যুবকের গ্রাহক নাসিমা আক্তারের ১ দশকের অপেক্ষা শেষ হয় না। যুবকের সাড়ে ৩ লাখ প্রতারিত গ্রাহকের একজন তিনি। লাভের আশায় নিজের তো বটেই, পরিবার পরিজনের টাকাও বিনিয়োগ করেছিলেন যুবকে। এরপর একদিন, সব শেষ। সেই গল্পই বলতে চলে আসেন চট্টগ্রাম থেকে ঢাকায়।

বংশী নদী বেয়ে এ যাত্রার উদ্দেশ্য সরেজমিনে নামে-বেনামে থাকা যুবকের সম্পত্তির খোঁজ। ব্রিজ পেরিয়ে ধামরাইয়ের কাছে দেখা মিলল একটির। সেখানেই কথা হয়, নাসিমা সহ যুবকের কিছু ক্ষতিগ্রস্থ বিনিয়োগকারীর সাথে।

যাদের ছিল সাজানো গোছানো ছোট্ট সংসার। নিয়তির নিদারুণ পরিহাসে তারাই এখন ঘরছাড়া। তবু এই মানুষগুলো আশায় বুক বাঁধেন, একদিন সব ঠিক হবে।

১৯৯৭ সালে একটি অলাভজনক সংস্থা হিসেবে নিবন্ধিত হয় যুব কর্মসংস্থান সোসাইটি, যুবক। যদিও তার প্রায় ৩ বছর আগে থেকেই গ্রাহকের কাছ থেকে আমানত সংগ্রহ শুরু করে প্রতিষ্ঠানটি। কিনতে থাকে একের পর এক জমি। শুরু হয় সীমাহীন অনিয়ম। একসময় টনক নড়ে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের। ততদিনে দেরি হয়ে গেছে অনেক।

২০০৬ সালে বাংলাদেশ ব্যাংক গ্রাহকের সব পাওনাদি পরিশোধ করে যুবকের কার্যক্রম বন্ধের নির্দেশ দিলেও কাজ হয় না কিছুই। টাকা উদ্ধারে তাই ২০১০ ও ১১ তে গঠিত হয় ২টি কমিশন ২০১৪ তে একটি আন্তঃমন্ত্রণালয় কমিটি। এরপর পেরোয় বছরের পর বছর, ক্ষতিগ্রস্তদের হাতে পৌঁছায় না এক টাকাও।

২০১৬ সালে উচ্চ আদালতের কড়া নাড়েন প্রতারিত গ্রাহকরা। তবে তারিখের পর তারিখ পেরুলেও মেলে না সমাধান।

সংশ্লিষ্ট সংবাদ

সর্বশেষ সংবাদ

বিজনেস 24 খবর