channel 24

সর্বশেষ

  • মাধ্যমিক পর্যন্ত পাঠ্যক্রমে কোন বিভাজনের দরকার নেই: প্রধানমন্ত্রী

  • জয়পুরহাটে মুক্তিযোদ্ধা টেকনিক্যাল স্কুল অ্যান্ড কলেজের সাইনবোর্ড টাঙিয়ে নিয়োগ বাণিজ্য

  • স্বাস্থ্য প্রতিবেদন সন্তোষজনক না হলে স্বশরীরে খালেদাকে হাজির চান আইনজীবী

  • নাটোর ও নেত্রকোণায় নদীর অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদে প্রভাবশালীদের হস্তক্ষেপ

  • মসজিদের মিনারে মাইক ভেঙে হনুমানের ছবি সম্বলিত পতাকা উত্তোলন

  • গুড়িয়ে দেয়ার কিছুদিনেই ফের সচল শরীয়তপুরের ৮টি অবৈধ ইটভাটা

  • লতিফ সিদ্দিকীর দুর্নীতির মামলা হাইকোর্টে স্থগিত

  • রাসায়নিক বর্জ্যে দূষিত হচ্ছে হবিগঞ্জের করাঙ্গি নদী

  • ইভিএমে ফল গড়াপেটার অভিযোগ: সত্যতা মিললেও নির্বিকার নির্বাচন কমিশন

  • বায়ার্ন মিউনিখের কাছে ৩ গোল খেয়ে বিদায়ের দ্বারপ্রান্তে চেলসি

  • চসিক নির্বাচনের তফসিল ঘোষণার পর থেকে জাতীয় পরিচয়পত্র সংক্রান্ত কার্যক্রম বন্ধ

  • ধর্ম অবমাননায় 'নানীর বাণী ও 'দিয়া আরেফিন' বাজার থেকে প্রত্যাহারের আদেশ

  • টাকাসহ পিকে হালদারকে ‘কানাডা’ থেকে ফেরত আনা সম্ভব: বাংলাদেশ ব্যাংকের আইনজীবী

  • নাপোলির সাথে ১-১ গোলে ড্র বার্সেলোনার

  • আজও উত্তপ্ত দিল্লি, দুইদিনের সহিংসতায় নিহত ১৮

পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা: গ্যাস অনুসন্ধানে নেই পরিকল্পনা, নজর আমদানিতে

পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা: গ্যাস অনুসন্ধানে নেই পরিকল্পনা, নজর আমদানিতে

পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনায় বিদ্যুৎ খাতে ব্যাপক উন্নয়নের লক্ষ্য থাকলেও একরকম উপেক্ষিত দেশীয় জ্বালানি খাত। গ্যাস অনুসন্ধানে নেই বড় কোনো পরিকল্পনা। ফলে নজর বাড়ছে আমদানির দিকে। আর এসবের পেছনে খরচের লক্ষ্যমাত্রা ১৫ বিলিয়ন ডলার। প্রতিমন্ত্রী বলছেন, এখনও ছোটবড় বাধা রয়ে গেছে জ্বালানি খাতের সার্বিক উন্নয়নে। যা নিয়ে চিন্তিত বিশেষজ্ঞরাও।

গত চারযুগে অর্থনীতির আয়তন, ভিত্তি এবং সক্ষমতা বাড়াতে বড় অবদান ছিল জ্বালানি খাতের। তবে শেষ দশকে এই খাতের উন্নয়নে গতি ছিল কম। ফলে উৎপাদনের ক্ষেত্রে দেশীয় প্রতিষ্ঠানের বদলে অংশ বেড়ে গেছে বিদেশি তেল কোম্পানিগুলোর। সেই সাথে নজর বেড়েছে আমদানির দিকে। যা সস্তা জ্বালানির কারণে প্রতিযোগিতায় টিকে থাকা উৎপাদনশীল খাতকে ফেলেছে কিছুটা দুশ্চিন্তায়।

ঢাকা চেম্বারের সাবেক সভাপতি আবুল কাশেম খান বলেন, ফরেন সোর্সের উপর নির্ভরতা বেড়ে গেলে অনেক ক্ষেত্রেই প্রতিযোগীতার জায়গাটা হারিয়ে যাবে।  

এমন বাস্তবতায় পরের পাঁচ বছরের জন্য নেয়া হয়েছে নতুন পরিকল্পনা। যেখানে আগের ১০৫টি কূপ খনন থেকে সরে সেই সংখ্যা নামিয়ে আনা হয়েছে ৫ ভাগের একভাগে। অর্থাৎ কমানো হয়েছে দেশীয় উৎস থেকে সরবরাহের লক্ষ্যমাত্রা। অন্যদিকে, পূর্ণ রূপরেখা দেয়া হয়নি সাগরে গ্যাস অনুসন্ধানে। তাই বিশ্লেষকরা বলছেন, বিদ্যুৎ খাতের সাথে সমান্তরালে গুরুত্ব দেয়া জ্বালানি খাতে।

জ্বালানী বিশেষজ্ঞ অধ্যাপক বদরুল ইমাম বলেন, আগামী ৫ থেকে ১০ বছরের মধ্যে যে সমস্ত বিদ্যুৎ কেন্দ্র চালু হতে যাচ্ছে সেগুলোর জন্য দেশীয় গ্যাস বা জ্বালানী সরবরাহের কোন পরিকল্পনা নেই।

২০২৫ সাল পর্যন্ত জ্বালানি খাতে মোট খরচের চিন্তা ১৫ বিলিয়ন ডলার বা ১ লাখ ২৭ হাজার কোটি টাকা। যার যোগান আসবে সরকারি, বেসরকারি, এবং বিদেশি বিনিয়োগের মাধ্যমে। অথচ কূপ খনন, সংস্কার এবং জরিপের পেছনে বরাদ্দ মাত্র ৭ হাজার কোটি। বাকিটা যাবে বিতরণ, সঞ্চালনসহ অন্যান্য খাতে। তার মানে হলো, নিজস্ব অনুসন্ধানের বদলে বেশি মনোযোগ দেয়া হচ্ছে আমদানির অবকাঠামো তৈরি এবং ব্যবস্থাপনার দিকে।

বিদ্যুৎ ও জ্বালানী প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ বিপু বলেন, গ্যাস উত্তোলনে অনেক ধরণের বাধা রয়েছে।  

দেশের ২৭টি গ্যাস ক্ষেত্রের মধ্যে উৎপাদনে ২০টি। আর চাহিদা এবং সরবরাহের মধ্যে থাকা দৈনিক ১শ কোটি ঘনফুটের ঘাটতি মেটাতে হচ্ছে এলএনজি আমদানি করে।

সংশ্লিষ্ট সংবাদ

সর্বশেষ সংবাদ

বিজনেস 24 খবর